Dhaka ১০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • / 5

আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, দলটির নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটি ভিন্ন বিষয়; তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে যারা জনগণের ওপর সহিংসতা চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কায়সার কামাল বলেন, গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও দলীয় অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে। এসব ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে বিচার প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য কেবল শাস্তি দেওয়া নয়; ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশে আবার কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাহস না পায়, সে জন্যও দৃষ্টান্ত তৈরি করা প্রয়োজন।

বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের অনেকে এখনো কোনো ধরনের অনুশোচনা প্রকাশ করছেন না। তাদেরও আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। রাজনৈতিক পুনর্মিলনের অজুহাতে তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসনে বিচারব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রভাবের মধ্যে ছিল। বর্তমানে জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকায় বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশে আরও ন্যায়সংগত ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে শক্তিশালী এবং স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন কায়সার কামাল। তার মতে, সরকারের বৈধতা ও জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার ওপর।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা জরুরি। স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল করতে পারে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’

প্রকাশের সময় : ০৯:৫৮:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

আওয়ামী লীগের সঙ্গে কোনো ধরনের রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, দলটির নেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কী হবে, সেটি ভিন্ন বিষয়; তবে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে যারা জনগণের ওপর সহিংসতা চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

সোমবার (৫ অক্টোবর) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন ২০২৬’-এর সমাপনী দিনের একটি অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।

কায়সার কামাল বলেন, গত দেড় দশকে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও দলীয় অঙ্গসংগঠন ব্যবহার করে জনগণের বিরুদ্ধে সহিংসতা চালিয়েছে। এসব ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তবে বিচার প্রক্রিয়ার উদ্দেশ্য কেবল শাস্তি দেওয়া নয়; ভবিষ্যতে যাতে কেউ দেশে আবার কর্তৃত্ববাদী ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সাহস না পায়, সে জন্যও দৃষ্টান্ত তৈরি করা প্রয়োজন।

বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তাদের অনেকে এখনো কোনো ধরনের অনুশোচনা প্রকাশ করছেন না। তাদেরও আইনের আওতায় এনে বিচার করতে হবে। রাজনৈতিক পুনর্মিলনের অজুহাতে তাদের দায়মুক্তি দেওয়ার কোনো সুযোগ থাকা উচিত নয়।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ সময়ের শাসনে বিচারব্যবস্থা কর্তৃত্ববাদী সরকারের প্রভাবের মধ্যে ছিল। বর্তমানে জনগণের সরকার ক্ষমতায় থাকায় বিচারব্যবস্থা ধীরে ধীরে উন্নতির দিকে এগোচ্ছে। ভবিষ্যতে দেশে আরও ন্যায়সংগত ও স্বাধীন বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

গণতন্ত্রকে কার্যকর ও টেকসই করতে শক্তিশালী এবং স্বাধীন রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্ব দেন কায়সার কামাল। তার মতে, সরকারের বৈধতা ও জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইনের শাসন নিশ্চিত করার ওপর।

তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারকারীদের জবাবদিহির আওতায় আনার পাশাপাশি বিচারব্যবস্থাকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা জরুরি। স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দীর্ঘমেয়াদে স্থিতিশীল করতে পারে।