Dhaka ১১:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা

পাংশায় গৃৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন\ সম্ভ্রম হারিয়েই কি বেছে নেন আত্মহত্যার পথ?

পাংশা প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১০:০২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫
  • / 238

 রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৈশালা গ্রামে গৃহবধূ দীপা পালের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে পাংশা থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করেছেন। গত শুক্রবার রাতে তিনি এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাগর খান, আব্দুস সালাম, মো. মাসুদ ও মো. শাহাদাত নামে চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এদের বাড়ি পাংশা পৌর এলাকার বিভিন্ন গ্রামে। দীপা পাল একই গ্রামের মিঠুন পালের স্ত্রী।
এদিকে দীপার মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সম্ভ্রম হারিয়েই কি তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন? বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।
ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বুধবার রাত ৯টার দিকে স্বামীর বাড়ি থেকে সকলের অগচরে বেরিয়ে যান দুই দীপা রানী পাল (২২)। পথে পরকীয়া প্রেমিক সাগর বিশ্বাস সহ স্থানীয় কয়েক জনের হাতে পথে আটক হয় দীপা রানী পাল। সারা রাত পর বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে দীপা রানী পালকে স্বামীর বাড়িতে রেখে যায় আটকারীরা। ওই দিন সকাল ৯টার দিকে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন দীপা রানী পাল।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রেমিক সাগর বিশ্বাস ও গৃহবধূ দীপা রানী পাল রাত ১০টার গাড়িতে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পথে সালাম, শাহাই ও মাসুদ তাদের আটর করে। রাত ১১টার দিকে কালুখালীতে একজনের বাসায় তাদের আটকে রাখা হয়। পরে দীপা রানীর স্বামী মিঠুন পালের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করেন সালাম। রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তাদের ওই বাসা থেকে বের করা হয়। প্রায় আধাঘন্টা ওই বাসার সামনে দীপা রানী ও সাগর বিশ্বাসের সাথে সালাম, শাহাই, মাসুদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহাই সাগর বিশ্বাসকে মারপিট করে একটি অটোয় (ইজিবাইক) তুলে পাংশা নিয়ে আসে এবং মাসুদ ও সালাম দীপা রানীকে একটি মোটরসাইকেলে করে পাংশার উদ্দেশ্য রওনা হয়। শাহাই প্রেমিক সাগরকে নিয়ে পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় পৌছে সালাম, মাসুদ ও দীপা রানীর জন্য অপেক্ষা করে। প্রায় ৩ ঘন্টা তাদের জন্য অপেক্ষা করেন। এর মধ্যে দীপা রানীর কাছ থেকে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ধারণা করা হয় এই সময়ের মধ্যে তাকে ধর্ষণ করা হয়। প্রায় তিন ঘন্টা অপেক্ষার পর ভোর ৪ টার পরে দীপা রানীকে নিয়ে মৈশালা লুলুর ফার্ম নামক নামক স্থানে আসেন মাসুদ ও সালাম। পরে সেখানে সাগর বিশ্বাস ও দীপা রানীর সাথে প্রায় আধাঘন্টা কথা বলেন সালাম, শাহাই ও মাসুদ। এক পর্যায়ে ভোর ৫ টার দিকে সাগর বিশ্বাস বাড়ি চলে যায়। পরে দীপা রানীকে তার স্বামীর বাড়িতে দিয়ে আসেন মাসুদ, শাহাই ও সালাম।
কালুখালী উপজেলা এলাকার ওই ব্যক্তি বলেন, সালাম নামের এক ব্যক্তি ওই ছেলে ও মেয়েকে আমার বাসায় নিয়ে আসে এবং রেখে যায়। আবার কিছুক্ষণ পরে এসে নিয়ে যায়। এর মধ্যে মেয়েটির সাথে কথা বলে জানতে পারি ছেলেটির সাথে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। মেয়েটির বোরখা পড়া ছিলো। মেয়েটি যে হিন্দু আমার জানা ছিলো না।
দীপা রানী পালের স্বামী মিঠুন বলেন, রাতে সালাম আমাকে ফোন করে বউ ফেরৎ দেওয়ার শর্তে মুক্তিপন দাবি করেন। আমি রাজি না হয়ে তার ফোন কেটে দেই। পরে ভোর ৫ টার পরে স্থানীয় সালাম, মাসুদ ও শাহাই আমার স্ত্রীকে বাড়ি দিয়ে যায়। বাড়ি আসার পর আমরা তার সাথে স্বাভাবিক ভাবে কথা বলি। জানতে পরি সাগরের সাথে পালিয়ে যাওয়ার সময় তারা আটক হয়। পরে আমার স্ত্রী ঘুমানোর কথা বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ওরনা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে প্রেমিক সাগর বিশ্বাসের মা ফরিদা বেগম বলেন, মেয়েটি মরার আগে কিছুই জানতাম না। মারা যাওয়ার পর আমার ছেলের কাছ থেকে সুনেছি মিঠুনের স্ত্রীর সাথে আমার ছেলের প্রেমের সম্পার্ক ছিল। ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেয়েটি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পথে অজ্ঞাত স্থানে জামা-কাপড়ের ব্যগ রেখে কালুখালীতে গিয়ে আমার ছেলের জন্য অপেক্ষা করে। মেয়েটির ব্যাগ নিয়ে কালুখালী যাওয়ার পথে আমার ছেলেকে আটক করে স্থানীয় মাসুদ, শাহাই ও সালাম। পরে মেয়েটির সাথে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে কালুখালীতে গিয়ে ওই মেয়েকেও আটক করে। পরে আমার ছেলেকে মারপিট করে সবকিছু ছিনিয়ে নেয় তারা।
এ বিষয়ে দীপা রানী পালের বাবা শ্রী দুলাল চন্দ্র পাল বলেন, ওই দিন রাতে আমার মেয়ে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় বলে সংবাদ পাই। এখানে এসে মেয়ের মরদেহ দেখতে পাই। পরে জানতে পারি আমার মেয়ে আত্মহত্য করেছে। আমি এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি। যাদের প্ররচণায় আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
সাগর বিশ্বাস মৈশালা মৈত্রডাঙ্গী গ্রামের রমজানে বিশ্বাসের ছেলে। অন্য অভিযুক্তরা একই গ্রামের ইমারত বিশ্বাসের ছেলে সালাম বিশ্বাস (২৬), চাঁদ আলীর ছেলে মো. মাসুদ (২২) ও জব্বার মন্ডলের ছেলে মো. শাহাদত বিশ্বাস অরফে শাহাই (২৫)। অভিযুক্ত কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পাংশা থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন জানান, গৃহবধূ দীপা পালের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়েছে। পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। যে কোনো একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করলেই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। শুক্রবার নিহতের মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট এখনও পাওয়া না যাওয়ায় তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কীনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলা

