Dhaka ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ অক্টোবর ২০২৬, ২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
২৫ হাজার মিডওয়াইফ নিয়োগে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ভারতে যুবকের দেহে মিলল নারীর প্রজনন অঙ্গ, বিস্মিত চিকিৎসকেরা মারা গেলেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ দল আওয়ামী লীগের গোপালগঞ্জ জেলা সভাপতি রাশিয়া ও ইউক্রেন জ্বালানি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে: ট্রাম্প তিন বছরের শিশুকে শ্বাসরোধ করে হত্যা, লাশ লুকানো হয় ঘরের আলনার পেছনে জনগণের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলাকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে সরকার: ত্রাণমন্ত্রী বালিয়াকান্দীতে ঐতিহ্যবাহী লাঠিখেলা দেখতে হাজারো মানুষের ভিড় মান্দায় বৃদ্ধকে ফাঁদে ফেলে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ, গ্রেফতার ১ শৈলকুপায় ইটভাটায় ট্রাক্টরচাপায় মাদ্রাসাছাত্রের মৃত্যু

নাহিদ ইসলাম নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
  • / 129

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন অভিযোগ করে বলেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন লেখেন, সংসদে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। আমি ধরেই নিলাম তিনি নিজে কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়াননি। কিন্তু তিনি দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনেকে ও সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্যে জড়িয়েছেন। এমনকি তার সাবেক পিও আতিক মোর্শেদের কর্মকাণ্ড নিয়েও অনেক অভিযোগ অনুযোগ গণমাধ্যমে এসেছে।

তিনি লেখেন, এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় নিজস্ব সার্কেলের লোক বসানো ও নিজের মন্ত্রণালয়ের বাইরেও অন্য মন্ত্রণালয়ের রদবদলেও তিনি প্রভাব বিস্তার করেছেন। তাদের কারও কারও বিরুদ্ধে পরবর্তীতে বেশকিছু অভিযোগ গণমাধ্যম এসেছে।

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখেন, তিনি নিজেও বলেছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়েছি। এসব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আসছে। নাহিদ ইসলাম তাদের নিয়োগ কর্তা ছিলেন। সুতরাং তিনি কি এসবের দায় এড়াতে পারেন?

তিনি লেখেন, এছাড়া তিনি নিজেই বলেছিলেন, বিভিন্ন ধনী ব্যক্তিরা এনসিপিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন! সেই ধনী ব্যক্তি আসলে কারা? তারা কি এমনি এমনি এনসিপিকে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছেন?

অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন লেখেন, শেখ বশির উদ্দিন তো এমন কোনো ব্যক্তি ছিলেন না যে, তাকে গণঅভ্যুত্থানের সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা করা লাগবে। তাকে কেন বাণিজ্য উপদেষ্টা করা হয়েছিলো? তার শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে এনসিপি কি প্রতিনিয়ত অনুদান পেয়ে থাকে? আর সবথেকে বড় বিষয় তিনি উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন সময়ে এনসিপি গঠন করেছেন। এটা বড় ধরনের নৈতিক অপরাধ।

তিনি লেখেন, তিনি যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, সেই তথ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো সংস্কার হয়েছিলো? এই মন্ত্রণালয়ের ১৬ বছরের দুর্নীতির তথ্য তিনি জানাতে পেরেছিলেন? বরং তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সময় যাকে তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে বসিয়ে আসলেন, তিনি দুটো টেলিভিশন চ্যানেলকে শেখ হাসিনার আমলের আইনে লাইসেন্স দিলেন। এর দায় কি নাহিদ ইসলাম এড়াতে পারেন?এছাড়া তিনি বিচার, সংস্কার ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার অঙ্গীকার করে সরকারে গিয়েছিলেন, কিন্তু এসবের কিছু না করেই আবার পদত্যাগ করলেন। সুতরাং নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নাহিদ ইসলাম নৈতিক অপরাধ করেছেন: রাশেদ খাঁন

প্রকাশের সময় : ০২:১১:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান বিএনপি নেতা রাশেদ খাঁন অভিযোগ করে বলেছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপির) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন।

বুধবার (২৯ এপ্রিল) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাশেদ খাঁন লেখেন, সংসদে দাঁড়িয়ে নাহিদ ইসলাম দুর্নীতির প্রমাণ চেয়েছেন। আমি ধরেই নিলাম তিনি নিজে কোনো দুর্নীতির সঙ্গে জড়াননি। কিন্তু তিনি দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অনেকে ও সরকার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা দুর্নীতি, তদবির বাণিজ্যে জড়িয়েছেন। এমনকি তার সাবেক পিও আতিক মোর্শেদের কর্মকাণ্ড নিয়েও অনেক অভিযোগ অনুযোগ গণমাধ্যমে এসেছে।

তিনি লেখেন, এছাড়া বিভিন্ন জায়গায় নিজস্ব সার্কেলের লোক বসানো ও নিজের মন্ত্রণালয়ের বাইরেও অন্য মন্ত্রণালয়ের রদবদলেও তিনি প্রভাব বিস্তার করেছেন। তাদের কারও কারও বিরুদ্ধে পরবর্তীতে বেশকিছু অভিযোগ গণমাধ্যম এসেছে।

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লেখেন, তিনি নিজেও বলেছিলেন, কয়েকজন উপদেষ্টাকে বিশ্বাস করে প্রতারিত হয়েছি। এসব উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে বর্তমানে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ আসছে। নাহিদ ইসলাম তাদের নিয়োগ কর্তা ছিলেন। সুতরাং তিনি কি এসবের দায় এড়াতে পারেন?

তিনি লেখেন, এছাড়া তিনি নিজেই বলেছিলেন, বিভিন্ন ধনী ব্যক্তিরা এনসিপিকে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন! সেই ধনী ব্যক্তি আসলে কারা? তারা কি এমনি এমনি এনসিপিকে চাঁদা দিয়ে যাচ্ছেন?

অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টাকে নিয়ে প্রশ্ন তুলে রাশেদ খাঁন লেখেন, শেখ বশির উদ্দিন তো এমন কোনো ব্যক্তি ছিলেন না যে, তাকে গণঅভ্যুত্থানের সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা করা লাগবে। তাকে কেন বাণিজ্য উপদেষ্টা করা হয়েছিলো? তার শিল্প প্রতিষ্ঠান থেকে এনসিপি কি প্রতিনিয়ত অনুদান পেয়ে থাকে? আর সবথেকে বড় বিষয় তিনি উপদেষ্টা পদে থাকাকালীন সময়ে এনসিপি গঠন করেছেন। এটা বড় ধরনের নৈতিক অপরাধ।

তিনি লেখেন, তিনি যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন, সেই তথ্য মন্ত্রণালয়ের কোনো সংস্কার হয়েছিলো? এই মন্ত্রণালয়ের ১৬ বছরের দুর্নীতির তথ্য তিনি জানাতে পেরেছিলেন? বরং তিনি দায়িত্ব ছাড়ার সময় যাকে তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে বসিয়ে আসলেন, তিনি দুটো টেলিভিশন চ্যানেলকে শেখ হাসিনার আমলের আইনে লাইসেন্স দিলেন। এর দায় কি নাহিদ ইসলাম এড়াতে পারেন?এছাড়া তিনি বিচার, সংস্কার ও সুষ্ঠু নির্বাচন করার অঙ্গীকার করে সরকারে গিয়েছিলেন, কিন্তু এসবের কিছু না করেই আবার পদত্যাগ করলেন। সুতরাং নাহিদ ইসলাম দুর্নীতি না করলেও নৈতিক অপরাধ করেছেন।