Dhaka ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাংলাদেশে আল কায়েদার উপস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুমাননির্ভর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় রাস্তায় ফেলে যান স্ত্রী, সেই প্রবাসীর মৃত্যু বদলে গেল অর্থবছর, ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো গোষ্ঠীর একক অর্জন নয় : ববি হাজ্জাজ ৩০০ টাকার কাঁচা মরিচ এখন ১০০ টাকা, ১০ দিনে আমদানি ২৩৩ টন ‘স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর দেশে ১৮০ দিন পার করাই সরকারের বড় অর্জন’ উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের জামিন নামঞ্জুর ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার ভিসা সেন্টার খোলার অনুরোধ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক সংস্থার বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

গৌতম কি ক্যান্সারের কাছে হেরে যাবে?

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 323

 শহরের চেনাজানা এমন কেউ নেই যারা গৌতমকে হাসতে দেখেননি। প্রাণোচ্ছ¡ল এক যুবক গৌতম দাস। যে সব সময় হাসতেই পছন্দ করত। হাসিমুখে কথা বলতো সবার সাথে। স্বভাবসুলভ আচরণে মানুষকে আপন করে নিতে পারত। বাবা-মা, স্ত্রী, মেয়ে আর ভাইকে নিয়ে তার ছিল সোনার সংসার।
গৌতমের মুখ থেকে হাসি মুছে যেতে শুরু করেছে। ক্যান্সার নামক দানব অসুখটির সাথে এক বছর ধরে লড়াই করে চলেছে। একটু সুস্থ হলেই যেন মনোবল ফিরে পায়। তখন তার মুখে হাসি ফোটে। সে হাসি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না। আবারও ফিরে যেতে হয় অসুস্থতার দিকে। এভাবেই চলছে এক বছর। গৌতম নিজের জন্য বাঁচতে চান না। তার একটি ফুটফুটে মেয়ে আছে। বয়স তিন অথবা চার হবে। মেয়েটিকে বড্ড ভালোবাসে গৌতম। গৌতম পৃথিবী থেকে বিদায় নিলে মেয়েটির কী হবে? এটাই কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে গৌতমকে।
রাজবাড়ী শহরের সজ্জনকান্দা গ্রামের রাধাকান্ত দাশ ও শিখা রানী দাশ দম্পতির ছেলে গৌতম দাস। পেশায় ছিলেন উন্নয়নকর্মী। ভালো ক্রিকেট খেলতেন। এ শহরের সামাজিক উন্নয়নেও তার অবদান আছে। যখন সুস্থ ছিলেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। আজ বাঁচার জন্য তার পরিবার গৌতমের পাশে দাঁড়ানোর আহŸান জানাচ্ছে মানুষকে।
গৌতমের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত এক বছরে গৌতমকে সুস্থ করে তোলার জন্য তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। গৌতমের স্ত্রীর স্বর্ণালংকার, গহনাসহ মূল্যবান যা ছিল সবই বিক্রি করেছেন গৌতমের চিকিৎসার জন্য। গৌতমকে এখনও সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু এজন্য আরও ২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। এখন এত টাকার সংস্থান করার মত অবস্থায় তারা নেই। এজন্য তারা সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান মানুষের কাছে গৌতমের পাশে দাঁড়ানোর আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
গৌতমকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: ০১৭১৬৬২১০০৬ (বিকাশ, নগদ, রকেট) এবং সোনালী ব্যাংক, রাজবাড়ী শাখা: হিসাব নং ২২১১১০১০২৫৩৫৯।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গৌতম কি ক্যান্সারের কাছে হেরে যাবে?

প্রকাশের সময় : ০২:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

 শহরের চেনাজানা এমন কেউ নেই যারা গৌতমকে হাসতে দেখেননি। প্রাণোচ্ছ¡ল এক যুবক গৌতম দাস। যে সব সময় হাসতেই পছন্দ করত। হাসিমুখে কথা বলতো সবার সাথে। স্বভাবসুলভ আচরণে মানুষকে আপন করে নিতে পারত। বাবা-মা, স্ত্রী, মেয়ে আর ভাইকে নিয়ে তার ছিল সোনার সংসার।
গৌতমের মুখ থেকে হাসি মুছে যেতে শুরু করেছে। ক্যান্সার নামক দানব অসুখটির সাথে এক বছর ধরে লড়াই করে চলেছে। একটু সুস্থ হলেই যেন মনোবল ফিরে পায়। তখন তার মুখে হাসি ফোটে। সে হাসি বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়না। আবারও ফিরে যেতে হয় অসুস্থতার দিকে। এভাবেই চলছে এক বছর। গৌতম নিজের জন্য বাঁচতে চান না। তার একটি ফুটফুটে মেয়ে আছে। বয়স তিন অথবা চার হবে। মেয়েটিকে বড্ড ভালোবাসে গৌতম। গৌতম পৃথিবী থেকে বিদায় নিলে মেয়েটির কী হবে? এটাই কুড়ে কুড়ে খাচ্ছে গৌতমকে।
রাজবাড়ী শহরের সজ্জনকান্দা গ্রামের রাধাকান্ত দাশ ও শিখা রানী দাশ দম্পতির ছেলে গৌতম দাস। পেশায় ছিলেন উন্নয়নকর্মী। ভালো ক্রিকেট খেলতেন। এ শহরের সামাজিক উন্নয়নেও তার অবদান আছে। যখন সুস্থ ছিলেন মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছেন। আজ বাঁচার জন্য তার পরিবার গৌতমের পাশে দাঁড়ানোর আহŸান জানাচ্ছে মানুষকে।
গৌতমের পারিবারিক সূত্র জানায়, গত এক বছরে গৌতমকে সুস্থ করে তোলার জন্য তারা যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। গৌতমের স্ত্রীর স্বর্ণালংকার, গহনাসহ মূল্যবান যা ছিল সবই বিক্রি করেছেন গৌতমের চিকিৎসার জন্য। গৌতমকে এখনও সুস্থ করা সম্ভব। কিন্তু এজন্য আরও ২৫ লাখ টাকা প্রয়োজন। এখন এত টাকার সংস্থান করার মত অবস্থায় তারা নেই। এজন্য তারা সমাজের বিত্তবান, হৃদয়বান মানুষের কাছে গৌতমের পাশে দাঁড়ানোর আকুল আবেদন জানিয়েছেন।
গৌতমকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: ০১৭১৬৬২১০০৬ (বিকাশ, নগদ, রকেট) এবং সোনালী ব্যাংক, রাজবাড়ী শাখা: হিসাব নং ২২১১১০১০২৫৩৫৯।