পাংশায় গৃৃহবধূর মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন\ সম্ভ্রম হারিয়েই কি বেছে নেন আত্মহত্যার পথ?

প্রকাশের সময় : ১০:০২:০৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

 রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার মৈশালা গ্রামে গৃহবধূ দীপা পালের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে পাংশা থানায় আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করেছেন। গত শুক্রবার রাতে তিনি এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাগর খান, আব্দুস সালাম, মো. মাসুদ ও মো. শাহাদাত নামে চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও দুই তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এদের বাড়ি পাংশা পৌর এলাকার বিভিন্ন গ্রামে। দীপা পাল একই গ্রামের মিঠুন পালের স্ত্রী।
এদিকে দীপার মৃত্যুকে ঘিরে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সম্ভ্রম হারিয়েই কি তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নেন? বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে এ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।
ঢাকা যাওয়ার উদ্দেশ্যে বুধবার রাত ৯টার দিকে স্বামীর বাড়ি থেকে সকলের অগচরে বেরিয়ে যান দুই দীপা রানী পাল (২২)। পথে পরকীয়া প্রেমিক সাগর বিশ্বাস সহ স্থানীয় কয়েক জনের হাতে পথে আটক হয় দীপা রানী পাল। সারা রাত পর বৃহস্পতিবার ভোর ৫টার দিকে দীপা রানী পালকে স্বামীর বাড়িতে রেখে যায় আটকারীরা। ওই দিন সকাল ৯টার দিকে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেন দীপা রানী পাল।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, প্রেমিক সাগর বিশ্বাস ও গৃহবধূ দীপা রানী পাল রাত ১০টার গাড়িতে ঢাকায় পালিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। পথে সালাম, শাহাই ও মাসুদ তাদের আটর করে। রাত ১১টার দিকে কালুখালীতে একজনের বাসায় তাদের আটকে রাখা হয়। পরে দীপা রানীর স্বামী মিঠুন পালের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করে মুক্তিপণ দাবি করেন সালাম। রাত সাড়ে ১২ টার দিকে তাদের ওই বাসা থেকে বের করা হয়। প্রায় আধাঘন্টা ওই বাসার সামনে দীপা রানী ও সাগর বিশ্বাসের সাথে সালাম, শাহাই, মাসুদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শাহাই সাগর বিশ্বাসকে মারপিট করে একটি অটোয় (ইজিবাইক) তুলে পাংশা নিয়ে আসে এবং মাসুদ ও সালাম দীপা রানীকে একটি মোটরসাইকেলে করে পাংশার উদ্দেশ্য রওনা হয়। শাহাই প্রেমিক সাগরকে নিয়ে পাংশা মৈশালা বাসস্ট্যান্ডে এলাকায় পৌছে সালাম, মাসুদ ও দীপা রানীর জন্য অপেক্ষা করে। প্রায় ৩ ঘন্টা তাদের জন্য অপেক্ষা করেন। এর মধ্যে দীপা রানীর কাছ থেকে নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেওয়া হয় এবং ধারণা করা হয় এই সময়ের মধ্যে তাকে ধর্ষণ করা হয়। প্রায় তিন ঘন্টা অপেক্ষার পর ভোর ৪ টার পরে দীপা রানীকে নিয়ে মৈশালা লুলুর ফার্ম নামক নামক স্থানে আসেন মাসুদ ও সালাম। পরে সেখানে সাগর বিশ্বাস ও দীপা রানীর সাথে প্রায় আধাঘন্টা কথা বলেন সালাম, শাহাই ও মাসুদ। এক পর্যায়ে ভোর ৫ টার দিকে সাগর বিশ্বাস বাড়ি চলে যায়। পরে দীপা রানীকে তার স্বামীর বাড়িতে দিয়ে আসেন মাসুদ, শাহাই ও সালাম।
