Dhaka ০৪:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত : জ্বালানি উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫
  • / 85

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফওজুল কাবির খান বলেছেন, দেশের স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে সিলিন্ডারের বাজার মূল্য ১২০০ টাকার বেশি হওয়ায় শিল্প ও গৃহস্থালি ব্যবহারকারীরা সুবিধা পাচ্ছেন না। অথচ এর দাম ১ হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশে এলপিজি : অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফওজুল কাবির খান বলেন, এলপিজির প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দাম। বর্তমানে ১২০০ টাকা দামের সিলিন্ডার কিছু ক্ষেত্রে ১৪০০–১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাই দামের নিয়ন্ত্রণ, লজিস্টিক উন্নয়ন এবং প্রাইভেট সেক্টরের কার্যকারিতা বাড়ানো জরুরি। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক মনোভাব ছাড়া দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; এটি একটি পরিকল্পিত অবস্থা, যা কিছু রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কারণে তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিকল্পনায় সরবরাহ চাহিদা উপেক্ষা করা হয়েছে, ফলে বিপুলসংখ্যক অবৈধ সংযোগ তৈরি হয়েছে।

উপদেষ্টা জানান, স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন প্রতিবছর প্রায় ২০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট কমছে, কিন্তু নতুনভাবে মাত্র ৭০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট গ্যাস সংগ্রহ করা যাচ্ছে। এজন্য উচ্চমূল্যের এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদে ঘাটতি মোকাবিলায় এলপিজি কার্যকর বিকল্প হতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

এলপিজি সিলিন্ডার ১ হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত : জ্বালানি উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ১২:৩৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফওজুল কাবির খান বলেছেন, দেশের স্বল্পমেয়াদি জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এলপিজির দাম নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে সিলিন্ডারের বাজার মূল্য ১২০০ টাকার বেশি হওয়ায় শিল্প ও গৃহস্থালি ব্যবহারকারীরা সুবিধা পাচ্ছেন না। অথচ এর দাম ১ হাজার টাকার মধ্যে হওয়া উচিত।

শনিবার (১১ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘বাংলাদেশে এলপিজি : অর্থনীতি, পরিবেশ ও নিরাপত্তা’ শীর্ষক পলিসি কনক্লেভে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফওজুল কাবির খান বলেন, এলপিজির প্রধান চ্যালেঞ্জ হলো দাম। বর্তমানে ১২০০ টাকা দামের সিলিন্ডার কিছু ক্ষেত্রে ১৪০০–১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তাই দামের নিয়ন্ত্রণ, লজিস্টিক উন্নয়ন এবং প্রাইভেট সেক্টরের কার্যকারিতা বাড়ানো জরুরি। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক মনোভাব ছাড়া দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের প্রাথমিক জ্বালানির ঘাটতি কোনো স্বাভাবিক সংকট নয়; এটি একটি পরিকল্পিত অবস্থা, যা কিছু রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর কারণে তৈরি হয়েছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস পরিকল্পনায় সরবরাহ চাহিদা উপেক্ষা করা হয়েছে, ফলে বিপুলসংখ্যক অবৈধ সংযোগ তৈরি হয়েছে।

উপদেষ্টা জানান, স্থানীয় গ্যাস উৎপাদন প্রতিবছর প্রায় ২০০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট কমছে, কিন্তু নতুনভাবে মাত্র ৭০ মিলিয়ন কিউবিক ফুট গ্যাস সংগ্রহ করা যাচ্ছে। এজন্য উচ্চমূল্যের এলএনজি আমদানি করতে হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বল্পমেয়াদে ঘাটতি মোকাবিলায় এলপিজি কার্যকর বিকল্প হতে পারে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং সম্মানিত অতিথি ছিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ।