Dhaka ০৮:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাবিতে মুজিব পরিবারের নাম মুছে নতুন নামকরণ করলেন শিক্ষার্থীরা 

রাবি প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১১:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 274

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: video; hw-remosaic: false; touch: (-1.0, -1.0); sceneMode: 0; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 421.72583; aec_lux_index: 0; albedo: ; confidence: ; motionLevel: -1; weatherinfo: null; temperature: 32;

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নির্মাণাধীন দুই হলসহ মোট চারটি আবাসিক হল এবং শেখ রাসেল স্কুল মডেল স্কুলের নামফলক ভেঙে নতুন নাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জোহা চত্বরে মিলিত হয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে পর্যায়ক্রমে চারটি হল ও স্কুলে গিয়ে নেমপ্লেট, উদ্ভোদনী ফলকে ভাঙচুর করেন। রাত ১১টার পরে কর্মর্সূচি শেষ হয়।
নামফলক ভেঙে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম দেওয়া হয়েছে বিজয়-২৪ হল, নির্মাণাধীন এ এইচ এম কামরুজ্জামান হলকে শহীদ আলী রায়হান হল ও শেখ হাসিনা হলের নাম দিয়েছেন ফতিমা আল-ফিহরিয়া, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলকে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল এবং শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নামফলকও ভাঙচুর করে রিয়াগোপ মডেল স্কুল নাম দেন শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচিতে ‘ফাসি ফাসি ফাসি চাই, খুনি হাসিনার ফাসি চাই’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ, মুজিববাদ মুর্দাবাদ’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘আমার সোনার বাংলায়, মুজিববাদের ঠাই নাই’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাত ৯টার দিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জোহা চত্বরে মিলিত হতে শুরু করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে উপস্থিত হন। এসময় তারা হলটির নামফলক, উদ্বোধনী ফলকসহ শেখ মুজিবের চিহ্ন সম্বলিত স্থাপনাগুলো ভেঙে দেন। পর্যায়ক্রমে নির্মাণাধীন এ এইচ এম কামারুজ্জামান হল ও শেখ হাসিনা হলের নামফলক ভেঙে দেন। এরপর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের হলের নামফলক ভেঙে নতুন নাম দিতে গেলে ওই হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে বিপত্তি সৃষ্টি হয়। ছাত্রীরা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় সেখানে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরে আসলে প্রক্টরের উপস্থিতিতে হলের ছাত্রীরা পরিবর্তীত নামের ব্যানার আগুন জ¦ালিয়ে পুড়িয়ে দেন। সর্বশেষ শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নামফলকও ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাবি সমন্বয়ক ফাহিম রেজা বলেন, আমার ভাইদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ শুকানোর আগেই খুনি হাসিনা পুনরুজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপ্লবী শিক্ষার্থীরা খুনি হাসিনার সাংস্কৃতিক বিচরণ মুছে ফেলতেই এ কর্মসূচি পালন করলাম।
শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, আজকে যা যা হয়েছে তার সাথে প্রশাসনের কোন সম্পৃক্ততা নেই। আর প্রশাসন যদি কোন হলের নাম পরিবর্তন ও করে সেটা সিন্ডিকেট মিটিং এ পাশ হয়ে তারপর পরিবর্তন হবে।
Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাবিতে মুজিব পরিবারের নাম মুছে নতুন নামকরণ করলেন শিক্ষার্থীরা 

প্রকাশের সময় : ১১:১৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) নির্মাণাধীন দুই হলসহ মোট চারটি আবাসিক হল এবং শেখ রাসেল স্কুল মডেল স্কুলের নামফলক ভেঙে নতুন নাম দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বুধবার রাত ৯টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জোহা চত্বরে মিলিত হয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পরে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে পর্যায়ক্রমে চারটি হল ও স্কুলে গিয়ে নেমপ্লেট, উদ্ভোদনী ফলকে ভাঙচুর করেন। রাত ১১টার পরে কর্মর্সূচি শেষ হয়।
নামফলক ভেঙে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের নাম দেওয়া হয়েছে বিজয়-২৪ হল, নির্মাণাধীন এ এইচ এম কামরুজ্জামান হলকে শহীদ আলী রায়হান হল ও শেখ হাসিনা হলের নাম দিয়েছেন ফতিমা আল-ফিহরিয়া, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলকে নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল এবং শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নামফলকও ভাঙচুর করে রিয়াগোপ মডেল স্কুল নাম দেন শিক্ষার্থীরা।
কর্মসূচিতে ‘ফাসি ফাসি ফাসি চাই, খুনি হাসিনার ফাসি চাই’, ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ, মুজিববাদ মুর্দাবাদ’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘আমার সোনার বাংলায়, মুজিববাদের ঠাই নাই’ সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাত ৯টার দিকে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা জোহা চত্বরে মিলিত হতে শুরু করেন। পরবর্তীতে সেখান থেকে মিছিল নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের সামনে উপস্থিত হন। এসময় তারা হলটির নামফলক, উদ্বোধনী ফলকসহ শেখ মুজিবের চিহ্ন সম্বলিত স্থাপনাগুলো ভেঙে দেন। পর্যায়ক্রমে নির্মাণাধীন এ এইচ এম কামারুজ্জামান হল ও শেখ হাসিনা হলের নামফলক ভেঙে দেন। এরপর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের হলের নামফলক ভেঙে নতুন নাম দিতে গেলে ওই হলের আবাসিক শিক্ষার্থীদের সাথে বিপত্তি সৃষ্টি হয়। ছাত্রীরা ভুয়া ভুয়া স্লোগান দিতে থাকেন। এসময় সেখানে ইটপাটকেল ছোড়াছুড়ির ঘটনাও ঘটে। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা সরে আসলে প্রক্টরের উপস্থিতিতে হলের ছাত্রীরা পরিবর্তীত নামের ব্যানার আগুন জ¦ালিয়ে পুড়িয়ে দেন। সর্বশেষ শেখ রাসেল মডেল স্কুলের নামফলকও ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা।
জানতে চাইলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের রাবি সমন্বয়ক ফাহিম রেজা বলেন, আমার ভাইদের রক্তে রঞ্জিত রাজপথ শুকানোর আগেই খুনি হাসিনা পুনরুজ্জীবিত হওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপ্লবী শিক্ষার্থীরা খুনি হাসিনার সাংস্কৃতিক বিচরণ মুছে ফেলতেই এ কর্মসূচি পালন করলাম।
শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বলেন, আজকে যা যা হয়েছে তার সাথে প্রশাসনের কোন সম্পৃক্ততা নেই। আর প্রশাসন যদি কোন হলের নাম পরিবর্তন ও করে সেটা সিন্ডিকেট মিটিং এ পাশ হয়ে তারপর পরিবর্তন হবে।