তৌহীদি জনতাকে কটাক্ষ করে বিভাজনের রেখা টানবেন না: মামুনুল হক
- প্রকাশের সময় : ০৯:১০:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
- / 159
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক অন্তর্বর্তী সরকারের উদ্দেশ্যে বলেছেন, তৌহীদি জনতাকে কটাক্ষ করে বিভাজনের রেখা টানবেন না।
মঙ্গলবার (১১ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টায় পাবনা এডওয়ার্ড কলেজ মাঠে এক বিশাল গণ-সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনার কাঁধে যে ভূত সওয়ার হয়েছিল সেই ভূত এখন বাংলাদেশের কারো কারো কাঁধে ভর করেছে। যারা তৌহীদি জনতাকে কটাক্ষ করে বিভাজনের রেখা টানতে চায়, তাদের জানা উচিত বাংলাদেশের স্বাধীনতা আর ইসলাম এক সূত্রে গাঁথা। ইসলাম আক্রান্ত হলে স্বাধীনতা বিপন্ন হবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কারো কৃপায় অর্জিত হয়নি। এই বাংলাদেশ কোনো বিশেষ শ্রেণীর আন্দোলনের ফসল নয়। এই বাংলাদেশ আপামর জনতার দীর্ঘ আন্দোলন সংগ্রামের ফসল।
মাওলানা মামুনুল হক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমার অবাক লাগে যখন দেখি আপনারা আবারও শেখ হাসিনার রাজনীতি করার স্বপ্ন দেখেন। আপনাদের লজ্জা হওয়া উচিত। বাংলাদেশের ইতিহাসে আরও অনেক নেতা নেত্রী আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন কিন্তু কেউই পালিয়ে যাননি। শেখ হাসিনা পালায় না বলে- পালিয়ে গেছে। মনে রাখবেন, হাসিনা শুধু নিজের ও পরিবারে চিন্তা করেছে। আপনাদের কিংবা আওয়ামী লীগের কথা দুবার ভাবেনি। ভেবেছে পুতুলের কথা। ভেবেছে ছেলে জয়ের কথা। ভেবেছে বোন রেহানার কথা।
হাসিনা জানতো পালাতে হবে। সেই জন্যই স্যুটকেসের পর সুটকেস গুছিয়ে হেলিকপ্টার নিয়ে পালিয়েছে। নিজে পালানোর আগে পরিবারের লোকদের পালিয়ে যেতে বলেছে। আর আপনাদের জনতার রোষানলে ফেলে গেছে। এ ধরনের কাপুরুষ নেতার অধীনে কোনো আত্মমর্যাদাসম্পন্ন কর্মী রাজনীতি করতে পারে না।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন।
জেলা আহ্বায়ক মুফতি ওয়ালি উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণ-সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবুল হাসানাত জালালী, বায়তুলমাল সম্পাদক মাওলানা ফজলুর রহমান, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মাওলানা জহিরুল ইসলাম, যুব মজলিস সভাপতি জাহিদুজ্জামান, খেলাফত ছাত্র মজলিস সভাপতি মুহাম্মাদ কামাল উদ্দীন, মাওলানা হাবিবুর রহমান, মাওলানা আব্দুল্লাহ নাটোরীসহ কেন্দীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।






















