Dhaka ০১:৪০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

এবার উন্মুক্ত বর্জ্য সংরক্ষণ ও পোড়ানো বন্ধে এলো বিশেষ নির্দেশনা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • / 87

বেড়েই চলছে বায়ু দূষণ। রাজধানীসহ সারাদেশে যানবাহন, ইটভাটা, অনিয়ন্ত্রিত অবকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর পরিবহন এবং উন্মুক্তভাবে বর্জ্য পোড়ানোর কারণে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ জনগণের প্রতি একাধিক নির্দেশনা প্রদান করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, রাস্তায় বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস যেমন পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি স্থাপন বা মেরামতের পর ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তা কার্পেটিং করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত হয়েছে এমন যানবাহন জরুরিভাবে রাস্তাঘাট থেকে সরাতে হবে এবং ত্রুটিপূর্ণ দূষণ সৃষ্টিকারী যানবাহন দ্রুত মেরামত করে সচল করতে হবে। রাস্তা, সড়ক, মহাসড়ক বা উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলে রাখা এবং উন্মুক্তভাবে পোড়ানো সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। দায়িত্বশীলদের এ বিষয়ে প্রতিদিন সচেতন থাকতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়, বর্জ্য, পৌরবর্জ্য এবং গৃহস্থালি বর্জ্য খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ বা পোড়ানো যাবে না। অবৈধ ব্যাটারি রিসাইক্লিং এবং টায়ার পোড়ানো কারখানাগুলো অবিলম্বে বন্ধ রাখতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর সতর্ক করেছে, এসব দূষণমূলক কার্যক্রমের ফলে মারাত্মক বায়ুদূষণ তৈরি হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।

এছাড়াও, মার্কেট, শপিংমল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ি থেকে সৃষ্ট ময়লা-আবর্জনা ও ধুলাবালি রাস্তায় ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। নালা, নর্দমা বা ড্রেন পরিষ্কারের পর সে বর্জ্য রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা নিষিদ্ধ। ঢাকা শহরের নির্মাণসামগ্রী পরিবহনকারী ট্রাক, ভ্যান ও লরিগুলোকে অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে ঢেকে পরিবহন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।

উল্লেখ্য,পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এ নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ বলা হয়, “আসুন বায়ুদূষণ রোধ করি, সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

এবার উন্মুক্ত বর্জ্য সংরক্ষণ ও পোড়ানো বন্ধে এলো বিশেষ নির্দেশনা

প্রকাশের সময় : ০৮:০৪:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

বেড়েই চলছে বায়ু দূষণ। রাজধানীসহ সারাদেশে যানবাহন, ইটভাটা, অনিয়ন্ত্রিত অবকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রীর পরিবহন এবং উন্মুক্তভাবে বর্জ্য পোড়ানোর কারণে বায়ুদূষণ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে জনস্বাস্থ্য হুমকির মুখে পড়ছে।

পরিবেশ অধিদপ্তর এক গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বায়ুদূষণ রোধে সংশ্লিষ্ট দপ্তর, সংস্থা, শিল্পকারখানার মালিক এবং সাধারণ জনগণের প্রতি একাধিক নির্দেশনা প্রদান করেছে। নির্দেশনায় বলা হয়, রাস্তায় বিভিন্ন ইউটিলিটি সার্ভিস যেমন পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি স্থাপন বা মেরামতের পর ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে দ্রুততম সময়ের মধ্যে রাস্তা কার্পেটিং করে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়, ইকোনমিক লাইফ অতিক্রান্ত হয়েছে এমন যানবাহন জরুরিভাবে রাস্তাঘাট থেকে সরাতে হবে এবং ত্রুটিপূর্ণ দূষণ সৃষ্টিকারী যানবাহন দ্রুত মেরামত করে সচল করতে হবে। রাস্তা, সড়ক, মহাসড়ক বা উন্মুক্ত স্থানে বর্জ্য ফেলে রাখা এবং উন্মুক্তভাবে পোড়ানো সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। দায়িত্বশীলদের এ বিষয়ে প্রতিদিন সচেতন থাকতে হবে।

পরিবেশ অধিদপ্তরের নির্দেশনায় বলা হয়, বর্জ্য, পৌরবর্জ্য এবং গৃহস্থালি বর্জ্য খোলা অবস্থায় সংরক্ষণ বা পোড়ানো যাবে না। অবৈধ ব্যাটারি রিসাইক্লিং এবং টায়ার পোড়ানো কারখানাগুলো অবিলম্বে বন্ধ রাখতে হবে। পরিবেশ অধিদপ্তর সতর্ক করেছে, এসব দূষণমূলক কার্যক্রমের ফলে মারাত্মক বায়ুদূষণ তৈরি হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ মানুষ ও তাদের পরিবারের সদস্যরা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।

এছাড়াও, মার্কেট, শপিংমল, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ি থেকে সৃষ্ট ময়লা-আবর্জনা ও ধুলাবালি রাস্তায় ফেলা বা পোড়ানো যাবে না। নালা, নর্দমা বা ড্রেন পরিষ্কারের পর সে বর্জ্য রাস্তার পাশে স্তূপ করে রাখা নিষিদ্ধ। ঢাকা শহরের নির্মাণসামগ্রী পরিবহনকারী ট্রাক, ভ্যান ও লরিগুলোকে অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে ঢেকে পরিবহন করতে হবে বলে নির্দেশনা দিয়েছে অধিদপ্তর।

উল্লেখ্য,পরিবেশ রক্ষায় সকলকে এ নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ বলা হয়, “আসুন বায়ুদূষণ রোধ করি, সুস্থ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ গড়ি।”