Dhaka ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাংলাদেশে আল কায়েদার উপস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের রিপোর্ট অনুমাননির্ভর : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অসুস্থ হওয়ায় রাস্তায় ফেলে যান স্ত্রী, সেই প্রবাসীর মৃত্যু বদলে গেল অর্থবছর, ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণ জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান কোনো গোষ্ঠীর একক অর্জন নয় : ববি হাজ্জাজ ৩০০ টাকার কাঁচা মরিচ এখন ১০০ টাকা, ১০ দিনে আমদানি ২৩৩ টন ‘স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর দেশে ১৮০ দিন পার করাই সরকারের বড় অর্জন’ উপসচিব হলেন ২৭৭ কর্মকর্তা গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের জামিন নামঞ্জুর ঢাকায় লিথুয়ানিয়ার ভিসা সেন্টার খোলার অনুরোধ পররাষ্ট্র উপদেষ্টার বাংলাদেশ প্রাক্তন সৈনিক সংস্থার বার্ষিক সভা অনুষ্ঠিত

৪০০ বছরের গাছের অজানা কাহিনি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 407

 

ফেনী শহরের দাউদপুর ব্রিজের পাশেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৪০০ বছরের পুরনো ‘বট কড়ই গাছ’। শহরের প্রবেশমুখ হওয়ায় বিশালাকৃতির এ গাছটি যে-কারও নজর কাড়ে। জনশ্রুতি রয়েছে, এ গাছের নিচে বসেই কবিতা লিখেছেন বাংলা সাহিত্যের প্রাক-রবীন্দ্রযুগের অন্যতম উল্লেখ্যযোগ্য কবি নবীনচন্দ্র সেন। ধারণা করা হয়, ১৫৪০ থেকে ১৫৪৫ সালের মধ্যে শের শাহ সুরি ‘সড়ক-এ-আজম’ নামে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড প্রতিষ্ঠা করেন। ওই সময়ে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ঘোড়ার মাধ্যমে যাতায়াত করত। তাদের বিশ্রামের জন্যই এ সড়কে বেশ কিছু গাছ রোপণ করা হয়। কালক্রমে সব গাছ মারা গেলেও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে বট কড়ই গাছটি। প্রতি সন্ধ্যায় এ গাছে হরেকরকম পাখির কলরবে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। আশপাশ সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচর্যা করা হলে ক্ষতি থেকে গাছটি রক্ষা পাবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। শহরের উকিলপাড়ার বাসিন্দা এখলাছ উদ্দিন বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই গাছটি আমরা এভাবে দেখে আসছি। বাবার বাবাও এ গাছটি দেখেছিলেন। এ গাছটি সম্পর্কে দাদা-নানারা অনেক কিচ্ছাকাহিনি শোনাতেন আমাদের।’ বয়োবৃদ্ধ করিম মিয়া বলেন, ‘গাছটির নিচে একসময় দূরদূরান্তের ভ্রমণার্থীরা রাতযাপন করত, বিশ্রাম নিত। আশপাশের অভিজাতরা বিশ্রামার্থীদের আদর-আপ্যায়নের আয়োজন করত।’ সাংবাদিক জসিম ফরায়েজী বলেন, ‘ইতিহাসের নীরব সাক্ষী কড়ই গাছটি পরগাছায় ছেয়ে গেছে। অযতেœ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ডালপালা। আগাছা দ্রুত পরিষ্কার করা না হলে কালের সাক্ষী এ গাছটি হারিয়ে যাবে। সঠিক পরিচর্যা ও পদক্ষেপ হাতে না নিলে নতুন প্রজন্ম এ বৃক্ষের ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ হারাবে।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৪০০ বছরের গাছের অজানা কাহিনি

প্রকাশের সময় : ০৬:০৫:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৫

 

ফেনী শহরের দাউদপুর ব্রিজের পাশেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৪০০ বছরের পুরনো ‘বট কড়ই গাছ’। শহরের প্রবেশমুখ হওয়ায় বিশালাকৃতির এ গাছটি যে-কারও নজর কাড়ে। জনশ্রুতি রয়েছে, এ গাছের নিচে বসেই কবিতা লিখেছেন বাংলা সাহিত্যের প্রাক-রবীন্দ্রযুগের অন্যতম উল্লেখ্যযোগ্য কবি নবীনচন্দ্র সেন। ধারণা করা হয়, ১৫৪০ থেকে ১৫৪৫ সালের মধ্যে শের শাহ সুরি ‘সড়ক-এ-আজম’ নামে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড প্রতিষ্ঠা করেন। ওই সময়ে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ ঘোড়ার মাধ্যমে যাতায়াত করত। তাদের বিশ্রামের জন্যই এ সড়কে বেশ কিছু গাছ রোপণ করা হয়। কালক্রমে সব গাছ মারা গেলেও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে বট কড়ই গাছটি। প্রতি সন্ধ্যায় এ গাছে হরেকরকম পাখির কলরবে মুখর হয়ে ওঠে পুরো এলাকা। আশপাশ সৌন্দর্যবর্ধন ও পরিচর্যা করা হলে ক্ষতি থেকে গাছটি রক্ষা পাবে বলে মনে করেন স্থানীয়রা। শহরের উকিলপাড়ার বাসিন্দা এখলাছ উদ্দিন বলেন, ‘জন্মের পর থেকেই গাছটি আমরা এভাবে দেখে আসছি। বাবার বাবাও এ গাছটি দেখেছিলেন। এ গাছটি সম্পর্কে দাদা-নানারা অনেক কিচ্ছাকাহিনি শোনাতেন আমাদের।’ বয়োবৃদ্ধ করিম মিয়া বলেন, ‘গাছটির নিচে একসময় দূরদূরান্তের ভ্রমণার্থীরা রাতযাপন করত, বিশ্রাম নিত। আশপাশের অভিজাতরা বিশ্রামার্থীদের আদর-আপ্যায়নের আয়োজন করত।’ সাংবাদিক জসিম ফরায়েজী বলেন, ‘ইতিহাসের নীরব সাক্ষী কড়ই গাছটি পরগাছায় ছেয়ে গেছে। অযতেœ ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ডালপালা। আগাছা দ্রুত পরিষ্কার করা না হলে কালের সাক্ষী এ গাছটি হারিয়ে যাবে। সঠিক পরিচর্যা ও পদক্ষেপ হাতে না নিলে নতুন প্রজন্ম এ বৃক্ষের ইতিহাস সম্পর্কে জানার সুযোগ হারাবে।’