Dhaka ১২:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধ কুমিল্লার যমজ বোন সিসিইউতে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫
  • / 71

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়েছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কুলিয়ারা গ্রামের যমজ বোন সারিনা জাহান ও সাইবা জাহান। বর্তমানে তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সারিনা ও সাইবা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা উত্তরায় বসবাসরত ব্যবসায়ী ইয়াছিন মজুমদার ও আকলিমা আক্তার দম্পতির সন্তান।

গত সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল ক্যাম্পাসে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে গেলে তারা দগ্ধ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পরিবার জানায়, সারিনার শরীরের ২০ শতাংশ এবং সাইবার ৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। তবে তারা দুজনই বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।

দুই শিশুর বাবা ইয়াছিন মজুমদার বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা স্কুলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করি। পরে বার্ন ইনস্টিটিউটে গিয়ে তাদের খুঁজে পাই। দেশবাসীর কাছে আমার মেয়েদের সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিমান দুর্ঘটনায় দগ্ধ কুমিল্লার যমজ বোন সিসিইউতে

প্রকাশের সময় : ০৯:০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ জুলাই ২০২৫

রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় দগ্ধ হয়েছে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের কুলিয়ারা গ্রামের যমজ বোন সারিনা জাহান ও সাইবা জাহান। বর্তমানে তারা রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

সারিনা ও সাইবা মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তারা উত্তরায় বসবাসরত ব্যবসায়ী ইয়াছিন মজুমদার ও আকলিমা আক্তার দম্পতির সন্তান।

গত সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে মাইলস্টোন স্কুল ক্যাম্পাসে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে গেলে তারা দগ্ধ হয়। সঙ্গে সঙ্গে তাদের উদ্ধার করে বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে পরিবার জানায়, সারিনার শরীরের ২০ শতাংশ এবং সাইবার ৮ শতাংশ পুড়ে গেছে। তবে তারা দুজনই বর্তমানে আশঙ্কামুক্ত।

দুই শিশুর বাবা ইয়াছিন মজুমদার বলেন, ‘ঘটনার পরপরই আমরা স্কুলে গিয়ে খোঁজাখুঁজি করি। পরে বার্ন ইনস্টিটিউটে গিয়ে তাদের খুঁজে পাই। দেশবাসীর কাছে আমার মেয়েদের সুস্থতার জন্য দোয়া চাই।’