কালুখালী উপজেলা এলাকার ওই ব্যক্তি বলেন, সালাম নামের এক ব্যক্তি ওই ছেলে ও মেয়েকে আমার বাসায় নিয়ে আসে এবং রেখে যায়। আবার কিছুক্ষণ পরে এসে নিয়ে যায়। এর মধ্যে মেয়েটির সাথে কথা বলে জানতে পারি ছেলেটির সাথে মেয়েটির প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। মেয়েটির বোরখা পড়া ছিলো। মেয়েটি যে হিন্দু আমার জানা ছিলো না।
দীপা রানী পালের স্বামী মিঠুন বলেন, রাতে সালাম আমাকে ফোন করে বউ ফেরৎ দেওয়ার শর্তে মুক্তিপন দাবি করেন। আমি রাজি না হয়ে তার ফোন কেটে দেই। পরে ভোর ৫ টার পরে স্থানীয় সালাম, মাসুদ ও শাহাই আমার স্ত্রীকে বাড়ি দিয়ে যায়। বাড়ি আসার পর আমরা তার সাথে স্বাভাবিক ভাবে কথা বলি। জানতে পরি সাগরের সাথে পালিয়ে যাওয়ার সময় তারা আটক হয়। পরে আমার স্ত্রী ঘুমানোর কথা বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে গলায় ওরনা পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে প্রেমিক সাগর বিশ্বাসের মা ফরিদা বেগম বলেন, মেয়েটি মরার আগে কিছুই জানতাম না। মারা যাওয়ার পর আমার ছেলের কাছ থেকে সুনেছি মিঠুনের স্ত্রীর সাথে আমার ছেলের প্রেমের সম্পার্ক ছিল। ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে মেয়েটি বাড়ি থেকে বেড়িয়ে পথে অজ্ঞাত স্থানে জামা-কাপড়ের ব্যগ রেখে কালুখালীতে গিয়ে আমার ছেলের জন্য অপেক্ষা করে। মেয়েটির ব্যাগ নিয়ে কালুখালী যাওয়ার পথে আমার ছেলেকে আটক করে স্থানীয় মাসুদ, শাহাই ও সালাম। পরে মেয়েটির সাথে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে কালুখালীতে গিয়ে ওই মেয়েকেও আটক করে। পরে আমার ছেলেকে মারপিট করে সবকিছু ছিনিয়ে নেয় তারা।
এ বিষয়ে দীপা রানী পালের বাবা শ্রী দুলাল চন্দ্র পাল বলেন, ওই দিন রাতে আমার মেয়ে তার শ্বশুর বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় বলে সংবাদ পাই। এখানে এসে মেয়ের মরদেহ দেখতে পাই। পরে জানতে পারি আমার মেয়ে আত্মহত্য করেছে। আমি এ বিষয়ে পাংশা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেছি। যাদের প্ররচণায় আমার মেয়ে আত্মহত্যা করেছে। আমি তাদের ফাঁসি চাই।
সাগর বিশ্বাস মৈশালা মৈত্রডাঙ্গী গ্রামের রমজানে বিশ্বাসের ছেলে। অন্য অভিযুক্তরা একই গ্রামের ইমারত বিশ্বাসের ছেলে সালাম বিশ্বাস (২৬), চাঁদ আলীর ছেলে মো. মাসুদ (২২) ও জব্বার মন্ডলের ছেলে মো. শাহাদত বিশ্বাস অরফে শাহাই (২৫)। অভিযুক্ত কাউকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি এবং তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
পাংশা থানার ওসি মো. সালাউদ্দিন জানান, গৃহবধূ দীপা পালের মৃত্যুর ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা করেছেন। পুলিশ আসামিদের ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান চালিয়েছে। পলাতক থাকায় তাদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। যে কোনো একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করলেই ঘটনার রহস্য উন্মোচিত হবে। শুক্রবার নিহতের মরদেহ রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট এখনও পাওয়া না যাওয়ায় তাকে ধর্ষণ করা হয়েছিল কীনা তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।