শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
হাসান মাহমুদের দিনে বাংলাদেশের আশা হৃদয়–মুশফিক সেদিনের শিশুটি পরে অস্কার জিতেছেন, ৭৩০ কোটি টাকার মালিক আফগানিস্তান প্রিমিয়ার লিগ: দল পেলেন বাংলাদেশের সাকিব, নাহিদ ও শামীম হাঁসের ঢঙে হাঁটবে-খেলবে ছোট্ট রোবট ‘মাইক্রোডাক’ শনিবার ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে ৬ ঘণ্টা টোল মওকুফ শয্যাদৃশ্যের আগে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন অভিনেতা আলিফ-সাগর-রাফির নৈপুণ্যে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সোনা মাধবপাশায় পবিপ্রবি ভেটেরিনারি টিচিং হাসপাতালের বিনামূল্যে প্রাণিসম্পদ ক্যাম্প এমবাপেকে ছাড়িয়ে ইতিহাস গড়লেন ইয়ামাল দুর্নীতির অভিযোগে মান্দার কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান সাময়িক বরখাস্ত

শয্যাদৃশ্যের আগে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন অভিনেতা

বিনোদন ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০৫:০০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / 7
শয্যাদৃশ্যের আগে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন অভিনেতা

চলচ্চিত্রে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে অভিনেতাদের অস্বস্তি, ব্যক্তিগত সীমারেখা ও সম্মতির বিষয়টি এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এ ধরনের দৃশ্যের শুটিংয়ে অভিনেতাদের সহযোগিতা করতে কাজ করেন ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর। এবার ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’র অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেতা মোহিত মালিক ও অভিনেত্রী রসিকা দুগাল। তাঁদের ভাষ্য, ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের উপস্থিতিতে কাজটি অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ ও পেশাদার হয়ে উঠেছিল। প্রেক্ষাগৃহে সাড়া ফেলা সিনেমাটি সম্প্রতি ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে। ভারত টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহিত মালিক জানান, ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’তে অভিনয়ের আগে কখনো অন্তরঙ্গ দৃশ্যে কাজ করেননি তিনি। ফলে শুটিংয়ের আগে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবে সহ-অভিনেত্রী রসিকা দুগাল তাঁকে স্বচ্ছন্দ হতে সাহায্য করেন। পাশাপাশি ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর অঙ্কিতা পোদ্দার পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মূল তথ্য

মোহিত জানান, শুটিংয়ের আগে তাঁরা দুজন নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্য ও অস্বস্তির জায়গাগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। কোন জায়গায় স্পর্শ করা যাবে, কোনটিতে যাবে না—এসব বিষয়ও আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। এমনকি দৃশ্য ধারণের সময় কোনো কিছু করার আগে সহ-অভিনেত্রীর অনুমতি নেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।মোহিতের কথায়, ‘প্রথমবার কোনো ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের সঙ্গে কাজ করলাম। সহ-অভিনেত্রী কোন বিষয়ে স্বচ্ছন্দ, কোথায় স্পর্শ করা যাবে আর কোথায় যাবে না, তা জেনে নেওয়া খুব ভালো অভিজ্ঞতা। আমরা দুজনই নিজেদের অস্বস্তির জায়গাগুলো জানিয়েছিলাম। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছি, এটা করতে পারি কি না। আর পুরো বিষয়টি পরিচালনার জন্য একজন দক্ষ মানুষও ছিলেন।’রসিকা দুগালও ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, আগে থেকেই সবকিছু ঠিক করা থাকায় শুটিংয়ের সময় তাঁদের অভিনয়ের দিকে মনোযোগ দিতে সুবিধা হয়েছে।

রসিকার ভাষায়, ‘আমরা অভিনয়ের দিকটায় পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পেরেছি। কে কিসে স্বচ্ছন্দ, পরিচালক কী চান—এসব নিয়ে আলাদাভাবে চিন্তা করতে হয়নি। পুরো বিষয়টি খুব ভালোভাবে সামলানো হয়েছিল।’মোহিত আরও জানান, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে স্ত্রী অভিনেত্রী অদিতি মালিকের সঙ্গেও আলোচনা করেছিলেন তিনি। তাঁকে দৃশ্যগুলোর বিষয়বস্তু বুঝিয়ে বলেছিলেন। সিনেমাটি দেখার পরও স্ত্রী তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তিনি এসব দৃশ্য নিয়ে স্বচ্ছন্দ কি না।

মোহিত বলেন, ‘একজন বিবাহিত পুরুষের আগে তিনি একজন অভিনেতা।’ তাঁর স্ত্রীও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। অদিতি তাঁকে বলেছিলেন, চরিত্রের যাত্রায় যদি দৃশ্যগুলো প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে সেগুলো গল্পের অংশ হিসেবেই থাকা উচিত।মোহিতের মতে, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ক্ষেত্রে অভিনেতাদের নিজেদের মধ্যে বিষয়গুলো বুঝে নেওয়ার ওপর সব দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। এ ধরনের দৃশ্যের শুটিংয়ে ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর থাকা প্রয়োজন।

দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ও সামগ্রিক আলোচনা

অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন…

ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের কাজ হলো অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পরিকল্পনা করা, অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত সীমারেখা নির্ধারণে সহায়তা করা এবং শুটিংয়ের পুরো প্রক্রিয়ায় সবার সম্মতি নিশ্চিত করা। এতে দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা বজায় রেখেও অভিনেতাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সম্ভব।‘মির্জাপুর’ সিরিজে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিতি পাওয়া মোহিত মালিকের জন্য এই অভিজ্ঞতা ছিল নতুন। অন্যদিকে রসিকা দুগাল ‘মির্জাপুর’ সিরিজে বিনা ত্রিপাঠী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছেন। নতুন সিনেমাতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শয্যাদৃশ্যের আগে স্ত্রীর অনুমতি নিয়েছিলেন অভিনেতা

