Dhaka ০৯:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
রাশিয়া ও ইউক্রেন জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে: ট্রাম্প তিন বছরের শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, লাশ লুকানো হয় ঘরের আলনার পেছনে জনগণের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী বালিয়াকান্দীতে ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা দেখতে হাজারো মানুষের ভিড় মান্দায় বৃদ্ধকে ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, গ্রেফতার ১ শৈলকুপায় ইটভাটায় ট্রাক্টরচাপায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু ছয় দিন পর ধাওয়াপাড়া-নাজিরগঞ্জ নৌপথে ফেরি চলাচল শুরু সরকারি সোয়া কোটি টাকা আত্মসাৎ, কারাগারের জেলার বরখাস্ত রাজবাড়ীতে জিপিএ-৫ ও বৃত্তিপ্রাপ্ত ৮৩ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা

মান্দায় বৃদ্ধকে ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, গ্রেফতার ১

খোরশেদ আলম, নওগাঁ
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

নওগাঁর মান্দায় ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা বলে এক বৃদ্ধকে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. জাকারিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে আগে থেকেই প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে মান্দা থানা পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা মীর মো. আনোয়ার হোসেনকে (৬২) তার ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা বলে পূর্বপরিচিত এক নারী গত ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যান।

অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে আগে থেকে পরিকল্পনা করে রাখা জাকারিয়াসহ অন্য আসামিরা আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধ্য করা হয়। পরে সেসব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন অভিযুক্তরা। এ সময় ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়।

পরে চাঁদার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে স্বজনরা আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করেন। এরপর তাকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার মান্দা থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়। মামলার প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

  1. পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে মোহনপুর ও মান্দা থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মান্দায় বৃদ্ধকে ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, গ্রেফতার ১

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৯:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

নওগাঁর মান্দায় ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা বলে এক বৃদ্ধকে ডেকে নিয়ে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মো. জাকারিয়া নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে আগে থেকেই প্রতারণাসহ বিভিন্ন অভিযোগে তিনটি মামলা রয়েছে।

রবিবার (১১ অক্টোবর) ভুক্তভোগীর দায়ের করা মামলায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে মান্দা থানা পুলিশ।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, রাজশাহীর বোয়ালিয়া থানার বালিয়াপুকুর এলাকার বাসিন্দা মীর মো. আনোয়ার হোসেনকে (৬২) তার ছেলের জন্য পাত্রী দেখানোর কথা বলে পূর্বপরিচিত এক নারী গত ৭ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে মান্দা উপজেলার তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের কেশবপুর গ্রামের একটি বাড়িতে নিয়ে যান।

অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে আগে থেকে পরিকল্পনা করে রাখা জাকারিয়াসহ অন্য আসামিরা আনোয়ার হোসেনকে মারধর করেন। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক এক নারীর সঙ্গে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণে বাধ্য করা হয়। পরে সেসব ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন অভিযুক্তরা। এ সময় ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হয়।

পরে চাঁদার টাকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই দিন দুপুর আড়াইটার দিকে স্বজনরা আনোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করেন। এরপর তাকে মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে রবিবার মান্দা থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়। মামলার প্রধান আসামি জাকারিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

  1. পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেফতার জাকারিয়ার বিরুদ্ধে এর আগে মোহনপুর ও মান্দা থানায় তিনটি মামলা রয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।