পাওনা টাকা না পেয়ে শ্বশুরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ
- প্রকাশের সময় : ০৫:৪৫:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুন ২০২৫
- / 122
রাজবাড়ীর পাংশায় সাইদুল প্রামানিক নামের এক ব্যক্তিকে তার জামাতা দাউদ মন্ডল গাছের সঙ্গে বেঁেধ নির্যাতন করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পাংশা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইদুল প্রামানিককে উদ্ধার করে। এসময় দাউদসহ তিনজনকে আটক করা হয়। বৃহস্পতিবার পাংশা উপজেলার যশাই ইউনিয়নের সমসপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আটক অন্য দুজন হলেন দাউদের বাবা মিজান মন্ডল ও সহোদর ভাই নাজমুল মন্ডল। পাওনা টাকা ফেরত না দেওয়ার কারণে সাইদুল প্রামানিককে বেঁধে নির্যাতন করা হয় বলে দাবি দাউদের।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সাইদুল প্রামানিক ও দাউদ মন্ডলের বাড়ি একই গ্রামে। তাদের সম্পর্ক ছিল মামা-ভাগ্নে। সাইদুলের মেয়েকে দাউদের সাথে বিয়ে দেওয়ার পর সম্পর্ক হয় শ^শুর-জামাতা। ২০১৮ সালে সাইদুল প্রামানিক জমি লীজ দেওয়ার কথা বলে দাউদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা নেন। পরে দাউদ টাকা ফেরত চাইলে তা দেননি। এনিয়ে বেশ কয়েকবার শালিস বৈঠকও হয়। বৃহস্পতিবার দাউদ মন্ডল তার শ^শুরকে পেয়ে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে একটি সুপারি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পাংশা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইদুল প্রামানিককে উদ্ধার করে।
অভিযুক্ত দাউদ মন্ডল জানান, তিনি সাইদুল প্রামানিকের কাছ থেকে এক লাখ টাকার বিনিময়ে জমি লীজ নেন। এক বছর সেই জমি চাষ করেছিলেন। পরে সাইদুল প্রামানিক তার বড় মেয়েকে আমার সাথে বিয়ে দেন। টাকা আর ফেরত দেননি। টাকা দেওয়ার কথা বলে বারংবার তাকে ঘুরিয়েছেন। সালিশেও বসতে রাজী হয়না। যেকারণে ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বেঁধে রেখেছিলেন।
এ বিষয়ে সাইদুল প্রামানিক কোনো কথা বলতে রাজী হননি।
পাংশা মডেল থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাইদুল প্রামানিককে বাঁধনমুক্ত করে। ওই সময় দাউদ, তার বাবা ও ভাইকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। এব্যাপারে মামলার প্রক্রিয়া চলছে। পাওনা টাকা না দেওয়ায় এ ঘটেছে বলে জানান তিনি।























