Dhaka ০১:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সব নাগরিককে এক ডিজিটাল আইডির আওতায় আনতে চায় সরকার : রেহান আসিফ ৯ বছর পর মুক্তি মিলছে গাজীপুর সাফারি পার্কের দুই লেপার্ডের ডিআইজিসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন ২৪ কর্মকর্তাকে বদলি সবার জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের পূর্বশর্ত : রাষ্ট্রপতি কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণে ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকতে হবে : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী গুণী শিক্ষক হিসেবে সংবর্ধনা পাচ্ছেন আব্দুর রাজ্জাক একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা!

জুলাই হত্যাযজ্ঞ মামলা: শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 100

জুলাই হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এবং সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী সোমবার (৬ অক্টোবর) থেকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীদের জেরা শুরু করবেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেলে মামলার শেষ তথা ৫৪তম সাক্ষী হিসেবে প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে আলমগীর জানান, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলনকারীদের ওপর প্রায় ৩ লাখ ৫ হাজার গুলি চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, আসামিরা এসব হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নেননি; বরং খুন, গুম ও দমননীতি চালিয়ে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছিলেন।

এর আগে আদালতে উপস্থাপন করা হয় যমুনা টেলিভিশন, বিবিসি ও আল জাজিরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত চারটি ভিডিওচিত্র। এসব প্রমাণে আন্দোলন দমনের নৃশংস চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রসিকিউটর তানভীর জোহা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ফোনে আন্দোলন দমনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট কলরেকর্ড মুছে ফেলেন এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সাবেক এক পরিকল্পনা মন্ত্রী।

প্রসিকিউশনের পক্ষে মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ ও আবদুস সাত্তার পালোয়ান শুনানিতে অংশ নেন। আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন সাক্ষীদের জেরা করবেন।

উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামাল এবং আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ গঠন করে।এতে ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার মামলাটিতে মোট ৮১ জন সাক্ষীকে তালিকাভুক্ত করা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জুলাই হত্যাযজ্ঞ মামলা: শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

প্রকাশের সময় : ০৬:১৬:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

জুলাই হত্যাযজ্ঞে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এবং সাবেক আইজিপি আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। আগামী সোমবার (৬ অক্টোবর) থেকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা সাক্ষীদের জেরা শুরু করবেন।

মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেলে মামলার শেষ তথা ৫৪তম সাক্ষী হিসেবে প্রধান তদন্ত কর্মকর্তা মো. আলমগীর জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে আলমগীর জানান, জুলাই-আগস্ট আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আন্দোলনকারীদের ওপর প্রায় ৩ লাখ ৫ হাজার গুলি চালায়। তিনি অভিযোগ করেন, আসামিরা এসব হত্যাকাণ্ড ঠেকাতে কোনো পদক্ষেপ নেননি; বরং খুন, গুম ও দমননীতি চালিয়ে ক্ষমতায় থাকার চেষ্টা করেছিলেন।

এর আগে আদালতে উপস্থাপন করা হয় যমুনা টেলিভিশন, বিবিসি ও আল জাজিরাসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত চারটি ভিডিওচিত্র। এসব প্রমাণে আন্দোলন দমনের নৃশংস চিত্র তুলে ধরা হয়। প্রসিকিউটর তানভীর জোহা অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনা ফোনে আন্দোলন দমনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। তবে সংশ্লিষ্ট কলরেকর্ড মুছে ফেলেন এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন এবং সাবেক এক পরিকল্পনা মন্ত্রী।

প্রসিকিউশনের পক্ষে মিজানুল ইসলাম, গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ ও আবদুস সাত্তার পালোয়ান শুনানিতে অংশ নেন। আসামিপক্ষের রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী আমির হোসেন সাক্ষীদের জেরা করবেন।

উল্লেখ্য, গত ১০ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান কামাল এবং আবদুল্লাহ আল মামুনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের পাঁচটি অভিযোগ গঠন করে।এতে ৮ হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার মামলাটিতে মোট ৮১ জন সাক্ষীকে তালিকাভুক্ত করা হয়।