Dhaka ০৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নাহিদ রানার তোপে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬
  • / 143

ঘরের মাঠে এবারই প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে হারানোর কীর্তি গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। মিরপুর টেস্টে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দিয়ে পাকিস্তানকে ১৬৩ রানে অলআউট করে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করে জয়ের নায়ক হন নাহিদ রানা।

এর আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়েকে হারালেও পাকিস্তানের বিপক্ষে কখনো টেস্ট জয় পায়নি বাংলাদেশ। যদিও ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছিল টাইগাররা।

২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার ইমাম-উল-হককে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। ৫ বলে ২ রান করে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আরেক ওপেনার আজান আওয়াইস করেন ১৫ রান। অধিনায়ক শান মাসুদ ফেরেন মাত্র ২ রান করে।

৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। চতুর্থ উইকেটে আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে ৬৬ রান করা ফজলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তাইজুল ইসলাম। পরের ওভারেই ২৬ রান করা সালমান আগাকে ফেরান তাসকিন।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে যায়। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও নাহিদ রানার গতির সামনে টিকতে পারেননি। টানা দুই ওভারে এই দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তিনি। দুজনই করেন ১৫ রান।

শেষদিকে হাসান আলিকে ১ রানে আউট করেন তাইজুল। পরে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাসের জুটি ভেঙে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন নাহিদ রানা। টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব অর্জন করেন এই তরুণ পেসার।

এর আগে ম্যাচের চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৫২ রান করেছিল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৭ রান করেন। এছাড়া মুশফিকুর রহিম করেন ২২ রান, লিটন দাস ১১, মেহেদি হাসান মিরাজ ২৪ এবং এবাদত হোসেন ৪ রানে অপরাজিত থাকেন। আগের দিন মুমিনুল হক ৫৬ রান করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নাহিদ রানার তোপে পাকিস্তানকে হারিয়ে বাংলাদেশের ঐতিহাসিক জয়

প্রকাশের সময় : ০৫:১৮:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

ঘরের মাঠে এবারই প্রথম টেস্টে পাকিস্তানকে হারানোর কীর্তি গড়েছে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল। মিরপুর টেস্টে ২৬৮ রানের লক্ষ্য দিয়ে পাকিস্তানকে ১৬৩ রানে অলআউট করে ১০৪ রানের ঐতিহাসিক জয় তুলে নিয়েছে টাইগাররা। দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করে জয়ের নায়ক হন নাহিদ রানা।

এর আগে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও জিম্বাবুয়েকে হারালেও পাকিস্তানের বিপক্ষে কখনো টেস্ট জয় পায়নি বাংলাদেশ। যদিও ২০২৪ সালে পাকিস্তানের মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছিল টাইগাররা।

২৬৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। ইনিংসের প্রথম ওভারেই ওপেনার ইমাম-উল-হককে ফিরিয়ে দেন তাসকিন আহমেদ। ৫ বলে ২ রান করে কট বিহাইন্ড হন তিনি। আরেক ওপেনার আজান আওয়াইস করেন ১৫ রান। অধিনায়ক শান মাসুদ ফেরেন মাত্র ২ রান করে।

৬৮ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে পাকিস্তান। চতুর্থ উইকেটে আব্দুল্লাহ ফজল ও সালমান আগা ৫১ রানের জুটি গড়ে প্রতিরোধের চেষ্টা করেন। তবে ৬৬ রান করা ফজলকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তাইজুল ইসলাম। পরের ওভারেই ২৬ রান করা সালমান আগাকে ফেরান তাসকিন।

এরপর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি বাংলাদেশের হাতে চলে যায়। উইকেটরক্ষক মোহাম্মদ রিজওয়ান ও সৌদ শাকিল কিছুটা প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করলেও নাহিদ রানার গতির সামনে টিকতে পারেননি। টানা দুই ওভারে এই দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান তিনি। দুজনই করেন ১৫ রান।

শেষদিকে হাসান আলিকে ১ রানে আউট করেন তাইজুল। পরে শাহীন শাহ আফ্রিদি ও মোহাম্মদ আব্বাসের জুটি ভেঙে পাকিস্তানের ইনিংস গুটিয়ে দেন নাহিদ রানা। টেস্ট ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বারের মতো পাঁচ উইকেট শিকারের কৃতিত্ব অর্জন করেন এই তরুণ পেসার।

এর আগে ম্যাচের চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ৩ উইকেটে ১৫২ রান করেছিল বাংলাদেশ। পঞ্চম দিনে অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৭ রান করেন। এছাড়া মুশফিকুর রহিম করেন ২২ রান, লিটন দাস ১১, মেহেদি হাসান মিরাজ ২৪ এবং এবাদত হোসেন ৪ রানে অপরাজিত থাকেন। আগের দিন মুমিনুল হক ৫৬ রান করেন।