Dhaka ০৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাবার ফোনে লাইভ লোকেশন পাঠিয়েছিল তাজমিন, সেই লোকেশনে গিয়ে পান লাশ নিউমুরিং টার্মিনাল চুক্তিকে দেশ বিক্রির সঙ্গে তুলনা করা সম্পূর্ণ অমূলক: বাণিজ্যমন্ত্রী মেজর নিদাল হাসানকে ফায়ারিং স্কোয়াডে মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র শান্তিতে নোবেল পেলেন মানবাধিকারকর্মী নাভি পিলাই সেঞ্চুরি হাতছাড়া তানজিদের, বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ১৩৪ ১২ লাখ রোহিঙ্গার দায়িত্ব একা বাংলাদেশের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়: আইনমন্ত্রী চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক চালু নওগাঁর রানীনগরে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬ রাবিতে সাংবাদিক পেটানোর ঘটনায় ৪ জনের ছাত্রত্ব বাতিলের সুপারিশ নওগাঁর জাহাঙ্গীরপুর সরকারি কলেজে চালু হচ্ছে অনার্সের ৯টি বিষয়

নওগাঁর রানীনগরে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬

খোরশেদ আলম, নওগাঁ
  • প্রকাশের সময় : ০২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

নওগাঁর রানীনগরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের তিন কর্মীও রয়েছেন। এ ঘটনায় ছিনতাই হওয়া টাকার মধ্যে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল ও একটি আইফোনসহ সাতটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও রানীনগর থানা-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর দুপুরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ক্যাশিয়ার নাজমুল ও অফিস সহায়ক রাসেল আদমদীঘি রেলগেট এলাকা থেকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মালিক ফিরোজ হোসেনের কাছ থেকে ৩৪ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে করে আবাদপুকুর বাজারে কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে রানীনগর থানার পারইল বাজার পার হয়ে বাংলালিংক টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁদের পথরোধ করে। এ সময় লোহার পাইপ দিয়ে তাঁদের মারধর করে টাকাভর্তি ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক হাসিবুল্লাহ হাসিবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করে আসামিদের শনাক্ত, গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন রাত ১১টার মধ্যে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও রানীনগর থানা-পুলিশ তথ্য-উপাত্ত এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে ঘটনার প্রাথমিক সূত্র উদ্‌ঘাটন করে। প্রথমে দুজনকে শনাক্ত করা হয়। ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয় এবং এর মালিক রাব্বি আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ দল জয়পুরহাটের আক্কেলপুর ও দিনাজপুর জেলায় অভিযান চালায়। পরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্বপন (২৮) ও হাসান আলীকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দুজনের বাড়ি নওগাঁর রানীনগর উপজেলার বিশিয়া গ্রামে। তাঁদের হেফাজত থেকে ছিনতাই হওয়া ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৮ অক্টোবর রানীনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আরও তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন অফিস সহায়ক রাসেল বাবু (২২), ঋণ কর্মকর্তা সুজন (২৭) এবং ঋণ কর্মকর্তা আবু তালেব (২২)। রাসেল বাবুর বাড়ি অলংকারদীঘি গ্রামে, সুজনের বাড়িও একই গ্রামে এবং আবু তালেবের বাড়ি সিমলাদার গ্রামে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কর্মী রাসেল বাবু, সুজন ও আবু তালেব কয়েক মাস ধরে অনলাইন জুয়ায় অংশ নিয়ে প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকা হারান। পরে তাঁরা বিভিন্ন গ্রাহকের টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহার করে হারিয়ে ফেলেন। এ পরিস্থিতিতে তাঁরা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মালিক ফিরোজ হোসেনের ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। এ পরিকল্পনায় স্বপন, হাসানসহ আরও কয়েকজনকে যুক্ত করা হয়। প্রায় এক মাস ধরে তাঁরা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘটনার দিন অফিস সহায়ক রাসেল বাবু ক্যাশিয়ার নাজমুলকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে টাকা আনতে যান। টাকা নিয়ে ফেরার পথে তিনি মুঠোফোনে স্বপন, হাসানসহ পলাতক সহযোগীদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিতে থাকেন। তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্বপন, হাসানসহ অন্যরা পথরোধ করে মারধর করে টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। এ সময় ক্যাশিয়ার নাজমুলকে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়। পুলিশ বলছে, রাসেল বাবু ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করলেও তিনি পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ছিনতাই হওয়া ৩৪ লাখ টাকার মধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ওই তিন কর্মীর ১০ লাখ টাকা পাওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে, ছিনতাইয়ে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বাকি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। স্বপন ও হাসানকে প্রাথমিকভাবে দেড় লাখ টাকা দিয়ে নওগাঁ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বলা হয়। পরে তাঁরা জয়পুরহাট হয়ে দিনাজপুরে চলে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা টাকা, জব্দ করা মোটরসাইকেল ও মুঠোফোনের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত বাকি টাকা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নওগাঁর রানীনগরে ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় গ্রেপ্তার ৬

