Dhaka ১২:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে কড়াকড়ির সিদ্ধান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রেলওয়ের আয় বৃদ্ধির সুপারিশ সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত: রাষ্ট্রপতি প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই এগিয়ে যেতে হবে : প্রধানমন্ত্রী কমলো সোনার দাম ইরানের সীমান্ত থেকে ১ হাজার কিলোমিটার দূরে ‘পালিয়েছে’ মার্কিন বাহিনী সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি

মুক্তি পেয়েই শাহবাগে জনসভায় জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 99

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম কারামুক্ত হয়েছেন। মুক্তির পরপরই তিনি রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে একটি জনসভায় যোগ দেন।

বুধবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির সময় জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. জাহাঙ্গীর কবির।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ মে) আপিল বিভাগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে আজহারকে খালাস দেয়। বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারুল ইসলামকে ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালে রংপুর অঞ্চলে তিনি গণহত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠনসহ নানা অপরাধে যুক্ত ছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামী বরাবরই এসব অভিযোগকে ‘প্রহসনের রায়’ বলে আখ্যায়িত করে আসছে।

মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে আজহারের আইনজীবীরা খালাস চেয়ে আপিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকাল আপিল বিভাগ তাকে খালাস দেয় এবং অন্য কোনো মামলা না থাকলে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

কারামুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আজহারুল ইসলাম দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শাহবাগ মোড়ে জনসভায় উপস্থিত হন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ খালাসকে ‘ন্যায়বিচারের বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মুক্তি পেয়েই শাহবাগে জনসভায় জামায়াত নেতা আজহারুল ইসলাম

প্রকাশের সময় : ১১:০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডাদেশ থেকে খালাস পাওয়ার পর জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম কারামুক্ত হয়েছেন। মুক্তির পরপরই তিনি রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে একটি জনসভায় যোগ দেন।

বুধবার (২৮ মে) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতাল থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। মুক্তির সময় জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিভাগের কারা উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. জাহাঙ্গীর কবির।

এর আগে মঙ্গলবার (২৭ মে) আপিল বিভাগ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ড বাতিল করে আজহারকে খালাস দেয়। বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আজহারুল ইসলামকে ছয়টি মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেন। অভিযোগে বলা হয়, ১৯৭১ সালে রংপুর অঞ্চলে তিনি গণহত্যা, অপহরণ, ধর্ষণ, নির্যাতন, লুণ্ঠনসহ নানা অপরাধে যুক্ত ছিলেন। তবে জামায়াতে ইসলামী বরাবরই এসব অভিযোগকে ‘প্রহসনের রায়’ বলে আখ্যায়িত করে আসছে।

মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালে আজহারের আইনজীবীরা খালাস চেয়ে আপিল করেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে গতকাল আপিল বিভাগ তাকে খালাস দেয় এবং অন্য কোনো মামলা না থাকলে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দেয়।

কারামুক্তির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আজহারুল ইসলাম দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শাহবাগ মোড়ে জনসভায় উপস্থিত হন। জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে এ খালাসকে ‘ন্যায়বিচারের বিজয়’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।