Dhaka ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দেশে পোস্টগ্র্যাজুয়েট বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু: গ্যাসে কিছুটা স্বস্তি, বেড়েছে সরবরাহ ফিফা আশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ ডাক্তার ভাই থেকে জনতার প্রতিনিধি, নওগাঁ-৪ আসনে ইকরামুল বারী টিপুর মানবিক ভূমিকা চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের না ধরলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনৈতিক সম্পর্কের কথা জানার পর গাড়িচালককে প্রলোভন দেখান গাজী নজরুল ব্যবসা-বাণিজ্যের পথে বাধা যত গভীরই হোক, তা দূর করা হবে: অর্থমন্ত্রী কলকাতায় অগ্নিকাণ্ড: একসঙ্গে দেশে ফিরল ৫ বাংলাদেশির মরদেহ সৌরবিদ্যুতের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হলে শিল্প খাতের সংকট কাটবে: বাণিজ্যমন্ত্রী ভারতকে সীমান্তহত্যা ও পুশইন বন্ধ করতে হবে: রাশেদ খাঁন

কঙ্গোতে ১৬৭ নারী কারাবন্দিকে ধর্ষণ, পুড়িয়ে হত্যা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 342

মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর উত্তর কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমার একটি কারাগারে ১৬৫ জন থেকে ১৬৭ জন নারী কারাবন্দিকে ধর্ষণের পর তাদের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে পুরুষ কয়েদিরা। দগ্ধ নারী কারাবন্দিদের অধিকাংশই ইতোমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার শহরের মুনজেনজে কারাগারে ঘটেছে এ ভয়াবহ ঘটনা। ওই দিনই গোমা দখল করে সরকারবিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠী এম ২৩। গোমার পতন হওয়ার পর মুনজেনজে কারাগার ভেঙে পালানো শুরু করেন কয়েদিরা।

তবে এই কয়েদিদের একাংশ কারাগারের নারী সেলের দিকে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে নারী কারাবন্দিদের ওপর।

জাতিসংঘের এক অভ্যন্তরীণ নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে এসব তথ্য। সেই নথির একটি অনুলিপি বিবিসির সংগ্রহে রয়েছে। তবে বিবিসি জানিয়েছে, জাতিসংঘের এ তথ্য যাচাই করতে ঘটনাস্থলে প্রতিনিধি পাঠানো সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে।

 

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কঙ্গোতে ১৬৭ নারী কারাবন্দিকে ধর্ষণ, পুড়িয়ে হত্যা

প্রকাশের সময় : ১২:০৯:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মধ্য আফ্রিকার দেশ কঙ্গোর উত্তর কিভু প্রদেশের রাজধানী গোমার একটি কারাগারে ১৬৫ জন থেকে ১৬৭ জন নারী কারাবন্দিকে ধর্ষণের পর তাদের গায়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে পুরুষ কয়েদিরা। দগ্ধ নারী কারাবন্দিদের অধিকাংশই ইতোমধ্যে প্রাণ হারিয়েছেন।

গত ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার শহরের মুনজেনজে কারাগারে ঘটেছে এ ভয়াবহ ঘটনা। ওই দিনই গোমা দখল করে সরকারবিরোধী বিদ্রোহী গোষ্ঠী এম ২৩। গোমার পতন হওয়ার পর মুনজেনজে কারাগার ভেঙে পালানো শুরু করেন কয়েদিরা।

তবে এই কয়েদিদের একাংশ কারাগারের নারী সেলের দিকে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে নারী কারাবন্দিদের ওপর।

জাতিসংঘের এক অভ্যন্তরীণ নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে এসব তথ্য। সেই নথির একটি অনুলিপি বিবিসির সংগ্রহে রয়েছে। তবে বিবিসি জানিয়েছে, জাতিসংঘের এ তথ্য যাচাই করতে ঘটনাস্থলে প্রতিনিধি পাঠানো সম্ভব হয়নি তাদের পক্ষে।