প্রকাশের সময় : ০২:৪৬:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

নওগাঁর রানীনগরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের তিন কর্মীও রয়েছেন। এ ঘটনায় ছিনতাই হওয়া টাকার মধ্যে ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া ছিনতাইয়ের কাজে ব্যবহৃত একটি নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেল ও একটি আইফোনসহ সাতটি মুঠোফোন জব্দ করা হয়েছে।

নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের সরাসরি তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও রানীনগর থানা-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ অক্টোবর দুপুরে ইসলামী ব্যাংকের এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ক্যাশিয়ার নাজমুল ও অফিস সহায়ক রাসেল আদমদীঘি রেলগেট এলাকা থেকে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মালিক ফিরোজ হোসেনের কাছ থেকে ৩৪ লাখ টাকা নিয়ে মোটরসাইকেলে করে আবাদপুকুর বাজারে কার্যালয়ের উদ্দেশে রওনা হন। দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে রানীনগর থানার পারইল বাজার পার হয়ে বাংলালিংক টাওয়ারের সামনে পৌঁছালে পেছন থেকে একটি মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁদের পথরোধ করে। এ সময় লোহার পাইপ দিয়ে তাঁদের মারধর করে টাকাভর্তি ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যায়।

ঘটনার খবর পাওয়ার পর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি জেলা গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পুলিশ পরিদর্শক হাসিবুল্লাহ হাসিবের নেতৃত্বে একটি বিশেষ দল গঠন করে আসামিদের শনাক্ত, গ্রেপ্তার ও লুণ্ঠিত টাকা উদ্ধারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পুলিশ জানায়, ঘটনার দিন রাত ১১টার মধ্যে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও রানীনগর থানা-পুলিশ তথ্য-উপাত্ত এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষণ করে ঘটনার প্রাথমিক সূত্র উদ্‌ঘাটন করে। প্রথমে দুজনকে শনাক্ত করা হয়। ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত নিবন্ধনবিহীন মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয় এবং এর মালিক রাব্বি আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পরদিন ৭ অক্টোবর পুলিশ সুপারের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি বিশেষ দল জয়পুরহাটের আক্কেলপুর ও দিনাজপুর জেলায় অভিযান চালায়। পরে দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে স্বপন (২৮) ও হাসান আলীকে (২৫) গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁদের দুজনের বাড়ি নওগাঁর রানীনগর উপজেলার বিশিয়া গ্রামে। তাঁদের হেফাজত থেকে ছিনতাই হওয়া ১ লাখ ৪২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ৮ অক্টোবর রানীনগর থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আরও তিন কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন অফিস সহায়ক রাসেল বাবু (২২), ঋণ কর্মকর্তা সুজন (২৭) এবং ঋণ কর্মকর্তা আবু তালেব (২২)। রাসেল বাবুর বাড়ি অলংকারদীঘি গ্রামে, সুজনের বাড়িও একই গ্রামে এবং আবু তালেবের বাড়ি সিমলাদার গ্রামে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের কর্মী রাসেল বাবু, সুজন ও আবু তালেব কয়েক মাস ধরে অনলাইন জুয়ায় অংশ নিয়ে প্রায় সাত থেকে আট লাখ টাকা হারান। পরে তাঁরা বিভিন্ন গ্রাহকের টাকা ব্যাংকে জমা না দিয়ে অনলাইন জুয়ায় ব্যবহার করে হারিয়ে ফেলেন। এ পরিস্থিতিতে তাঁরা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মালিক ফিরোজ হোসেনের ৩৪ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন। এ পরিকল্পনায় স্বপন, হাসানসহ আরও কয়েকজনকে যুক্ত করা হয়। প্রায় এক মাস ধরে তাঁরা ছিনতাইয়ের পরিকল্পনা করেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, ঘটনার দিন অফিস সহায়ক রাসেল বাবু ক্যাশিয়ার নাজমুলকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে টাকা আনতে যান। টাকা নিয়ে ফেরার পথে তিনি মুঠোফোনে স্বপন, হাসানসহ পলাতক সহযোগীদের অবস্থান সম্পর্কে তথ্য দিতে থাকেন। তাঁরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে স্বপন, হাসানসহ অন্যরা পথরোধ করে মারধর করে টাকা নিয়ে পালিয়ে যান। এ সময় ক্যাশিয়ার নাজমুলকে লোহার পাইপ দিয়ে মারধর করা হয়। পুলিশ বলছে, রাসেল বাবু ছিনতাইয়ের ঘটনায় নিজেকে ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করলেও তিনি পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ছিনতাই হওয়া ৩৪ লাখ টাকার মধ্যে এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ওই তিন কর্মীর ১০ লাখ টাকা পাওয়ার কথা ছিল। অন্যদিকে, ছিনতাইয়ে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বাকি টাকা নেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। স্বপন ও হাসানকে প্রাথমিকভাবে দেড় লাখ টাকা দিয়ে নওগাঁ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বলা হয়। পরে তাঁরা জয়পুরহাট হয়ে দিনাজপুরে চলে যান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁদের কাছ থেকে উদ্ধার করা টাকা, জব্দ করা মোটরসাইকেল ও মুঠোফোনের বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক অন্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত বাকি টাকা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান ও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।