Dhaka ০৯:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাথা নিচু করে ট্রাইব্যুনালে ঢুকলেন সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল-মামুন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
  • / 115

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আজ সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পলাতক আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের অনুপস্থিতিতেই এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সকাল ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল রায় দেবেন।

সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে করে আদালতে আনা হয় মামুনকে। রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়ায় তার শাস্তি নির্ধারণ ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে প্রসিকিউশন, যদিও তার আইনজীবী খালাস চেয়েছেন। অপরদিকে শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ সাজা চাওয়া হয়েছে।

রায়কে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন, বিজিবি এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যার পর দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচলও সীমিত করা হয়।

মামলাটির মোট পাঁচটি অভিযোগে ৫৪ জন সাক্ষীর জেরা ও রাষ্ট্রপক্ষ-ডিফেন্সের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। অভিযোগপত্রে রয়েছে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর অভিযোগ। তদন্ত প্রতিবেদনের মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা আট হাজারের বেশি এবং সাক্ষী করা হয়েছে ৮৪ জনকে।

আজকের রায়ের মধ্য দিয়েই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মাথা নিচু করে ট্রাইব্যুনালে ঢুকলেন সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল-মামুন

প্রকাশের সময় : ১০:১০:৪৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকে আজ সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আনা হয়। পলাতক আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের অনুপস্থিতিতেই এই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে। সকাল ১১টার পর ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে তিন সদস্যের প্যানেল রায় দেবেন।

সকাল ৯টা ১০ মিনিটে কড়া নিরাপত্তায় প্রিজনভ্যানে করে আদালতে আনা হয় মামুনকে। রাজসাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেওয়ায় তার শাস্তি নির্ধারণ ট্রাইব্যুনালের ওপর ছেড়ে দিয়েছে প্রসিকিউশন, যদিও তার আইনজীবী খালাস চেয়েছেন। অপরদিকে শেখ হাসিনা ও কামালের সর্বোচ্চ সাজা চাওয়া হয়েছে।

রায়কে কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনাল ও সুপ্রিম কোর্ট এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পুলিশ, র‌্যাব, এপিবিএন, বিজিবি এবং সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। গত রোববার সন্ধ্যার পর দোয়েল চত্বর হয়ে শিক্ষাভবনমুখী সড়কে যান চলাচলও সীমিত করা হয়।

মামলাটির মোট পাঁচটি অভিযোগে ৫৪ জন সাক্ষীর জেরা ও রাষ্ট্রপক্ষ-ডিফেন্সের যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণার জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়। অভিযোগপত্রে রয়েছে উসকানি, মারণাস্ত্র ব্যবহার, আবু সাঈদ হত্যা, চানখারপুলে হত্যা এবং আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর অভিযোগ। তদন্ত প্রতিবেদনের মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা আট হাজারের বেশি এবং সাক্ষী করা হয়েছে ৮৪ জনকে।

আজকের রায়ের মধ্য দিয়েই মামলার বিচারিক প্রক্রিয়ার সমাপ্তি ঘটবে।