বিশ্বের সবচেয়ে ভারী কুমড়া ফলিয়ে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন চাষি
- প্রকাশের সময় : ০৬:৩৫:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
- / 6
দুই মাস ধরে প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা পর্যন্ত একা কুমড়াখেতে কাজ করেছেন যুক্তরাজ্যের ইয়ান প্যাটন। সেই যত্নে বেড়ে ওঠা ‘বাঘিরা’র ওজন হয়েছে ১ হাজার ২৯৫ দশমিক ৮ কেজি (১,২৯৫ কেজি ৮০০ গ্রাম)। বিশ্বের সবচেয়ে ভারী কুমড়া ফলিয়ে নিজের গিনেস বিশ্বরেকর্ডই ভেঙেছেন হ্যাম্পশায়ারের এই নার্সারিমালিক ও অভিজ্ঞ চাষি।
৩ অক্টোবর গ্রেট পাম্পকিন কমনওয়েলথের কর্মকর্তারা কুমড়াটির ওজন মাপেন। ছেলের পরামর্শে রুডইয়ার্ড কিপলিংয়ের ‘দ্য জাঙ্গল বুক’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এর নাম রাখা হয় ‘বাঘিরা’।
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তথ্য অনুযায়ী, প্যাটনের আগের রেকর্ডধারী কুমড়ার চেয়ে এটি প্রায় ২০ কেজি ভারী। আগের কুমড়াটি ফলিয়ে প্রথম ব্রিটিশ হিসেবে বিশ্বের সবচেয়ে ভারী কুমড়ার খেতাব পেয়েছিলেন তিনি।
তবে ওজনে পিছিয়ে পড়লেও ‘মাগল’ নামের আগের কুমড়াটি এখনো পরিধিতে সবচেয়ে বড়। সেটির পরিধি ৬৪৯ দশমিক ৮ সেন্টিমিটার। বাঘিরার পরিধি কিছুটা কম, ৫৯৬ দশমিক ৯ সেন্টিমিটার।
প্যাটন জানান, এবার অনেক বেশি কাজ করতে হয়েছে। টানা দুই মাস একাই ব্যাপক পরিশ্রম করেছেন। নতুন চাষিদের পরামর্শ দিয়ে তিনি বলেন, গ্রিনহাউসে চাষ করলে বছরের শুরুতেই কুমড়া বাড়তে থাকে। পূর্ণ আকারে পৌঁছানোর জন্য যথেষ্ট সময়ও পায়।
সবচেয়ে গরমের দিনগুলোতে গ্রিনহাউসের তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল। তখন কুমড়াগাছগুলোতে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫৯০ লিটার পানি দিতে হয়েছে। এই পানি প্রায় তিনটি ভরা বাথটাবের সমান।
এত বড় কুমড়া ফলিয়েও থামতে চান না প্যাটন। আবার প্রতিযোগিতায় ফিরতে চান কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি চালিয়ে যেতে চাই। সত্যিই ৩ হাজার পাউন্ডের একটি কুমড়া ফলাতে চাই। এটাই আমার মাথায় আছে।’
অক্টোবরের শেষ পর্যন্ত হ্যাম্পশায়ারের সাউদাম্পটনের কাছে সানিফিল্ডস ফার্মে বাঘিরা প্রদর্শিত হবে।




















