হৃদয়ের রেকর্ডময় ইনিংসে লড়াইয়ে ফিরল বাংলাদেশ

- প্রকাশের সময় : ০৫:৩০:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / 1

আগের দিনের ৩ উইকেটে ৮৮ রান নিয়ে নেমে তৃতীয় দিনের প্রথম সেশনে জেঁকে বসে হতাশা। ১৮৪ রানে নেই ৭ উইকেট। চোট পাওয়া সাদমান ইসলাম আর ব্যাটিংয়ে নামতে না পারায় আসলে ৮ উইকেট ছিল না বাংলাদেশের।
খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত
সেই বিপর্যয়ের মাঝে বুক চিতিয়ে একাই লড়াই করেন তাওহিদ হৃদয়। মিরপুর টেস্টের দুই ইনিংসেই উইকেট ছুড়ে দেওয়ার বিভীষিকা পেছনে ফেলে এই তরুণ ব্যাটার খেলেন মহাকাব্যিক এক ইনিংস। তার অনবদ্য ডাবল সেঞ্চুরির সুবাদে উল্টো লিড নিয়ে সিলেট টেস্টে লড়াইয়ে ফিরেছে বাংলাদেশ দল।
শনিবারের খেলা শেষে ২৩ রানে এগিয়ে আছে স্বাগতিকরা। হৃদয়ের রেকর্ডময় ডাবল সেঞ্চুরিতে ভর প্রথম ইনিংসে ১১১.৫ ওভারে ৩৮৬ রান তোলে তারা। এরপর ওয়েস্ট ইন্ডিজ দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেটে বিনা উইকেটে করেছে ৭ রান। তাদের প্রথম ইনিংস শেষ হয়েছিল ৩৫৬ রানে।
চাপের মধ্যে থাকা হৃদয় সমালোচনার উপযুক্ত জবাব দিয়ে অপরাজিত থাকেন ২৪২ রানে। তার ৩৫৯ বলের ইনিংসে চার ২২টি ও ছক্কা ১১টি। টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিকে ডাবল সেঞ্চুরিতে রূপান্তর করা এই ডানহাতি এখন এই সংস্করণে বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক।
ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া
দলের বাকি স্বীকৃত ব্যাটাররা ভুগলেও হৃদয় দেখান তাড়না, নিবেদন আর ধৈর্য। সঙ্গে বিনোদনদায়ী শটের ফুলঝুরি তো ছিলই। অষ্টম উইকেটে তাইজুল ইসলামের সঙ্গে ১৬৭ বলে ১১৭ এবং নবম উইকেটে তাসকিন আহমেদের সঙ্গে ১২১ বলে ৮৫ রানের ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ দুটি জুটি গড়েন তিনি।
অথচ একসময় মনে হচ্ছিল, বড় লিড পেতে যাচ্ছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। কিন্তু হৃদয় নিজের সেরাটা ধরায় বদলে যায় পরিস্থিতি। এদিন বাংলাদেশ যোগ করে ২৯৮ রান, যার ২১৩ রানই আসে তার ব্যাট থেকে।
শুধু তাই নয়, বাংলাদেশের ইনিংসের মোট রানের ৬২.৬৯ শতাংশই হৃদয়ের অবদান। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪ রান আসে মুশফিকুর রহিমের ব্যাট থেকে। বিশের ঘরে যেতে পারেন আর কেবল তাইজুল (২২ রান)।























