নিউইয়র্কে কেমন আছেন মোনালিসা

- প্রকাশের সময় : ০৩:০০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
- / 2

একসময়ের জনপ্রিয় মডেল মোজেজা আশরাফ মোনালিসা। টেলিভিশন নাটকেও অভিনয় করেছেন। তার পথচলা শুরু হয়েছিল নাচ দিয়ে। এরপর মডেলিংয়ে নাম করেন। একসময় নাম লেখান অভিনয়েও। অনেক বছর ধরে বসবাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মূল তথ্য
সম্প্রতি মোনালিসা কথা বলেছেন দ্য ডেইলি স্টারের সঙ্গে।
পুরোনো স্মৃতি মনে করে মোনালিসা বলেন, ‘স্কুলজীবনে ধানমন্ডির বুলবুল ললিতকলা একাডেমিতে নাচ শিখেছি। ছোটবেলা থেকেই নাচের প্রতি ঝোঁক ছিল। আমার মায়ের ইচ্ছা ছিল, আমি নাচ করি। বাসার কাছাকাছি একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার অফিস ছিল। সেখান থেকে মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তারা আমাকে মডেলিং করানোর প্রস্তাব দেন।’
এরপর কীভাবে মডেলিংয়ে যুক্ত হলেন? সেই বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ও মা সময় করে বিজ্ঞাপনী সংস্থার অফিসে যাই। সেখানে আমার স্ক্রিন টেস্ট হয়। ছবিও তোলা হয়। সেখানে অভিনেতা তারিক আনাম খান ছিলেন। আমি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হই। অনেক দিন আগে ফেয়ার অ্যান্ড লাভলীর বিজ্ঞাপনে মডেল হই।’
দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ও সামগ্রিক আলোচনা
‘স্কুলজীবনে এমন একটি পণ্যের মডেল হওয়ার পর রাতারাতি জনপ্রিয়তা পেয়ে যাই। স্কুলে সবাই আমাকে একনামে চিনতেন। রাস্তাঘাটে বের হলে সবাই চিনতেন। যেখানেই যেতাম, সবাই আমাকে চিনতেন। একটি কাজের মাধ্যমেই বিশাল পরিচিতি পেয়ে যাই। একে একে আরও কয়েকটি পণ্যের মডেল হই। মডেল হিসেবে দেশজুড়ে পরিচিতি পাই।’
মোনালিসা বলেন, ‘অনেক পরে লিলির বিজ্ঞাপন করি। লিলির কয়েকটি বিজ্ঞাপন ভীষণ জনপ্রিয়তা পায়। আমিও অনেক জনপ্রিয়তা পাই। তখন যেখানেই যেতাম, অনেকে আমাকে “লিলি” বলে ডাকতেন। এখনো কোনো কোনো ভক্ত আমাকে “লিলি” বলে ডাকেন।’
সেই সময়ের জনপ্রিয়তার কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রচণ্ড জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর বাসার ঠিকানায় শত শত চিঠি আসত। চিঠি আমার তেমন একটা পড়া হতো না। বেশিরভাগ চিঠিতে প্রেম-ভালোবাসার কথা লেখা থাকত। ভক্তরা বাসার ঠিকানায় শাড়ি উপহার পাঠাতেন। ফুলও পাঠাতেন। কখনো জন্মদিনে, আবার কখনো এমনিতেই এসব উপহার পাঠাতেন।’
























