Dhaka ০৮:৫০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নিরপরাধ কাউকে হয়রানি না করতে পুলিশের প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ পাংশায় ড্রাম ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত দাদা-দাদির কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত বৃষ্টি মমতার বিশ্বস্ত সহকর্মী থেকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী, শুভেন্দুর উত্থানের গল্প কালুখালীতে ৫ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন পুলিশকে প্রযুক্তি নির্ভর বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান রাষ্ট্রপতির বাজে বোলিংয়ে হতাশায় দিন শেষ করল বাংলাদেশ জন্মের ১০ মাস পর বাবাকে দেখল শিশু, তাও কফিনবন্দি আসামে পরপর দুইবার ভূমিকম্প, বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলেও অনুভূত ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য সুযোগ, ২ শতাংশ জমা দিলেই নিয়মিত হবে খেলাপি ঋণ

দুস্থ মানুষের হাসিতেই তাদের আনন্দ

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১
  • / 332

জনতার আদালত অনলাইন ॥ ঈদে দুস্থ দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে তারা। রমজানের শুরু থেকে নামমাত্র  মূল্যে  পাঁচ টাকার বিনিময়ে ইফতার বিতরণের পর এবার শিশুদের পোশাক দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।

রাজবাড়ী শহরের প্রাণকেন্দ্র রেলগেট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি চত্ত্বর থেকে প্রতিদিন দুস্থ, প্রতিবন্ধী, হতদরিদ্র রোজাদার মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে ইফতার। যেসব হতদরিদ্র সারাদিন রোজা রেখে  সন্ধ্যায় প্রয়োজন মত ইফতার  করার সামর্থ্য রাখেনা তাদের মাঝেই এসব ইফতার বিতরণ করা হয়।

তবে  মহান একার্যটি  কোনো সংগঠনের ব্যানারে নয়। রাজবাড়ীর বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত কয়েকজন  মানুষ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে এ মহান উদ্যোগ নিয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন কবি নেহাল আহমেদ, রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরতাজ তাজিয়া,  শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ দাস, সংগীত শিল্পী সংগীতা সাহা, অক্রোবেটিক প্রশিক্ষক সঞ্জয় ভৌমিক, সমাজকর্মী তনজিনা সুলতানা, শায়লা তাবাসসুম নেওয়াজ,  ব্যবসায়ী অমিত সাহা।

জানা গেছে,  প্রথম দিকে দুস্থদের কাছ থেকে পাঁচ টাকা করে নেওয়া হলেও এখন আর নেওয়া হচ্ছে না। ঈদ সমাগত। একারণে দুস্থ শিশুদের মাঝে  নতুন পোশাক বিতরণও শুরু হয়েছে। উদ্যোক্তারা তাদের  আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধবের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, তাদের ছেলেমেয়েরা ঈদে বাড়তি পোশাক পেলে একটি যেন বিতরণ করে। এ আহ্বানে অনেকেই সাড়া দিয়েছেন।

কর্মসূচীর অন্যতম উদ্যোক্তা কবি নেহাল আহমেদ জানান, প্রতিদিন তার বাসাতেই রান্না করা হয়। ইফতারে খিচুরি, ডিম,  মাংস এবং খেজুর দেওয়া হয়। তার পরিবারের সদস্য এবং কয়েকজন শুভাকাক্সিক্ষ মিলে প্যাকেটজাত করেন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি যাদের সামর্থ্য আছে তারা যদি প্রত্যেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ায় তাহলে আমরা অভাবকে পরাজিত করতে পারবো। দুস্থদের মুখে হাসি ফোটাতেই আমাদের যত আনন্দ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

দুস্থ মানুষের হাসিতেই তাদের আনন্দ

প্রকাশের সময় : ০৮:৩০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ মে ২০২১

জনতার আদালত অনলাইন ॥ ঈদে দুস্থ দুস্থ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে নিরন্তর প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে তারা। রমজানের শুরু থেকে নামমাত্র  মূল্যে  পাঁচ টাকার বিনিময়ে ইফতার বিতরণের পর এবার শিশুদের পোশাক দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছেন তারা।

রাজবাড়ী শহরের প্রাণকেন্দ্র রেলগেট শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি চত্ত্বর থেকে প্রতিদিন দুস্থ, প্রতিবন্ধী, হতদরিদ্র রোজাদার মানুষের মাঝে বিতরণ করা হচ্ছে ইফতার। যেসব হতদরিদ্র সারাদিন রোজা রেখে  সন্ধ্যায় প্রয়োজন মত ইফতার  করার সামর্থ্য রাখেনা তাদের মাঝেই এসব ইফতার বিতরণ করা হয়।

তবে  মহান একার্যটি  কোনো সংগঠনের ব্যানারে নয়। রাজবাড়ীর বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত কয়েকজন  মানুষ ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে একত্রিত হয়ে এ মহান উদ্যোগ নিয়েছে। এদের মধ্যে রয়েছেন কবি নেহাল আহমেদ, রাজবাড়ী সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নুরতাজ তাজিয়া,  শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, শিক্ষক ধীরেন্দ্র নাথ দাস, সংগীত শিল্পী সংগীতা সাহা, অক্রোবেটিক প্রশিক্ষক সঞ্জয় ভৌমিক, সমাজকর্মী তনজিনা সুলতানা, শায়লা তাবাসসুম নেওয়াজ,  ব্যবসায়ী অমিত সাহা।

জানা গেছে,  প্রথম দিকে দুস্থদের কাছ থেকে পাঁচ টাকা করে নেওয়া হলেও এখন আর নেওয়া হচ্ছে না। ঈদ সমাগত। একারণে দুস্থ শিশুদের মাঝে  নতুন পোশাক বিতরণও শুরু হয়েছে। উদ্যোক্তারা তাদের  আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধবের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন, তাদের ছেলেমেয়েরা ঈদে বাড়তি পোশাক পেলে একটি যেন বিতরণ করে। এ আহ্বানে অনেকেই সাড়া দিয়েছেন।

কর্মসূচীর অন্যতম উদ্যোক্তা কবি নেহাল আহমেদ জানান, প্রতিদিন তার বাসাতেই রান্না করা হয়। ইফতারে খিচুরি, ডিম,  মাংস এবং খেজুর দেওয়া হয়। তার পরিবারের সদস্য এবং কয়েকজন শুভাকাক্সিক্ষ মিলে প্যাকেটজাত করেন।

তিনি বলেন, আমি মনে করি যাদের সামর্থ্য আছে তারা যদি প্রত্যেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ায় তাহলে আমরা অভাবকে পরাজিত করতে পারবো। দুস্থদের মুখে হাসি ফোটাতেই আমাদের যত আনন্দ।