Dhaka ০৫:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ছেলে-নাতির বিরুদ্ধে প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ, থানায় ৯০ বছরের বৃদ্ধা খুব শিগগিরই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ: ট্রাম্প প্রিয়াঙ্কা-প্রকৃতি আমায় ক্ষমা করে দিও প্রেসক্লাব যশোরের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ১৯ সেপ্টেম্বর এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল রেসে তরুণের মৃত্যু, লাশ ফেলে পালাল বন্ধুরা মধুখালীতে বস্তাবন্দি অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার বালিয়াকান্দি প্রেসক্লাবের সভাপতি আতিক, সাধারণ সম্পাদক লিটন নওগাঁর নাসরিন সিদ্দিকী বালিকা বিদ্যালয়ের জরাজীর্ণ অবস্থা, খোলা মাঠেই চলছে পাঠদান কালীগঞ্জে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান র‍্যালি অনুষ্ঠিত নারীর সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে : রিজভী

আজ বিশ্ব অলস দিবস: ব্যস্ততার মাঝেও একটু বিশ্রাম

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / 94

সপ্তাহজুড়ে কাজের চাপ, অফিস, পড়াশোনা, সংসার কিংবা নিত্যদিনের নানা ব্যস্ততায় অনেকেই নিজের জন্য সময় বের করতে পারেন না। একটু বিশ্রাম নিলেই মনে হয়, সময় নষ্ট হচ্ছে। তবে মাঝে মাঝে কোনো কাজ না করে বিশ্রাম নেওয়াও শরীর ও মনের জন্য উপকারী হতে পারে। এমন বার্তাই দেয় ‘বিশ্ব অলস দিবস’।

প্রতি বছর ১০ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনানুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হয়। কোথাও কোথাও এটি ‘ন্যাশনাল লেজি ডে’ নামেও পরিচিত।

কেন এই দিবস?

বিশ্ব অলস দিবসের উদ্দেশ্য মানুষকে অলস করে তোলা নয়; বরং ব্যস্ত জীবনের মাঝেও বিশ্রামের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া। বর্তমান সময়ে দীর্ঘ সময় কাজের চাপ, মানসিক ক্লান্তি ও বার্নআউটের কারণে অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর বিরতি নেওয়া ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি কাজে মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতেও সহায়তা করতে পারে।

বিশ্রাম কেন জরুরি?

চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সব সময় ব্যস্ত থাকার চেষ্টা শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত কাজের চাপ ও বিশ্রামের ঘাটতিতে ক্লান্তি, উদ্বেগ এবং কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে।

অন্যদিকে, কিছু সময় নিজের মতো কাটানো, প্রিয় বই পড়া, গান শোনা, সিনেমা দেখা কিংবা নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নেওয়া মনকে সতেজ করতে পারে। কিছু সময় মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকাও মানসিক স্বস্তি দিতে পারে।

যেভাবে কাটাতে পারেন দিনটি

বিশ্ব অলস দিবস উপলক্ষে আজ নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখতে পারেন। যেমন—পর্যাপ্ত ঘুমানো, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, প্রিয় সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ দেখা, বই পড়া, গান শোনা কিংবা কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকা। চাইলে কোনো কাজের চাপ না নিয়ে নিজের পছন্দের কাজেও সময় দিতে পারেন।

ইতিহাস কী বলে?

বিশ্ব অলস দিবসের সূচনা ঠিক কবে বা কার উদ্যোগে হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই। তবে ধারণা করা হয়, ব্যস্ত জীবনের মাঝে মানুষকে বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তা মনে করিয়ে দিতেই দিনটির প্রচলন হয়েছে।

সব সময় কাজ করলেই যে বেশি সফল হওয়া যায়, এমন নয়। কাজের পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রামও। তাই দিনটি মনে করিয়ে দেয়—নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। বছরের অন্তত একটি দিন হলেও একটু ধীরগতিতে চলা, বিশ্রাম নেওয়া কিংবা নিজের জন্য সময় বের করায় অপরাধবোধের কিছু নেই।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আজ বিশ্ব অলস দিবস: ব্যস্ততার মাঝেও একটু বিশ্রাম

প্রকাশের সময় : ০৫:০৪:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

সপ্তাহজুড়ে কাজের চাপ, অফিস, পড়াশোনা, সংসার কিংবা নিত্যদিনের নানা ব্যস্ততায় অনেকেই নিজের জন্য সময় বের করতে পারেন না। একটু বিশ্রাম নিলেই মনে হয়, সময় নষ্ট হচ্ছে। তবে মাঝে মাঝে কোনো কাজ না করে বিশ্রাম নেওয়াও শরীর ও মনের জন্য উপকারী হতে পারে। এমন বার্তাই দেয় ‘বিশ্ব অলস দিবস’।

প্রতি বছর ১০ আগস্ট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনানুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হয়। কোথাও কোথাও এটি ‘ন্যাশনাল লেজি ডে’ নামেও পরিচিত।

কেন এই দিবস?

বিশ্ব অলস দিবসের উদ্দেশ্য মানুষকে অলস করে তোলা নয়; বরং ব্যস্ত জীবনের মাঝেও বিশ্রামের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেওয়া। বর্তমান সময়ে দীর্ঘ সময় কাজের চাপ, মানসিক ক্লান্তি ও বার্নআউটের কারণে অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন। নির্দিষ্ট সময় পরপর বিরতি নেওয়া ও পর্যাপ্ত বিশ্রাম মানসিক চাপ কমানোর পাশাপাশি কাজে মনোযোগ ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতেও সহায়তা করতে পারে।

বিশ্রাম কেন জরুরি?

চিকিৎসক ও মনোবিজ্ঞানীদের মতে, সব সময় ব্যস্ত থাকার চেষ্টা শরীর ও মনের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব, অতিরিক্ত কাজের চাপ ও বিশ্রামের ঘাটতিতে ক্লান্তি, উদ্বেগ এবং কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে।

অন্যদিকে, কিছু সময় নিজের মতো কাটানো, প্রিয় বই পড়া, গান শোনা, সিনেমা দেখা কিংবা নিশ্চিন্তে বিশ্রাম নেওয়া মনকে সতেজ করতে পারে। কিছু সময় মোবাইল ফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকাও মানসিক স্বস্তি দিতে পারে।

যেভাবে কাটাতে পারেন দিনটি

বিশ্ব অলস দিবস উপলক্ষে আজ নিজের জন্য কিছুটা সময় রাখতে পারেন। যেমন—পর্যাপ্ত ঘুমানো, পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, প্রিয় সিনেমা বা ওয়েব সিরিজ দেখা, বই পড়া, গান শোনা কিংবা কিছু সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকা। চাইলে কোনো কাজের চাপ না নিয়ে নিজের পছন্দের কাজেও সময় দিতে পারেন।

ইতিহাস কী বলে?

বিশ্ব অলস দিবসের সূচনা ঠিক কবে বা কার উদ্যোগে হয়েছিল, সে বিষয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই। তবে ধারণা করা হয়, ব্যস্ত জীবনের মাঝে মানুষকে বিশ্রামের প্রয়োজনীয়তা মনে করিয়ে দিতেই দিনটির প্রচলন হয়েছে।

সব সময় কাজ করলেই যে বেশি সফল হওয়া যায়, এমন নয়। কাজের পাশাপাশি প্রয়োজন পর্যাপ্ত বিশ্রামও। তাই দিনটি মনে করিয়ে দেয়—নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। বছরের অন্তত একটি দিন হলেও একটু ধীরগতিতে চলা, বিশ্রাম নেওয়া কিংবা নিজের জন্য সময় বের করায় অপরাধবোধের কিছু নেই।