Dhaka ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পুলিশ ভেরিফিকেশনে বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে জাবিতে ছাত্রশক্তির লাল কার্ড পত্নীতলায় ২৫ বোতল আরসি কাফসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেফতার কাতারের এলএনজি সরবরাহ বন্ধ, চাপে ভারত-পাকিস্তান-ইতালি-বাংলাদেশ অবৈধ ২২ অনলাইন পেমেন্ট এগ্রিগেটর প্ল্যাটফর্ম নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সতর্কবার্তা জাবির ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের নতুন সভাপতি মুনতাকিমুল বারী ন্যাম ভবনে গাজী নজরুলের দ্বিতীয় স্ত্রীকে বারান্দায়ও ঘুমাতে হতো: পুলিশ নির্বাচনে প্রার্থীদের ডোপ টেস্ট বাধ্যতামূলক করতে হাইকোর্টের রুল মালী হয়ে সুন্দর বাগান গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার মহেশপুরে দেশীয় পিস্তল, গুলি ও ৭৮ বোতল এসকাফ সিরাপ উদ্ধার বিজেএসে সুপারিশপ্রাপ্ত; বিচারক হওয়ার পথে রাজবাড়ীর দুই কৃতী সন্তান

ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে তরুণদের ৯ সুপারিশ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫
  • / 127

ঈদে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়। গত বছর দেশে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের ১৭ দিনে ঘটেছিল ২৮৬টি সড়ক দুর্ঘটনা। এতে ৩২০ জন নিহত হয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন প্রায় ৪৬২ জন। এবারের ঈদে এমন সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে তরুণদের পক্ষ থেকে নয়টি সুপারিশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরে সভাকক্ষে আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিংয়ের আয়োজনে ঈদযাত্রায় রোডক্র্যাশ কমাতে তরুণদের সুপারিশ নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বলা হয়, ঈদের ছুটিতে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় (রোডক্র্যাশ) হতাহতের ঘটনা বেড়ে যায়। কিন্তু কেন থামানো যাচ্ছে না রোডক্রাশ? কারণ এটা প্রতিরোধে এবং সড়কে সবাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন একটি উপযুক্ত আইন, যা বাংলাদেশে নেই। তাই একটি সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং এর যথাযথ প্রয়োগ অতীব জরুরি। সড়ক দুর্ঘটনা কমাকে তারা নয়টি সুপারিশ তুলে ধরেন।

এতে বলা হয়, দেশের সড়ক ও যানবাহনের পরিস্থিতির কথা ভেবে নিরাপদ গতি নির্ধারণ করা উচিত এবং এই সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন অতিসত্ত্বর প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী উভয়েরই ঈদে চলাচলে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এবং অতিদ্রুত এ সংক্রান্ত এনফোর্সমেন্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করতে হবে। সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে।

অবশ্যই চালকদের কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে ঈদযাত্রায় চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পান। ঈদযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে নছিমন, করিমন, টেম্পুসহ সকল প্রকার ব্যাটারিচালিত যানবাহন ও ভটভটি চলাচল বন্ধ করতে হবে। নেশা জাতীয়দ্রব্য সেবন করে যাতে গাড়ি না চালায় সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। ঈদযাত্রায় যানবাহনে চালকসহ সব যাত্রীর সিটবেল্ট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহনের পাশাপাশি পথচারী পারাপার ও তাদের নিরাপদে চলাচলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন-ফুটপাত হকারমুক্ত করতে হবে। ফুটওভারব্রিজ পথচারীবান্ধব করতে হবে। সর্বোপরি, বিশ্বব্যাপী সমাদৃত সেইফ সিস্টেম এপ্রোচের আদলে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

ঈদযাত্রাসহ দেশে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ইয়ুথ ফোরামের পক্ষ থেকে মারজানা মুনতাহা, এ এফ এম সাদমান সাকিব, বাংলাদেশ মেডিক্যাল স্টুডেন্ট সোসাইটির জাকিয়া মাইশা ও নিশাত তারান্নুম, বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের ইশতিয়াক ইমন, মিশন গ্রিন বাংলাদেশের আহ্সান রনিসহ বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক তরুণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

যদিও গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রোডসেফটি বিষয়ে মরক্কোর মারাকাসে অনুষ্ঠিত চতুর্থ গ্লোবাল মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ‘২০২৭ সালের মধ্যে সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচের আদলে বাংলাদেশে একটি সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হবে।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঈদে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে তরুণদের ৯ সুপারিশ

