Dhaka ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রমনার বটমূলে চলছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫
  • / 162

বছর ঘুরে আবার এলো শান্তি ও সুন্দরের বৈশাখ। শুরু হলো আরেকটি নতুন বছর। আজ সোমবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর রমনার বটমূলে শুরু হয়েছে ছায়ানটের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণ অনুষ্ঠান।

এ বছরের অনুষ্ঠানের মূল বার্তা— ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’, যা প্রতিফলিত হয়েছে গান, আবৃত্তি ও পরিবেশনার প্রতিটি পরতে।

স্বাধীনতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতি ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে গড়া হয়েছে পরিবেশনার ধারা। পুরো মঞ্চজুড়ে ছিল আলো, সংগীত আর শুদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চার এক অপূর্ব মেলবন্ধন।
প্রতিবারের মতো এবারও রমনার বটমূলে অর্ধবৃত্তাকার একটি মঞ্চে (৭২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থ) হয়েছে এই আয়োজন। মঞ্চসজ্জা, শিল্পীদের পোশাক এবং পরিবেশনার রঙে ছিল মেরুনের আধিপত্য।

পুরুষ শিল্পীরা পরেছিলেন মেরুন পাঞ্জাবি ও সাদা পায়জামা, আর নারী শিল্পীরা ছিলেন মেরুন পাড়ের অফ হোয়াইট শাড়িতে। মঞ্চের রঙেও রাখা হয়েছে এই পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য। উল্লেখ্য, গতবার মঞ্চের রঙ ছিল হালকা সবুজ। অনুষ্ঠানে মোট ২৪টি পরিবেশনা উপস্থাপিত হচ্ছে।

এর মধ্যে রয়েছে ৯টি সম্মেলক গান, ১২টি একক কণ্ঠের পরিবেশনা ও ৩টি আবৃত্তি। বর্ষবরণের কথন পাঠ করছেন ছায়ানটের নির্বাহী সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী। অনুষ্ঠান শেষ হবে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। বিগত তিন মাস ধরে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে চলেছে এই আয়োজনের প্রস্তুতি। ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয় রমনার বটমূলে মঞ্চ নির্মাণ।

দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংস্থা ছায়ানট ১৯৬৭ সাল থেকে রমনার এই বটমূলে পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। এবার ১৪৩২ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে গত তিন মাস ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে চলে গানের মহড়া। আর ৮ এপ্রিল রমনার বটমূলে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রমনার বটমূলে চলছে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান

প্রকাশের সময় : ০৯:২৩:০১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৫

বছর ঘুরে আবার এলো শান্তি ও সুন্দরের বৈশাখ। শুরু হলো আরেকটি নতুন বছর। আজ সোমবার সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজধানীর রমনার বটমূলে শুরু হয়েছে ছায়ানটের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ বরণ অনুষ্ঠান।

এ বছরের অনুষ্ঠানের মূল বার্তা— ‘আমার মুক্তি আলোয় আলোয়’, যা প্রতিফলিত হয়েছে গান, আবৃত্তি ও পরিবেশনার প্রতিটি পরতে।

স্বাধীনতা, দেশপ্রেম, প্রকৃতি ও মানবিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে গড়া হয়েছে পরিবেশনার ধারা। পুরো মঞ্চজুড়ে ছিল আলো, সংগীত আর শুদ্ধ সাংস্কৃতিক চর্চার এক অপূর্ব মেলবন্ধন।
প্রতিবারের মতো এবারও রমনার বটমূলে অর্ধবৃত্তাকার একটি মঞ্চে (৭২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৩০ ফুট প্রস্থ) হয়েছে এই আয়োজন। মঞ্চসজ্জা, শিল্পীদের পোশাক এবং পরিবেশনার রঙে ছিল মেরুনের আধিপত্য।

পুরুষ শিল্পীরা পরেছিলেন মেরুন পাঞ্জাবি ও সাদা পায়জামা, আর নারী শিল্পীরা ছিলেন মেরুন পাড়ের অফ হোয়াইট শাড়িতে। মঞ্চের রঙেও রাখা হয়েছে এই পোশাকের সঙ্গে সামঞ্জস্য। উল্লেখ্য, গতবার মঞ্চের রঙ ছিল হালকা সবুজ। অনুষ্ঠানে মোট ২৪টি পরিবেশনা উপস্থাপিত হচ্ছে।

এর মধ্যে রয়েছে ৯টি সম্মেলক গান, ১২টি একক কণ্ঠের পরিবেশনা ও ৩টি আবৃত্তি। বর্ষবরণের কথন পাঠ করছেন ছায়ানটের নির্বাহী সভাপতি ডা. সারওয়ার আলী। অনুষ্ঠান শেষ হবে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে। বিগত তিন মাস ধরে ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে চলেছে এই আয়োজনের প্রস্তুতি। ৮ এপ্রিল থেকে শুরু হয় রমনার বটমূলে মঞ্চ নির্মাণ।

দেশের ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক সংস্থা ছায়ানট ১৯৬৭ সাল থেকে রমনার এই বটমূলে পয়লা বৈশাখে বর্ষবরণের অনুষ্ঠানের আয়োজন করে আসছে। এবার ১৪৩২ বঙ্গাব্দকে বরণ করে নিতে গত তিন মাস ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি-ভবনে চলে গানের মহড়া। আর ৮ এপ্রিল রমনার বটমূলে মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু হয়।