Dhaka ০৫:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

আসিফ মাহমুদের অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে মন্তব্য করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
  • / 78

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, এখনো সংশ্লিষ্ট আইন না দেখায় এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেন না।

সোমবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশ্ন উঠেছে, বয়স ৩০ না হওয়ায় কীভাবে আসিফ মাহমুদ অস্ত্রের লাইসেন্স পেলেন— এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমি এখনও আইনটা দেখিনি, তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।”

সম্প্রতি আসিফ মাহমুদের কাছে একে-৪৭ ধরনের অস্ত্র থাকার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “অনেকে বলছে তিনি একে-৪৭-এর লাইসেন্স পেয়েছেন। আসলে এটি একে-৪৭ নয়, এটি তারই একটি হাতিয়ার। তার পিস্তলের খালি একটি ম্যাগাজিন ছিল, যা ভুলবশত ব্যাগে থেকে গিয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “এটা নিছকই একটি ভুল। অনেক সময় এমন হয়, আপনি একটা চশমা নিতে চান কিন্তু ভুল করে মোবাইল নিয়ে চলে যান। এমন ঘটনা সাধারণত দুর্ঘটনাবশত হয়। উনি যদি আগে জানতেন, তাহলে কোনও অবস্থাতেই সেটা সঙ্গে নিতেন না।”

বিমানবন্দরে তিন দফা স্ক্যানিংয়ের পর তৃতীয় দফায় ম্যাগাজিন ধরা পড়ে। বিষয়টি ঘিরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ধরুন, আমার ভাই যদি একজন নেতা হন, তাহলে অনেক সময় তিনি অতিরিক্ত প্রিভিলেজ পেতে পারেন। কিন্তু এই প্রিভিলেজ যেন কারও ক্ষেত্রে না হয়—সবার জন্য আইন যেন সমান হয়, এ জন্যই আমরা বারবার বলি।”

উল্লেখ্য, অস্ত্র বহন সংক্রান্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। ঘটনাটি ঘিরে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবি জোরালো হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আসিফ মাহমুদের অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে মন্তব্য করলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

প্রকাশের সময় : ০৮:৪৩:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার অস্ত্রের লাইসেন্স নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে সরাসরি মন্তব্য এড়িয়ে গেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি জানিয়েছেন, এখনো সংশ্লিষ্ট আইন না দেখায় এ বিষয়ে কিছু বলতে পারেন না।

সোমবার (৩০ জুন) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কোর কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রশ্ন উঠেছে, বয়স ৩০ না হওয়ায় কীভাবে আসিফ মাহমুদ অস্ত্রের লাইসেন্স পেলেন— এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “আমি এখনও আইনটা দেখিনি, তাই এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।”

সম্প্রতি আসিফ মাহমুদের কাছে একে-৪৭ ধরনের অস্ত্র থাকার গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “অনেকে বলছে তিনি একে-৪৭-এর লাইসেন্স পেয়েছেন। আসলে এটি একে-৪৭ নয়, এটি তারই একটি হাতিয়ার। তার পিস্তলের খালি একটি ম্যাগাজিন ছিল, যা ভুলবশত ব্যাগে থেকে গিয়েছিল।”

তিনি আরও বলেন, “এটা নিছকই একটি ভুল। অনেক সময় এমন হয়, আপনি একটা চশমা নিতে চান কিন্তু ভুল করে মোবাইল নিয়ে চলে যান। এমন ঘটনা সাধারণত দুর্ঘটনাবশত হয়। উনি যদি আগে জানতেন, তাহলে কোনও অবস্থাতেই সেটা সঙ্গে নিতেন না।”

বিমানবন্দরে তিন দফা স্ক্যানিংয়ের পর তৃতীয় দফায় ম্যাগাজিন ধরা পড়ে। বিষয়টি ঘিরে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ধরুন, আমার ভাই যদি একজন নেতা হন, তাহলে অনেক সময় তিনি অতিরিক্ত প্রিভিলেজ পেতে পারেন। কিন্তু এই প্রিভিলেজ যেন কারও ক্ষেত্রে না হয়—সবার জন্য আইন যেন সমান হয়, এ জন্যই আমরা বারবার বলি।”

উল্লেখ্য, অস্ত্র বহন সংক্রান্ত ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত হলে বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়। ঘটনাটি ঘিরে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবি জোরালো হয়েছে।