প্রকাশের সময় : ০৬:৪১:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ মার্চ ২০২৫

ঈদে বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনার ভয়। গত বছর দেশে ঈদুল ফিতরের আগে ও পরের ১৭ দিনে ঘটেছিল ২৮৬টি সড়ক দুর্ঘটনা। এতে ৩২০ জন নিহত হয়েছিলেন। আহত হয়েছিলেন প্রায় ৪৬২ জন। এবারের ঈদে এমন সড়ক দুর্ঘটনা এড়াতে তরুণদের পক্ষ থেকে নয়টি সুপারিশ দেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য সেক্টরে সভাকক্ষে আহ্ছানিয়া মিশন ইয়ুথ ফোরাম ফর হেলথ অ্যান্ড ওয়েলবিংয়ের আয়োজনে ঈদযাত্রায় রোডক্র্যাশ কমাতে তরুণদের সুপারিশ নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বলা হয়, ঈদের ছুটিতে দেশে সড়ক দুর্ঘটনায় (রোডক্র্যাশ) হতাহতের ঘটনা বেড়ে যায়। কিন্তু কেন থামানো যাচ্ছে না রোডক্রাশ? কারণ এটা প্রতিরোধে এবং সড়কে সবাই নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন একটি উপযুক্ত আইন, যা বাংলাদেশে নেই। তাই একটি সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন এবং এর যথাযথ প্রয়োগ অতীব জরুরি। সড়ক দুর্ঘটনা কমাকে তারা নয়টি সুপারিশ তুলে ধরেন।

এতে বলা হয়, দেশের সড়ক ও যানবাহনের পরিস্থিতির কথা ভেবে নিরাপদ গতি নির্ধারণ করা উচিত এবং এই সংক্রান্ত ব্যবস্থাপনা গাইডলাইন অতিসত্ত্বর প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী উভয়েরই ঈদে চলাচলে মানসম্মত হেলমেট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। এবং অতিদ্রুত এ সংক্রান্ত এনফোর্সমেন্ট গাইডলাইন প্রণয়ন করতে হবে। সড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল বন্ধ করতে হবে।

অবশ্যই চালকদের কর্মঘণ্টা নিশ্চিত করতে হবে। যাতে ঈদযাত্রায় চালকরা পর্যাপ্ত বিশ্রাম পান। ঈদযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মহাসড়কে নছিমন, করিমন, টেম্পুসহ সকল প্রকার ব্যাটারিচালিত যানবাহন ও ভটভটি চলাচল বন্ধ করতে হবে। নেশা জাতীয়দ্রব্য সেবন করে যাতে গাড়ি না চালায় সেদিকে কঠোর নজরদারি রাখতে হবে। ঈদযাত্রায় যানবাহনে চালকসহ সব যাত্রীর সিটবেল্ট ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। পরিবহনের পাশাপাশি পথচারী পারাপার ও তাদের নিরাপদে চলাচলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। যেমন-ফুটপাত হকারমুক্ত করতে হবে। ফুটওভারব্রিজ পথচারীবান্ধব করতে হবে। সর্বোপরি, বিশ্বব্যাপী সমাদৃত সেইফ সিস্টেম এপ্রোচের আদলে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।

ঈদযাত্রাসহ দেশে সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে ইয়ুথ ফোরামের পক্ষ থেকে মারজানা মুনতাহা, এ এফ এম সাদমান সাকিব, বাংলাদেশ মেডিক্যাল স্টুডেন্ট সোসাইটির জাকিয়া মাইশা ও নিশাত তারান্নুম, বাংলাদেশ ডিবেট ফেডারেশনের ইশতিয়াক ইমন, মিশন গ্রিন বাংলাদেশের আহ্সান রনিসহ বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক তরুণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত থেকে সুপারিশগুলো বাস্তবায়নে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

যদিও গত ১৯ ফেব্রুয়ারি রোডসেফটি বিষয়ে মরক্কোর মারাকাসে অনুষ্ঠিত চতুর্থ গ্লোবাল মিনিস্ট্রিয়াল কনফারেন্সে গৃহায়ন ও গণপূর্ত এবং শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, ‘২০২৭ সালের মধ্যে সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচের আদলে বাংলাদেশে একটি সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়ন করা হবে।’