Dhaka ০৬:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
গরু বিক্রির টাকা লুটতে মৌসুমী হিজড়াকে হত্যা, ‘কথিত স্বামী’ গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকট বাংলাদেশের অন্যতম বড় সংকট : প্রধানমন্ত্রী ১৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন ও বৃত্তির টাকা হস্তান্তরের দাবি ‘অতীত সরকার আমদানি নির্ভরতার মাধ্যমে বিদ্যুৎ-জ্বালানিতে বাংলাদেশকে ফাঁদে ফেলেছে’ প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কালুখালীতে গ্রামীণ সড়কের কোর নেটওয়ার্ক ও অগ্রাধিকার নির্ধারণে কর্মশালা বিদ্যুৎ বিল নিয়ে মন্তব্যের জেরে গ্রেপ্তার সিফাত আব্দুল্লাহর জামিন নামঞ্জুর মান্দায় ট্যাপেন্টাডলসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেফতার প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে প্রবেশের চেষ্টা, সেই যুবক রিমান্ডে চলতি সপ্তাহেই ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনের তফসিল
জকসুর মানববন্ধন

১৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন ও বৃত্তির টাকা হস্তান্তরের দাবি

জবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৫:২২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 5

কেরানীগঞ্জে নির্মাণাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সাত একর জমিতে চলতি বছরের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত এবং বিশেষ বৃত্তির টাকা দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, অস্থায়ী আবাসনের বরাদ্দের টাকা নয়ছয় করার জন্য ‘স্থায়ী আবাসন’ নাম দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টেন্ডারবাজির পরিকল্পনা করছে। পুরান ঢাকার মেসে শিক্ষার্থীরা কষ্টে দিন কাটালেও তাদের বঞ্চিত করে এ ধরনের পরিকল্পনা বন্ধ করতে হবে। চলতি বছরের মধ্যেই কেরানীগঞ্জে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও দ্রুত তাদের হাতে হস্তান্তর করতে হবে।

জকসুর এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জবির সব আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর। শুধু প্রথম ধাপ নয়, ক্যাম্পাসের সামগ্রিক কাজ সেনাবাহিনীর হাতে অর্পণ করতে হবে।

কেরানীগঞ্জে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন বাস্তবায়নে কোনো ধরনের টালবাহানা করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

জকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল বলেন, কেরানীগঞ্জের সাত একর জমিতে চলতি বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজ বাস্তবায়নের বাজেট বরাদ্দ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কাজটি বাস্তবায়ন করতে হবে। ব্যর্থ হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ‘শিক্ষা টেন্ডারবাজি, একসাথে চলে না’, ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আবাসন, কবে দিবা প্রশাসন’, ‘এক দুই তিন চার, হল আমার অধিকার’—ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এ সময় গত ৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, জকসু প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় বিচার না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমালোচনা করেন বক্তারা। একই সঙ্গে দ্রুত ওই ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে জকসুর নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জকসুর মানববন্ধন

১৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন ও বৃত্তির টাকা হস্তান্তরের দাবি

প্রকাশের সময় : ০৫:২২:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬

কেরানীগঞ্জে নির্মাণাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের সাত একর জমিতে চলতি বছরের মধ্যে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত এবং বিশেষ বৃত্তির টাকা দ্রুত হস্তান্তরের দাবিতে মানববন্ধন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাষা শহীদ রফিক ভবনের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে জকসুর জিএস আব্দুল আলিম আরিফ বলেন, অস্থায়ী আবাসনের বরাদ্দের টাকা নয়ছয় করার জন্য ‘স্থায়ী আবাসন’ নাম দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন টেন্ডারবাজির পরিকল্পনা করছে। পুরান ঢাকার মেসে শিক্ষার্থীরা কষ্টে দিন কাটালেও তাদের বঞ্চিত করে এ ধরনের পরিকল্পনা বন্ধ করতে হবে। চলতি বছরের মধ্যেই কেরানীগঞ্জে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের বিশেষ বৃত্তির দ্বিতীয় কিস্তির টাকাও দ্রুত তাদের হাতে হস্তান্তর করতে হবে।

জকসুর এজিএস মাসুদ রানা বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে জবির সব আন্দোলনের অন্যতম দাবি ছিল দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের কাজ সেনাবাহিনীর হাতে হস্তান্তর। শুধু প্রথম ধাপ নয়, ক্যাম্পাসের সামগ্রিক কাজ সেনাবাহিনীর হাতে অর্পণ করতে হবে।

কেরানীগঞ্জে ১ হাজার ৬০০ শিক্ষার্থীর অস্থায়ী আবাসন বাস্তবায়নে কোনো ধরনের টালবাহানা করা হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

জকসুর শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক ইব্রাহীম খলিল বলেন, কেরানীগঞ্জের সাত একর জমিতে চলতি বছরের মধ্যেই শিক্ষার্থীদের আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। এ কাজ বাস্তবায়নের বাজেট বরাদ্দ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কাজটি বাস্তবায়ন করতে হবে। ব্যর্থ হলে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিয়ে অধিকার আদায়ের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।

মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা ‘শিক্ষা টেন্ডারবাজি, একসাথে চলে না’, ‘দ্বিতীয় ক্যাম্পাস আবাসন, কবে দিবা প্রশাসন’, ‘এক দুই তিন চার, হল আমার অধিকার’—ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এ সময় গত ৪ আগস্ট ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থী, জকসু প্রতিনিধি ও বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতাদের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনায় বিচার না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সমালোচনা করেন বক্তারা। একই সঙ্গে দ্রুত ওই ঘটনার বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

মানববন্ধনে জকসুর নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।