Dhaka ০৪:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবককে মারধর বাংলাদেশ এখন কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার: ইইউ রাষ্ট্রদূত যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর নওগাঁ সীমান্তে ১৯ বোতল ভারতীয় মদ উদ্ধার বাড়িভাড়া আকাশছোঁয়া, বিক্ষোভে উত্তাল স্পেনের রাজপথ দেশের জ্বালানি সংকট মোকাবিলা ও অবকাঠামো সংস্কারে অংশ নিতে চায় বিশ্বব্যাংক ফেনীতে অভিযান চলাকালে ট্রাকের ধাক্কায় এসআরবি সদস্য নিহত নোয়াখালীতে বারবিকিউ পার্টিতে মদপানে যুবকের মৃত্যু, গুরুতর অসুস্থ ৪

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:২২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬
  • / 108

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন। জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক ঝুঁকি ও দুর্বলতা মোকাবিলায় সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ফার্মার্স কার্ড’সহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি চলমান তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান।

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। তাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন তিনি কামনা করেন।

বৈঠকে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদান ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই একমাত্র সমাধান : জাতিসংঘে শামা ওবায়েদ

প্রকাশের সময় : ০২:২২:৪৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, টেকসই উন্নয়ন, শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘের রাজনৈতিক, শান্তি প্রতিষ্ঠা ও শান্তিরক্ষা কার্যক্রম বিভাগের মধ্যপ্রাচ্য, এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন।

বৈঠকে তিনি বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের অগ্রাধিকারগুলো তুলে ধরেন। জনগণের আস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠা, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণ, জনসেবার মানোন্নয়ন এবং মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখার বিষয়ে সরকারের অঙ্গীকারের কথা উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, সংশ্লিষ্ট জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক ঝুঁকি ও দুর্বলতা মোকাবিলায় সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘ফার্মার্স কার্ড’সহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের ভূমিকার কথা তুলে ধরে তিনি চলমান তারল্য সংকটের মধ্যেও শান্তিরক্ষা ম্যান্ডেট বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি সংঘাত-পরবর্তী পরিস্থিতিতে নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর প্রয়োজনীয়তার কথাও জানান।

মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে শামা ওবায়েদ বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনই এই সংকটের একমাত্র কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান। তাদের প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অব্যাহত সহযোগিতা ও সমর্থন তিনি কামনা করেন।

বৈঠকে জাতিসংঘের সহকারী মহাসচিব খালেদ খিয়ারি শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের অবদান ও বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা উদ্যোগে নারীদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশের ভূমিকার প্রশংসা করেন।