মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে পিকআপে করে তিন গরু চুরি, দিশেহারা কৃষক নারীর ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করে প্রতারণা, ছিনতাইয়ের অভিযোগে গ্রেফতার ২ চলতি ডেঙ্গু মৌসুমে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু কায়রোতে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত জার্মান নাগরিকের মরদেহ ফেরাতে দুই দেশের কূটনৈতিক উদ্যোগ পাঁচ বছরে বাংলাদেশে ৬.৩৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা জাপানের হাম ও উপসর্গে আরও ৭ মৃত্যু, আক্রান্ত ১২৯৫ আইজিপির ক্রসফায়ার ফেরানোর বক্তব্যে বিব্রত সরকার: রিজভী টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার ধ্বংসস্তূপ থেকে স্বাস্থ্যখাতের অগ্রযাত্রা শুরু করেছে সরকার: রাষ্ট্রপতি আসামে হোটেলের ইজারা নিয়ে বিরোধ, ৫ জনকে গুলি করে হত্যা

টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

 

কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে ‘টুপটুপ’ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে পুড়িয়ে যাওয়া রিসোর্টে তল্লাশি চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ১০ জনের মরদেহের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হলেও নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) ডিএনএ নমুনার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া কোনো মরদেহের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে নিখোঁজ মুক্তার সন্ধানে রিসোর্ট এলাকায় আবারও তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার পাটুয়ারটেকে মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন তিনতলা টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনের পর ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরুতে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন ১১ জন। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ১০ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলী এলাকার একই পরিবারের মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।

এ ছাড়া ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার আরেক পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে মৌলিহা মেহজাবিন আলভী (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামী (২৪) রয়েছেন।

নিহত নাসরিন আক্তার মুক্তা আশুলিয়ার ‘স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের’ শিক্ষিকা ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি দুই বান্ধবীকে নিয়ে রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তাঁর বান্ধবীরা রিসোর্ট থেকে বের হতে পারলেও মুক্তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়া ও অপর মালিক নেওয়াজ মোর্শেদ পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. জাহিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড: ১০ দিন পর নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকার মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

 

কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেকে ‘টুপটুপ’ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে পুড়িয়ে যাওয়া রিসোর্টে তল্লাশি চালিয়ে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, ১০ জনের মরদেহের ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত হলেও নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার (২৭) ডিএনএ নমুনার সঙ্গে উদ্ধার হওয়া কোনো মরদেহের নমুনার মিল পাওয়া যায়নি। ফলে মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে নিখোঁজ মুক্তার সন্ধানে রিসোর্ট এলাকায় আবারও তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।

এ বিষয়ে উখিয়া থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, নিখোঁজ স্কুলশিক্ষিকা নাসরিন আক্তার মুক্তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৭ অক্টোবর সকালে উখিয়ার পাটুয়ারটেকে মেরিন ড্রাইভ-সংলগ্ন তিনতলা টুপটুপ রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। আগুনের পর ঘটনাস্থল থেকে ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শুরুতে নিখোঁজের তালিকায় ছিলেন ১১ জন। পরে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ১০ জনের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। ডিএনএ পরীক্ষায় শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকার শ্যামলী এলাকার একই পরিবারের মোহাম্মদ নাহিদুর রহমান (৪১), তার স্ত্রী আফসানা মতিন (৩৬) এবং তাদের দুই মেয়ে রোজাইনা ইনায়া (৯) ও মুনাইনা ইহানা (৬)।

এ ছাড়া ঢাকার বনশ্রী ও খিলগাঁও এলাকার আরেক পরিবারের সদস্য ও স্বজনদের মধ্যে মৌলিহা মেহজাবিন আলভী (১৯), লায়লা জাহান নাবিলা (২৫), ইসরাত জাহান মালিহা (২৭), ফারিয়া কবির (৩৩), ফারিয়ার ছয় বছর বয়সী ছেলে মোহাম্মদ ফাইজান নূর এবং ফারিয়ার ভাই মোহাম্মদ নাফিস তেহামী (২৪) রয়েছেন।

নিহত নাসরিন আক্তার মুক্তা আশুলিয়ার ‘স্বপ্নবিলাস নিরিবিলি স্কুলের’ শিক্ষিকা ছিলেন। ঘটনার সময় তিনি দুই বান্ধবীকে নিয়ে রিসোর্টে বেড়াতে গিয়েছিলেন। তাঁর বান্ধবীরা রিসোর্ট থেকে বের হতে পারলেও মুক্তার সন্ধান পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি রিসোর্টের মালিক মোহাম্মদ তানভীর সুলতান মিয়া ও অপর মালিক নেওয়াজ মোর্শেদ পলাতক রয়েছেন। এ ঘটনায় রিসোর্টের সহকারী ব্যবস্থাপক মো. জাহিদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।