বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১১:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 8

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে তারেক হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি সাহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার চৌশতপুর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, দামি আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যার পর মরদেহ গুমের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপপরিদর্শক (এসআই) জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল।

গ্রেপ্তার সাহেল মিয়া চৌশতপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে। নিহত তারেক একই গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। তাঁরা দুজন বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে বন্ধুত্বের সুবাদে সাহেল ও তারেক লাখাই উপজেলায় যান। অভিযোগ অনুযায়ী, তারেকের কাছে থাকা দামি আইফোনের লোভে সাহেল তাঁকে হত্যা করেন এবং মরদেহ লাখাই এলাকার একটি খালে ফেলে দেন।

এদিকে, তারেক নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সন্ধান না পেয়ে নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর সাহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মরদেহ উদ্ধারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল হোসেন ও এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল লাখাই থানার এলাকায় যায়।

সাহেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যা

প্রকাশের সময় : ১১:২৩:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে তারেক হত্যা মামলার প্রধান পলাতক আসামি সাহেল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার চৌশতপুর এলাকার একটি চায়ের দোকান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের দাবি, দামি আইফোনের লোভে বন্ধুকে হত্যার পর মরদেহ গুমের অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে।

নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল হোসেনের দিকনির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপপরিদর্শক (এসআই) জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল।

গ্রেপ্তার সাহেল মিয়া চৌশতপুর গ্রামের নুরুজ্জামান মিয়ার ছেলে। নিহত তারেক একই গ্রামের মারফত উল্লাহর ছেলে। তাঁরা দুজন বন্ধু ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিছুদিন আগে বন্ধুত্বের সুবাদে সাহেল ও তারেক লাখাই উপজেলায় যান। অভিযোগ অনুযায়ী, তারেকের কাছে থাকা দামি আইফোনের লোভে সাহেল তাঁকে হত্যা করেন এবং মরদেহ লাখাই এলাকার একটি খালে ফেলে দেন।

এদিকে, তারেক নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা তাঁর সন্ধান না পেয়ে নবীগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। পরে পুলিশি তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্‌ঘাটন এবং প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গ্রেপ্তারের পর সাহেলের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের মরদেহ উদ্ধারে নবীগঞ্জ থানার ওসি মো. আবুল হোসেন ও এসআই জয়ন্ত কুমার রায় তালুকদারসহ পুলিশের একটি দল লাখাই থানার এলাকায় যায়।

সাহেলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আবুল হোসেন।