Dhaka ০৫:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বন্ধ হয়ে যাওয়া সিনেমা হল এখন মসজিদ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 95

নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ‘আল্পনা’ সিনেমা হলটি প্রায় ২০ বছর আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বন্ধ হওয়ার পর ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল এবং সেখানে আগাছায় পরিপূর্ণ একটি পরিবেশ গড়ে উঠেছিল। সম্প্রতি ভবনটি পরিষ্কার করে সেখানে ‘তাবলিগী মার্কাজ মসজিদ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ম. শাফায়াত আলী ‘টাউন হল’ হিসেবে ভবনটির উদ্বোধন করেছিলেন। পরে সেখানে ‘আল্পনা’ নামে সিনেমা হল চালু হয়, যা প্রায় দুই দশক আগে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে সেটি পরিত্যক্ত ছিল।

তাবলিগ জামাতের ‘আলমী শুরা’র পক্ষ থেকে মাওলানা শহিদুল ওই ভবনটি ইজারা নিয়ে সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মসজিদ স্থাপন করেছেন।

এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলার ইউএনও রাশেদুজ্জামান জানান, আল্পনা সিনেমা হলটি ২০ বছর আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং এটি একটি ভেস্টেড প্রপার্টি হিসেবে কেউ সরকারের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে পরিচালনা করছিলেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় একটি আধুনিক মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ চলছে, যা দ্রুত শেষ করা হবে। সেখানে নামাজের পাশাপাশি ইসলামী সংস্কৃতিচর্চার ব্যবস্থাও থাকবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বন্ধ হয়ে যাওয়া সিনেমা হল এখন মসজিদ

প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

নড়াইল জেলার কালিয়া উপজেলার ‘আল্পনা’ সিনেমা হলটি প্রায় ২০ বছর আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। বন্ধ হওয়ার পর ভবনটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে ছিল এবং সেখানে আগাছায় পরিপূর্ণ একটি পরিবেশ গড়ে উঠেছিল। সম্প্রতি ভবনটি পরিষ্কার করে সেখানে ‘তাবলিগী মার্কাজ মসজিদ’ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

জানা গেছে, ১৯৮৪ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক ম. শাফায়াত আলী ‘টাউন হল’ হিসেবে ভবনটির উদ্বোধন করেছিলেন। পরে সেখানে ‘আল্পনা’ নামে সিনেমা হল চালু হয়, যা প্রায় দুই দশক আগে বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে সেটি পরিত্যক্ত ছিল।

তাবলিগ জামাতের ‘আলমী শুরা’র পক্ষ থেকে মাওলানা শহিদুল ওই ভবনটি ইজারা নিয়ে সেখানে ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মসজিদ স্থাপন করেছেন।

এ বিষয়ে কালিয়া উপজেলার ইউএনও রাশেদুজ্জামান জানান, আল্পনা সিনেমা হলটি ২০ বছর আগে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল এবং এটি একটি ভেস্টেড প্রপার্টি হিসেবে কেউ সরকারের কাছ থেকে ইজারা নিয়ে পরিচালনা করছিলেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় একটি আধুনিক মডেল মসজিদ নির্মাণের কাজ চলছে, যা দ্রুত শেষ করা হবে। সেখানে নামাজের পাশাপাশি ইসলামী সংস্কৃতিচর্চার ব্যবস্থাও থাকবে।