Dhaka ০৪:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

সন্তান অনলাইন গেমে আসক্ত হলে যা করবেন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 170

বর্তমানে স্মার্টফোনের সহজলভ্যতার কারণে অনেক শিশু অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের মানসিক ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন গেম নিজে অপরাধ না হলেও অতিরিক্ত আসক্তি শিশুদের পড়াশোনা, ঘুম, সামাজিক সম্পর্ক ও আচরণে সমস্যা তৈরি করে।

অনলাইন গেম আসক্তি এক ধরনের আচরণগত নির্ভরতা, যেখানে শিশু গেম ছাড়া অস্থির হয়ে পড়ে, রাত জেগে খেলে, পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়, সামাজিকতা এড়িয়ে চলে এবং কখনো আগ্রাসী বা হতাশ আচরণ দেখায়।

অভিভাবকদের জন্য করণীয় হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলেন,
সন্তানকে বকাঝকা না করে আগে বোঝার চেষ্টা করতে হবে কেন সে গেমে আসক্ত হচ্ছে। বন্ধুসুলভভাবে কথা বলা, হঠাৎ মোবাইল বা ইন্টারনেট বন্ধ না করা, ধীরে ধীরে স্ক্রিন টাইম কমানো এবং খেলাধুলা বা সৃজনশীল কাজে যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট স্ক্রিন টাইম নির্ধারণ, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ব্যবহার এবং প্রয়োজন হলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

শুধু পরিবার নয়, স্কুল ও সমাজেরও ভূমিকা রয়েছে—ডিজিটাল সচেতনতা শিক্ষা, কাউন্সেলিং ব্যবস্থা ও শিশুদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করা এই সমস্যা মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সন্তান অনলাইন গেমে আসক্ত হলে যা করবেন

প্রকাশের সময় : ১২:৪০:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বর্তমানে স্মার্টফোনের সহজলভ্যতার কারণে অনেক শিশু অনলাইন গেমে আসক্ত হয়ে পড়ছে, যা তাদের মানসিক ও সামাজিক জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনলাইন গেম নিজে অপরাধ না হলেও অতিরিক্ত আসক্তি শিশুদের পড়াশোনা, ঘুম, সামাজিক সম্পর্ক ও আচরণে সমস্যা তৈরি করে।

অনলাইন গেম আসক্তি এক ধরনের আচরণগত নির্ভরতা, যেখানে শিশু গেম ছাড়া অস্থির হয়ে পড়ে, রাত জেগে খেলে, পড়াশোনায় মনোযোগ হারায়, সামাজিকতা এড়িয়ে চলে এবং কখনো আগ্রাসী বা হতাশ আচরণ দেখায়।

অভিভাবকদের জন্য করণীয় হিসেবে বিশেষজ্ঞরা বলেন,
সন্তানকে বকাঝকা না করে আগে বোঝার চেষ্টা করতে হবে কেন সে গেমে আসক্ত হচ্ছে। বন্ধুসুলভভাবে কথা বলা, হঠাৎ মোবাইল বা ইন্টারনেট বন্ধ না করা, ধীরে ধীরে স্ক্রিন টাইম কমানো এবং খেলাধুলা বা সৃজনশীল কাজে যুক্ত করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া পরিবারের জন্য নির্দিষ্ট স্ক্রিন টাইম নির্ধারণ, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল ব্যবহার এবং প্রয়োজন হলে মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের সহায়তা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।

শুধু পরিবার নয়, স্কুল ও সমাজেরও ভূমিকা রয়েছে—ডিজিটাল সচেতনতা শিক্ষা, কাউন্সেলিং ব্যবস্থা ও শিশুদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে যুক্ত করা এই সমস্যা মোকাবিলায় সহায়ক হতে পারে।