প্রকাশের সময় : ০৫:০০:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

চলচ্চিত্রে অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে অভিনেতাদের অস্বস্তি, ব্যক্তিগত সীমারেখা ও সম্মতির বিষয়টি এখন আগের চেয়ে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এ ধরনের দৃশ্যের শুটিংয়ে অভিনেতাদের সহযোগিতা করতে কাজ করেন ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর। এবার ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’র অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানালেন অভিনেতা মোহিত মালিক ও অভিনেত্রী রসিকা দুগাল। তাঁদের ভাষ্য, ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের উপস্থিতিতে কাজটি অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ ও পেশাদার হয়ে উঠেছিল। প্রেক্ষাগৃহে সাড়া ফেলা সিনেমাটি সম্প্রতি ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে। ভারত টুডেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোহিত মালিক জানান, ‘মির্জাপুর: দ্য মুভি’তে অভিনয়ের আগে কখনো অন্তরঙ্গ দৃশ্যে কাজ করেননি তিনি। ফলে শুটিংয়ের আগে কিছুটা উদ্বিগ্ন ছিলেন। তবে সহ-অভিনেত্রী রসিকা দুগাল তাঁকে স্বচ্ছন্দ হতে সাহায্য করেন। পাশাপাশি ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর অঙ্কিতা পোদ্দার পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট ও মূল তথ্য

মোহিত জানান, শুটিংয়ের আগে তাঁরা দুজন নিজেদের স্বাচ্ছন্দ্য ও অস্বস্তির জায়গাগুলো নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। কোন জায়গায় স্পর্শ করা যাবে, কোনটিতে যাবে না—এসব বিষয়ও আগে থেকেই নির্ধারণ করা হয়েছিল। এমনকি দৃশ্য ধারণের সময় কোনো কিছু করার আগে সহ-অভিনেত্রীর অনুমতি নেওয়ার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হয়।মোহিতের কথায়, ‘প্রথমবার কোনো ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের সঙ্গে কাজ করলাম। সহ-অভিনেত্রী কোন বিষয়ে স্বচ্ছন্দ, কোথায় স্পর্শ করা যাবে আর কোথায় যাবে না, তা জেনে নেওয়া খুব ভালো অভিজ্ঞতা। আমরা দুজনই নিজেদের অস্বস্তির জায়গাগুলো জানিয়েছিলাম। আমি তাঁকে জিজ্ঞাসা করেছি, এটা করতে পারি কি না। আর পুরো বিষয়টি পরিচালনার জন্য একজন দক্ষ মানুষও ছিলেন।’রসিকা দুগালও ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন। তাঁর মতে, আগে থেকেই সবকিছু ঠিক করা থাকায় শুটিংয়ের সময় তাঁদের অভিনয়ের দিকে মনোযোগ দিতে সুবিধা হয়েছে।

রসিকার ভাষায়, ‘আমরা অভিনয়ের দিকটায় পুরোপুরি মনোযোগ দিতে পেরেছি। কে কিসে স্বচ্ছন্দ, পরিচালক কী চান—এসব নিয়ে আলাদাভাবে চিন্তা করতে হয়নি। পুরো বিষয়টি খুব ভালোভাবে সামলানো হয়েছিল।’মোহিত আরও জানান, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিং নিয়ে স্ত্রী অভিনেত্রী অদিতি মালিকের সঙ্গেও আলোচনা করেছিলেন তিনি। তাঁকে দৃশ্যগুলোর বিষয়বস্তু বুঝিয়ে বলেছিলেন। সিনেমাটি দেখার পরও স্ত্রী তাঁর কাছে জানতে চেয়েছিলেন, তিনি এসব দৃশ্য নিয়ে স্বচ্ছন্দ কি না।

মোহিত বলেন, ‘একজন বিবাহিত পুরুষের আগে তিনি একজন অভিনেতা।’ তাঁর স্ত্রীও বিষয়টি ইতিবাচকভাবে নিয়েছেন। অদিতি তাঁকে বলেছিলেন, চরিত্রের যাত্রায় যদি দৃশ্যগুলো প্রয়োজনীয় হয়, তাহলে সেগুলো গল্পের অংশ হিসেবেই থাকা উচিত।মোহিতের মতে, অন্তরঙ্গ দৃশ্যের ক্ষেত্রে অভিনেতাদের নিজেদের মধ্যে বিষয়গুলো বুঝে নেওয়ার ওপর সব দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। এ ধরনের দৃশ্যের শুটিংয়ে ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটর থাকা প্রয়োজন।

দর্শকদের প্রতিক্রিয়া ও সামগ্রিক আলোচনা

অন্তরঙ্গ দৃশ্যের শুটিংয়ে অঘটন…

ইন্টিমেসি কো-অর্ডিনেটরের কাজ হলো অন্তরঙ্গ দৃশ্যের পরিকল্পনা করা, অভিনয়শিল্পীদের ব্যক্তিগত সীমারেখা নির্ধারণে সহায়তা করা এবং শুটিংয়ের পুরো প্রক্রিয়ায় সবার সম্মতি নিশ্চিত করা। এতে দৃশ্যের প্রয়োজনীয়তা বজায় রেখেও অভিনেতাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা সম্ভব।‘মির্জাপুর’ সিরিজে অভিনয়ের সুবাদে পরিচিতি পাওয়া মোহিত মালিকের জন্য এই অভিজ্ঞতা ছিল নতুন। অন্যদিকে রসিকা দুগাল ‘মির্জাপুর’ সিরিজে বিনা ত্রিপাঠী চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের কাছে বিশেষ পরিচিতি পেয়েছেন। নতুন সিনেমাতেও তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাবে।