Dhaka ১২:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

কোমে শোকমিছিলে জনস্রোত, বৃহস্পতিবার মাশহাদে দাফন খামেনির

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 24

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে মরদেহ পৌঁছানোর পর লাখো মানুষের অংশগ্রহণে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, হেলিকপ্টারে করে তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত কোম শহরে খামেনির মরদেহ নেওয়া হয়। সেখানে শোকযাত্রা শেষে বৃহস্পতিবার মাশহাদে তাকে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এর আগে রাজধানী তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, এ শোকসমাবেশের ব্যাপ্তি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার সমাবেশের সঙ্গে তুলনীয়।

শোকযাত্রায় একটি ট্রাকে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি সাম্প্রতিক হামলায় নিহত তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহও বহন করা হয়। শোকাহত মানুষ কফিনে ফুল ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনির মরদেহও ছিল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ৩৪ হাজারের বেশি মানুষকে চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

শোকযাত্রায় দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই, কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদসহ শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কোমে শোকমিছিলে জনস্রোত, বৃহস্পতিবার মাশহাদে দাফন খামেনির

প্রকাশের সময় : ১১:৪১:১৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহ রাজধানী তেহরান থেকে পবিত্র শহর কোমে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার সেখানে মরদেহ পৌঁছানোর পর লাখো মানুষের অংশগ্রহণে শোকমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন করা হবে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের বরাতে আল-জাজিরা জানিয়েছে, হেলিকপ্টারে করে তেহরানের দক্ষিণে অবস্থিত কোম শহরে খামেনির মরদেহ নেওয়া হয়। সেখানে শোকযাত্রা শেষে বৃহস্পতিবার মাশহাদে তাকে দাফনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এর আগে রাজধানী তেহরানে টানা তৃতীয় দিনের মতো লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের দাবি, এ শোকসমাবেশের ব্যাপ্তি ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির জানাজার সমাবেশের সঙ্গে তুলনীয়।

শোকযাত্রায় একটি ট্রাকে খামেনির মরদেহের পাশাপাশি সাম্প্রতিক হামলায় নিহত তার পরিবারের চার সদস্যের মরদেহও বহন করা হয়। শোকাহত মানুষ কফিনে ফুল ছিটিয়ে শ্রদ্ধা জানান। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের তথ্যমতে, নিহতদের মধ্যে খামেনির ১৪ মাস বয়সী নাতনির মরদেহও ছিল।

ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, শোকানুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ৩৪ হাজারের বেশি মানুষকে চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।

শোকযাত্রায় দেশটির প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান, পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি, বিচার বিভাগের প্রধান গোলামহোসেইন মোহসেনি এজেই, কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি এবং সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদসহ শীর্ষ সরকারি কর্মকর্তারা অংশ নেন।