Dhaka ১২:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মমত্ববোধ দিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা সোনালী ব্যাংকের জুরাইনে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধনের আশা সংসদীয় কমিটির মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস কালীগঞ্জে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সংস্থা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 282

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আসছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা প্রায় এক সপ্তাহ ঢাকায় অবস্থান করে নির্বাচনের প্রস্তুতি, রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামগ্রিক প্রক্রিয়া সরেজমিনে মূল্যায়ন করবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর আইআরআই ও এনডিআই যৌথভাবে একটি প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনে অংশ নেয়। ওই সময় তারা ভোটার তালিকা হালনাগাদ, মৃত ভোটার অপসারণ এবং নতুন ভোটার সংযুক্তিসহ নির্বাচন কমিশনের কিছু অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে। পাশাপাশি জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষর ও আন্তঃদলীয় সংলাপের উদ্যোগকেও স্বাগত জানায়।

তবে একই সঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা, নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান নিয়ে মতভেদের কারণে প্রাক-নির্বাচনী পরিবেশ অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।

আইআরআই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, ভুয়া তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রতিরোধ এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। সংস্থাটির মতে, পর্যবেক্ষকদের সক্রিয় উপস্থিতি সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, আইআরআই অন্তত ১০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। আইআরআই ও এনডিআই অতীতেও বাংলাদেশের নির্বাচনে কাজ করেছে এবং নির্বাচন শেষে স্বাধীনভাবে তাদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ প্রকাশ করেছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণও দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসছে যুক্তরাষ্ট্রের দুই সংস্থা

প্রকাশের সময় : ১১:৫৮:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক দুই গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল রিপাবলিকান ইনস্টিটিউট (আইআরআই) ও ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ইনস্টিটিউট (এনডিআই) আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আগামী ফেব্রুয়ারিতে ঢাকায় আসছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, তারা প্রায় এক সপ্তাহ ঢাকায় অবস্থান করে নির্বাচনের প্রস্তুতি, রাজনৈতিক পরিবেশ এবং সামগ্রিক প্রক্রিয়া সরেজমিনে মূল্যায়ন করবে।

এর আগে ২০২৫ সালের ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর আইআরআই ও এনডিআই যৌথভাবে একটি প্রাক-নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনে অংশ নেয়। ওই সময় তারা ভোটার তালিকা হালনাগাদ, মৃত ভোটার অপসারণ এবং নতুন ভোটার সংযুক্তিসহ নির্বাচন কমিশনের কিছু অগ্রগতিকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে। পাশাপাশি জাতীয় সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর স্বাক্ষর ও আন্তঃদলীয় সংলাপের উদ্যোগকেও স্বাগত জানায়।

তবে একই সঙ্গে রাজনৈতিক সহিংসতা, নিরাপত্তা বাহিনী ও স্থানীয় প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। বিশেষ করে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান নিয়ে মতভেদের কারণে প্রাক-নির্বাচনী পরিবেশ অনিশ্চিত হয়ে উঠতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়।

আইআরআই নির্বাচনী প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, ভুয়া তথ্য ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট প্রতিরোধ এবং স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে। সংস্থাটির মতে, পর্যবেক্ষকদের সক্রিয় উপস্থিতি সহিংসতা প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
বিশ্বস্ত সূত্র জানায়, আইআরআই অন্তত ১০ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে। আইআরআই ও এনডিআই অতীতেও বাংলাদেশের নির্বাচনে কাজ করেছে এবং নির্বাচন শেষে স্বাধীনভাবে তাদের মূল্যায়ন ও সুপারিশ প্রকাশ করেছে। এবারের নির্বাচন পর্যবেক্ষণও দেশের জনগণ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।