Dhaka ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মমত্ববোধ দিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা সোনালী ব্যাংকের জুরাইনে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধনের আশা সংসদীয় কমিটির মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস কালীগঞ্জে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী

শিবিরের এই আয়োজনের দায় ভিসি ও প্রক্টর এড়াতে পারেন না: নাছির

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫
  • / 244

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মসূচির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পবিত্র মাটি থেকেই বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীজ রোপিত হয়েছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়েই সর্বপ্রথম খচিত হয়েছিল বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা। অথচ আজ টিএসসিতে শিবির যুদ্ধাপরাধী নিজামী, মুজাহিদ, গোলাম আযমসহ আত্মস্বীকৃত স্বাধীনতাবিরোধীদের ছবি টানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনার ওপর সরাসরি আঘাত করেছে।’

নাছির বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির একাত্তরের ঘৃণ্য রাজাকার বাহিনী ছাত্রসংঘ ও আলবদরের উত্তরসূরী। অতীতে তারা একজন আলবদর কমান্ডারকে ডাকসুতে ভিপি পদে প্রার্থী করেছিল। এমনকি তাদের দলীয় প্রকাশনাতেও স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য প্রকাশ পেয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রক্টর শিবিরকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। প্রশাসনের মদদেই তারা টিএসসিতে এমন জঘন্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অপমান করেছে এবং দেশের আপামর জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। এই আয়োজনের দায় প্রশাসন, ভিসি ও প্রক্টর কেউই এড়াতে পারেন না।’

নাছির আরও বলেন, ‘তোফাজ্জল ও সাম্য হত্যাকাণ্ড, শেখ হাসিনার গ্রাফিতি মোছাসহ একাধিক ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ পেয়েছে।’

বরং মব এবং গুপ্ত সংগঠনগুলোর প্রতি এক ধরনের নীরব পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। এতে শিক্ষার্থীরা হতাশ এবং বিক্ষুব্ধ।

সবশেষে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো সংগঠনের কর্মসূচির জন্য প্রক্টরের অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি দেওয়ার আগে তিনি কর্মসূচির বিষয়বস্তু যাচাই করে থাকেন। তাই আজকের ঘটনার দায় প্রক্টরের ঘাড়েই বর্তায়।’

এই আয়োজন তার অনুমতি, সম্মতি ও পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সম্ভব ছিল না। প্রক্টরকে এই ঘটনার দায় স্বীকার করে জবাবদিহি করতে হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শিবিরের এই আয়োজনের দায় ভিসি ও প্রক্টর এড়াতে পারেন না: নাছির

প্রকাশের সময় : ১১:০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৬ অগাস্ট ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মসূচির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির।

মঙ্গলবার (৫ আগস্ট) এক ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এই পবিত্র মাটি থেকেই বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীজ রোপিত হয়েছিল। এই বিশ্ববিদ্যালয়েই সর্বপ্রথম খচিত হয়েছিল বাংলাদেশের মানচিত্রসংবলিত পতাকা। অথচ আজ টিএসসিতে শিবির যুদ্ধাপরাধী নিজামী, মুজাহিদ, গোলাম আযমসহ আত্মস্বীকৃত স্বাধীনতাবিরোধীদের ছবি টানিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনার ওপর সরাসরি আঘাত করেছে।’

নাছির বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির একাত্তরের ঘৃণ্য রাজাকার বাহিনী ছাত্রসংঘ ও আলবদরের উত্তরসূরী। অতীতে তারা একজন আলবদর কমান্ডারকে ডাকসুতে ভিপি পদে প্রার্থী করেছিল। এমনকি তাদের দলীয় প্রকাশনাতেও স্বাধীনতাবিরোধী অবস্থান এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি অবমাননাকর মন্তব্য প্রকাশ পেয়েছে।’

তিনি অভিযোগ করেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে ভাইস চ্যান্সেলর ও প্রক্টর শিবিরকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন। প্রশাসনের মদদেই তারা টিএসসিতে এমন জঘন্য কর্মকাণ্ড চালিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অপমান করেছে এবং দেশের আপামর জনগণের অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে। এই আয়োজনের দায় প্রশাসন, ভিসি ও প্রক্টর কেউই এড়াতে পারেন না।’

নাছির আরও বলেন, ‘তোফাজ্জল ও সাম্য হত্যাকাণ্ড, শেখ হাসিনার গ্রাফিতি মোছাসহ একাধিক ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতা ও নিষ্ক্রিয়তা প্রকাশ পেয়েছে।’

বরং মব এবং গুপ্ত সংগঠনগুলোর প্রতি এক ধরনের নীরব পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। এতে শিক্ষার্থীরা হতাশ এবং বিক্ষুব্ধ।

সবশেষে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যেকোনো সংগঠনের কর্মসূচির জন্য প্রক্টরের অনুমতি নিতে হয়। অনুমতি দেওয়ার আগে তিনি কর্মসূচির বিষয়বস্তু যাচাই করে থাকেন। তাই আজকের ঘটনার দায় প্রক্টরের ঘাড়েই বর্তায়।’

এই আয়োজন তার অনুমতি, সম্মতি ও পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়া সম্ভব ছিল না। প্রক্টরকে এই ঘটনার দায় স্বীকার করে জবাবদিহি করতে হবে।