Dhaka ০৪:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দেশমাতার জন্মদিনে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি: শিক্ষামন্ত্রী কোটালীপাড়ায় বেগম খালেদা জিয়ার জন্মদিনে বিএনপির আলোচনা ও দোয়া ভারত-বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম পরস্পরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে : দীনেশ ত্রিবেদী ধানমন্ডি ৩২-এ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে যুবক আটক মাদারীপুরে মহিলা মাদ্রাসার পাশে বোমা বিস্ফোরণ, ৫ শিক্ষার্থী আহত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ ভাতা প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন লাবুশেন-স্মিথকে ফিরিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে আরও কোণঠাসা করল বাংলাদেশ রামিসা হত্যা ও ধর্ষণ : আসামিদের আপিল হাইকোর্টের কার্যতালিকায় বিএনপির মূল কারিগর খালেদা জিয়া : মির্জা ফখরুল প্রান্তিক মানুষের কাছে চিকিৎসাসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

সন্তানকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর পালালেন মা, অতঃপর

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫
  • / 146

নরসিংদীর রায়পুরায় পুত্রসন্তানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মা শিরিন বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিকেলে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল মাহমুদ।

এর আগে, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলা আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ মির্জানগরে তারাবি নামাজ চলাকালে রুমের ভেতর আনাস মিয়া নামে তিন বছরের ওই শিশুটিকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যান মা শিরিন বেগম। নিহত শিশু আনাস ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী ডালিম মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, ৫ বছর আগে একই উপজেলার হাইরমারা এলাকার শিরিন বেগমকে বিয়ে করেন ডালিম মিয়া। বিয়ের তিন বছর পর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। এরপর শিরিন তাদের একমাত্র সন্তান আনাসকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। শনিবার রাতে আনাসকে কুপিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যান শিরিন বেগম।

এ সময় পাশের কক্ষে তারাবি নামাজ আদায় করছিলেন শিশুটির দাদি। চিৎকার শুনে ছুটে এসে তিনি নাতির রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে রাতেই শিশু আনাসের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। এরপর রাতে শিশুটির মা শিরিন বেগমকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায় রায়পুরা থানা পুলিশ। এ ঘটনার ১২ ঘণ্টা পার না হতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় রায়পুরা থানা পুলিশ।

ওসি মো. আদিল মাহমুদ বলেন, সকালে আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিরিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার পরিহিত কাপড়ে রক্তের দাগ ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে রায়পুরা থানায় পাঠানো হয়েছে। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিরিনকে জেলা কারাগারে পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সন্তানকে বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর পালালেন মা, অতঃপর

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৫:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ মার্চ ২০২৫

নরসিংদীর রায়পুরায় পুত্রসন্তানকে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় মা শিরিন বেগমকে (২৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৮টায় উপজেলা আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিকেলে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আদিল মাহমুদ।

এর আগে, শনিবার দিবাগত রাতে উপজেলা আমিরগঞ্জ ইউনিয়নের দক্ষিণ মির্জানগরে তারাবি নামাজ চলাকালে রুমের ভেতর আনাস মিয়া নামে তিন বছরের ওই শিশুটিকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যান মা শিরিন বেগম। নিহত শিশু আনাস ওই এলাকার সৌদি প্রবাসী ডালিম মিয়ার ছেলে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, ৫ বছর আগে একই উপজেলার হাইরমারা এলাকার শিরিন বেগমকে বিয়ে করেন ডালিম মিয়া। বিয়ের তিন বছর পর জীবিকার তাগিদে সৌদি আরবে পাড়ি জমান তিনি। এরপর শিরিন তাদের একমাত্র সন্তান আনাসকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। শনিবার রাতে আনাসকে কুপিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যান শিরিন বেগম।

এ সময় পাশের কক্ষে তারাবি নামাজ আদায় করছিলেন শিশুটির দাদি। চিৎকার শুনে ছুটে এসে তিনি নাতির রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে রাতেই শিশু আনাসের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়। এরপর রাতে শিশুটির মা শিরিন বেগমকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায় রায়পুরা থানা পুলিশ। এ ঘটনার ১২ ঘণ্টা পার না হতেই আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় রায়পুরা থানা পুলিশ।

ওসি মো. আদিল মাহমুদ বলেন, সকালে আমিরগঞ্জ স্টেশন এলাকা থেকে অভিযুক্ত শিরিনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তার পরিহিত কাপড়ে রক্তের দাগ ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি তিনি স্বীকার করেছেন। গ্রেপ্তারের পর তাকে রায়পুরা থানায় পাঠানো হয়েছে। নিহত শিশুর মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। অভিযুক্ত শিরিনকে জেলা কারাগারে পাঠানোর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।