Dhaka ০২:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মমত্ববোধ দিয়ে দেশ গড়ার আহ্বান স্বাস্থ্যমন্ত্রীর নতুন বিমান সচিব নূরুন্নাহার চৌধুরী নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উদ্যোগ নেয়ার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর ন্যাশনাল ব্যাংককে ৭ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা সোনালী ব্যাংকের জুরাইনে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিনের দাফন সম্পন্ন ফেব্রুয়ারিতে পদ্মা ব্যারাজ উদ্বোধনের আশা সংসদীয় কমিটির মালয়েশিয়ায় চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরলেন মির্জা আব্বাস কালীগঞ্জে জামায়াতের কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত কালীগঞ্জে ভোক্তা অধিকারের অভিযান, ৪ প্রতিষ্ঠানকে ২৬ হাজার টাকা জরিমানা দেশের কল্যাণে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাজ করা মানুষের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রধানমন্ত্রী

হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা: অন্তর্বর্তী সরকার

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫
  • / 280

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কিছু গণমাধ্যম ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করছে—এমন অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দণ্ডিত অপরাধী এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার অডিও বা বক্তব্য প্রচার ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং আদালতের রায়ের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও তার ঘৃণামূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে কিছু গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসকের বক্তব্য প্রচার করেছে, যেখানে তিনি মিথ্যা ও উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন। ভবিষ্যতে শেখ হাসিনার যেকোনো বক্তব্য প্রকাশ বা প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সরকার আরও জানায়, শেখ হাসিনা জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে দেশত্যাগ করেছেন। বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচারাধীন। এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও দেশে নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী, ওই দলের নেতাদের বক্তব্য প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক অখণ্ডতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ সময়ে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য সম্প্রচার গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও স্থিতিশীলতাকে বিপদে ফেলতে পারে।

বিবৃতিতে সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে আরও বলা হয়, “এ ধরনের বক্তব্য কেবল বিভ্রান্তি ছড়ায়। তাই যে কোনো গণমাধ্যম যদি এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, তবে তারা আইনি জবাবদিহিতার আওতায় পড়বে।”

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা: অন্তর্বর্তী সরকার

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৮:৩৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ অগাস্ট ২০২৫

আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কিছু গণমাধ্যম ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার করছে—এমন অভিযোগ তুলে সতর্কবার্তা দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। বলা হয়েছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের উসকানিমূলক বক্তব্য প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শুক্রবার (২২ আগস্ট) সরকারের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, দণ্ডিত অপরাধী এবং মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত শেখ হাসিনার অডিও বা বক্তব্য প্রচার ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন এবং আদালতের রায়ের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। গত বছরের ডিসেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালও তার ঘৃণামূলক বক্তব্য সম্প্রচার নিষিদ্ধ করেছিল।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, “আমরা দুঃখের সঙ্গে লক্ষ্য করেছি যে কিছু গণমাধ্যম বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশ অমান্য করে ক্ষমতাচ্যুত স্বৈরশাসকের বক্তব্য প্রচার করেছে, যেখানে তিনি মিথ্যা ও উসকানিমূলক মন্তব্য করেছেন। ভবিষ্যতে শেখ হাসিনার যেকোনো বক্তব্য প্রকাশ বা প্রচার করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সরকার আরও জানায়, শেখ হাসিনা জুলাই মাসের গণ-অভ্যুত্থানে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের হত্যার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়ে দেশত্যাগ করেছেন। বর্তমানে তিনি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বিচারাধীন। এর পাশাপাশি আওয়ামী লীগের কার্যক্রমও দেশে নিষিদ্ধ। আইন অনুযায়ী, ওই দলের নেতাদের বক্তব্য প্রচার করলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে দেশ ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক অখণ্ডতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জনগণ অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এ সময়ে শেখ হাসিনার উসকানিমূলক বক্তব্য সম্প্রচার গণতান্ত্রিক উত্তরণ ও স্থিতিশীলতাকে বিপদে ফেলতে পারে।

বিবৃতিতে সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীল আচরণের আহ্বান জানিয়ে আরও বলা হয়, “এ ধরনের বক্তব্য কেবল বিভ্রান্তি ছড়ায়। তাই যে কোনো গণমাধ্যম যদি এ নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে, তবে তারা আইনি জবাবদিহিতার আওতায় পড়বে।”