Dhaka ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

জবি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যার ঘটনায় ছাত্রীর বয়ফ্রেন্ড গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫
  • / 97

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে একাধিক স্থানে অভিযান চালানোর পর সোমবার ভোরে মাহিরের মা নিজেই তাকে বংশাল থানায় সোপর্দ করেন, বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে মাহিরের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, রবিবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে পুরান ঢাকায় টিউশনিতে যাওয়ার পথে ছুরিকাঘাতে খুন হন জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন। পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে।

বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ছাত্রী বর্ষা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের প্রেমিক মাহির রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনের পর তিনি জোবায়েদকে পছন্দ করেন বলে মাহিরকে জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাহির তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে জোবায়েদকে হত্যা করে।

ওসি আরও বলেন, “বর্ষা ও মাহিরের নয় বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মাহির পড়ছে বোরহানউদ্দিন কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে, আর বর্ষা ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের সেকেন্ড ইয়ারের শিক্ষার্থী। শৈশব থেকেই তাদের সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। সম্প্রতি সম্পর্কের ভাঙনের পর বর্ষার মুখে জোবায়েদের নাম শুনে মাহির ক্ষোভে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।”

তবে পুলিশ জানিয়েছে, বর্ষা ও জোবায়েদের মধ্যে কোনো সরাসরি প্রেমের সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, এমনকি তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কোনো বার্তাও উদ্ধার হয়নি।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, “বর্ষাকে জিজ্ঞাসাবাদে দেখা গেছে, সে ছিল একেবারে শান্ত, কোনো উদ্বেগ বা অনুশোচনার চিহ্ন নেই। আমরা বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করছি।”

উল্লেখ্য, গতকাল বিকেলে জোবায়েদকে ছুরিকাঘাতের পর তিনতলা সিঁড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে তার মরদেহ মিডফোর্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ওই রাতেই ছাত্রী বর্ষাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জবি ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হত্যার ঘটনায় ছাত্রীর বয়ফ্রেন্ড গ্রেপ্তার

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ অক্টোবর ২০২৫

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা জোবায়েদ হোসেন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত ছাত্রী বার্জিস শাবনাম বর্ষার প্রেমিক মাহির রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১৯ অক্টোবর) রাতে একাধিক স্থানে অভিযান চালানোর পর সোমবার ভোরে মাহিরের মা নিজেই তাকে বংশাল থানায় সোপর্দ করেন, বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার (২০ অক্টোবর) দুপুরে মাহিরের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

এর আগে, রবিবার বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিটে পুরান ঢাকায় টিউশনিতে যাওয়ার পথে ছুরিকাঘাতে খুন হন জবি শিক্ষার্থী জোবায়েদ হোসেন। পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে।

বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ছাত্রী বর্ষা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের প্রেমিক মাহির রহমানের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙনের পর তিনি জোবায়েদকে পছন্দ করেন বলে মাহিরকে জানান। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে মাহির তার এক বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে জোবায়েদকে হত্যা করে।

ওসি আরও বলেন, “বর্ষা ও মাহিরের নয় বছরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মাহির পড়ছে বোরহানউদ্দিন কলেজে ফার্স্ট ইয়ারে, আর বর্ষা ঢাকা মহানগর মহিলা কলেজের সেকেন্ড ইয়ারের শিক্ষার্থী। শৈশব থেকেই তাদের সম্পর্ক ছিল ঘনিষ্ঠ। সম্প্রতি সম্পর্কের ভাঙনের পর বর্ষার মুখে জোবায়েদের নাম শুনে মাহির ক্ষোভে এই হত্যাকাণ্ড ঘটায়।”

তবে পুলিশ জানিয়েছে, বর্ষা ও জোবায়েদের মধ্যে কোনো সরাসরি প্রেমের সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া যায়নি, এমনকি তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের কোনো বার্তাও উদ্ধার হয়নি।

ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, “বর্ষাকে জিজ্ঞাসাবাদে দেখা গেছে, সে ছিল একেবারে শান্ত, কোনো উদ্বেগ বা অনুশোচনার চিহ্ন নেই। আমরা বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্ত করছি।”

উল্লেখ্য, গতকাল বিকেলে জোবায়েদকে ছুরিকাঘাতের পর তিনতলা সিঁড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। রাত ১০টা ৫০ মিনিটে তার মরদেহ মিডফোর্ড হাসপাতালে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। ওই রাতেই ছাত্রী বর্ষাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।