Dhaka ০৯:৩৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

৭ দিনের মধ্যে গুম-খুনে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে ‘মায়ের ডাক’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 136

সাত দিনের মধ্যে গুম-খুনে জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিতে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ‘মায়ের ডাক’। ৬ দফা দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে। জড়িতদের বিচার, আয়নাঘর সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ নানা দাবিতে উচ্চ আদালতের সামনে মানববন্ধন করেন গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (২০ এ্রপ্রিল) উচ্চ আদালতের সামনে দুপুরের কাঠফাটা রোদে দাঁড়িয়েছেন কিছু মানুষ। যাদের অধিকাংশের স্বজন হারিয়েছেন হুট করেই। বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন, জানেন না কেউ।

অনেক সন্তান দাঁড়িয়েছেন যারা তাদের বাবাকে দেখেননি কোনোদিন, কিংবা বেঁচে আছেন আবছা স্মৃতি নিয়ে। হারিয়ে যাওয়া কারও বাবা, ভাই কিংবা সন্তানের কি অপরাধ, তাও জানেন না স্বজনরা। অপেক্ষার প্রহর ফুরিয়ে বিচার চেয়ে চেয়ে তারা ক্লান্ত।

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা বলছেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুথানের পরও বিচারের দাবিতে রাজপথে নামা দুঃখজনক। অবিলম্বে গুমের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি তাদের।

মানববন্ধনে একাত্মতা জানায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন। আওয়ামী সরকারের সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জাড়িতদের দৃশ্যমান বিচার দাবি তাদের।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো থেকে দাবি উঠেছে, তারা গুম-খুনের ঘটনায় দৃশ্যমান বিচার দেখতে চায়।’

মানববন্ধন শেষে আয়নাঘর সংরক্ষণ ও গুম খুনে জড়িতদের বিচারসহ ৬ দফা দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি দেয়া হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৭ দিনের মধ্যে গুম-খুনে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে ‘মায়ের ডাক’

প্রকাশের সময় : ০৫:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৫

সাত দিনের মধ্যে গুম-খুনে জড়িতদের গ্রেফতার ও শাস্তি নিশ্চিতে ব্যবস্থা না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে ‘মায়ের ডাক’। ৬ দফা দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে। জড়িতদের বিচার, আয়নাঘর সংরক্ষণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাসহ নানা দাবিতে উচ্চ আদালতের সামনে মানববন্ধন করেন গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা।

রোববার (২০ এ্রপ্রিল) উচ্চ আদালতের সামনে দুপুরের কাঠফাটা রোদে দাঁড়িয়েছেন কিছু মানুষ। যাদের অধিকাংশের স্বজন হারিয়েছেন হুট করেই। বেঁচে আছেন নাকি মারা গেছেন, জানেন না কেউ।

অনেক সন্তান দাঁড়িয়েছেন যারা তাদের বাবাকে দেখেননি কোনোদিন, কিংবা বেঁচে আছেন আবছা স্মৃতি নিয়ে। হারিয়ে যাওয়া কারও বাবা, ভাই কিংবা সন্তানের কি অপরাধ, তাও জানেন না স্বজনরা। অপেক্ষার প্রহর ফুরিয়ে বিচার চেয়ে চেয়ে তারা ক্লান্ত।

গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যরা বলছেন, জুলাই-আগস্ট অভ্যুথানের পরও বিচারের দাবিতে রাজপথে নামা দুঃখজনক। অবিলম্বে গুমের সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি তাদের।

মানববন্ধনে একাত্মতা জানায় বিভিন্ন রাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন। আওয়ামী সরকারের সময়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনে জাড়িতদের দৃশ্যমান বিচার দাবি তাদের।

নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘রাজনৈতিক দলগুলো থেকে দাবি উঠেছে, তারা গুম-খুনের ঘটনায় দৃশ্যমান বিচার দেখতে চায়।’

মানববন্ধন শেষে আয়নাঘর সংরক্ষণ ও গুম খুনে জড়িতদের বিচারসহ ৬ দফা দাবি জানিয়ে একটি স্মারকলিপি দেয়া হয় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।