Dhaka ০৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বেসরকারি খাত ও সরকারের মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারিত্ব জরুরি: অর্থমন্ত্রী জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ মাধ্যমিক শিক্ষক মধুখালীর মনিরুল ইসলাম মালয়েশিয়ায় ‘যেমনে-তেমনে’ কর্মী পাঠানো যাবে না: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষা বিষয়ক কর্মশালা কোটালীপাড়ায় শিশু কল্যাণ বোর্ডের অর্ধবার্ষিক সভা সাব-রেজিস্ট্রার বদলিতে স্বচ্ছতা আনতে লটারি পদ্ধতি চালু : আইনমন্ত্রী বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে জুতোর মালা, নিন্দা ও ক্ষোভ ‘জ্বালানি তেলের দাম কমে স্থিতিশীল হলে সমন্বয়ের কথা ভাববে সরকার’ ডেঙ্গুতে একদিনে রেকর্ড ১০ জনের মৃত্যু বাংলাদেশিদের শ্রম ভিসা সাময়িক বন্ধ করল লাওস
সদরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবি

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

একরামুল ইসলাম তুষার, কালীগঞ্জ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / 88

“ঝিনাইদহের সার্বিক উন্নয়নে সব করবো, তবে মেডিকেল কলেজ নয়”—আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের এমন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে মেডিকেল কলেজ জেলা শহরের পরিবর্তে শৈলকুপা উপজেলায় স্থাপনের আশঙ্কা প্রকাশ করে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে ‘আমরা ঝিনাইদহবাসী’ ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলিম, সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, চিকিৎসক ডা. কামাল হোসেন ও ডা. মনিরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম এ কবির, ব্যবসায়ী সবুর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর বলেন, ঝিনাইদহে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন ও জনমত গড়ে তুলছে। সম্প্রতি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে শৈলকুপা উপজেলায় স্থান নির্বাচন করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে জেলার কেন্দ্রস্থল এবং অধিকাংশ মানুষের সহজ যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা উচিত।

বক্তারা বলেন, জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে জেলার সব উপজেলার মানুষ সমানভাবে স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে জেলা সদর থেকে দূরে মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে না এবং স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণেও ভোগান্তি বাড়বে।

মানববন্ধন থেকে জনস্বার্থ ও জনগণের সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দাবি উপেক্ষা করা হলে জেলাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি-সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জোর দাবি জানান।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সদরে মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবি

আইনমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রতিবাদে ঝিনাইদহে মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৮:১৫:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

“ঝিনাইদহের সার্বিক উন্নয়নে সব করবো, তবে মেডিকেল কলেজ নয়”—আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামানের এমন বক্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে মেডিকেল কলেজ জেলা শহরের পরিবর্তে শৈলকুপা উপজেলায় স্থাপনের আশঙ্কা প্রকাশ করে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন জেলার সর্বস্তরের মানুষ।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ঝিনাইদহ শহরের পায়রা চত্বরে ‘আমরা ঝিনাইদহবাসী’ ব্যানারে আয়োজিত এ মানববন্ধনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

ঘণ্টাব্যাপী কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন ঝিনাইদহ-২ আসনের সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আব্দুল আলিম, সেক্রেটারি আব্দুল আওয়াল, চিকিৎসক ডা. কামাল হোসেন ও ডা. মনিরুল ইসলাম, ঝিনাইদহ সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সহ-সভাপতি এবং জেলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি এম এ কবির, ব্যবসায়ী সবুর মিয়া, সাধারণ সম্পাদক আবুল বাশারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সংসদ সদস্য আলী আজম মো. আবু বকর বলেন, ঝিনাইদহে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার দাবিতে জেলাবাসী দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন ও জনমত গড়ে তুলছে। সম্প্রতি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জন্য জেলা শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে শৈলকুপা উপজেলায় স্থান নির্বাচন করা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। তবে জেলার কেন্দ্রস্থল এবং অধিকাংশ মানুষের সহজ যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা উচিত।

বক্তারা বলেন, জেলা শহরে মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হলে জেলার সব উপজেলার মানুষ সমানভাবে স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা শিক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। অন্যদিকে জেলা সদর থেকে দূরে মেডিকেল কলেজ স্থাপন করা হলে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা পূরণ হবে না এবং স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণেও ভোগান্তি বাড়বে।

মানববন্ধন থেকে জনস্বার্থ ও জনগণের সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানানো হয়। একই সঙ্গে দাবি উপেক্ষা করা হলে জেলাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর ও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।

কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন দাবি-সংবলিত ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করে ঝিনাইদহ সদরেই মেডিকেল কলেজ স্থাপনের জোর দাবি জানান।