Dhaka ০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পাচাররোধে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়েছে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী হজ নিবন্ধনের টাকা জমা দিতে ২৫ ও ২৬ সেপ্টেম্বর খোলা থাকবে ব্যাংক নওগাঁয় শব্দদূষণের দায়ে টেইলারিং প্রতিষ্ঠানকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা নওগাঁয় স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে পুলিশের প্রশিক্ষণ উদ্বোধন পাংশায় দুর্গাপূজায় প্রতিটি মন্দিরে কঠোর নিরাপত্তা থাকবে: ওসি শেখ মঈনুল ইসলাম ভারতীয় ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল শতাধিক এনওসি ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন : পোস্টাল ভোট নিবন্ধন শুরু ২৭ সেপ্টেম্বর নঈম নিজাম ও তার স্ত্রী ফরিদা ইয়াসমিনের নামে মামলা হামের উপসর্গে আরও ১১ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১০৬৮ কিলোমিটার প্রতি ২৩ পয়সা বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, সর্বনিম্ন ভাড়া ৩৫ টাকা

জানুয়ারির শেষ দিকে চালু হচ্ছে যমুনা রেলসেতু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • / 150

যমুনা নদীর ওপর প্রথম ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ রেলওয়ে সেতুটি ২০২৫ সালের জানুয়ারির শেষের দিকে চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর প্রকল্প’ পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করেছি এবং কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৯৮ শতাংশের বেশি।’

তিনি বলেন, সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার, পূর্ব রেলস্টেশন থেকে পশ্চিম রেলস্টেশনের দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ‘আমরা ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ রেলওয়ে সেতুতে পরীক্ষামূলক চালানো শেষ করেছি এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছি।’

তিনি বলেন, সেতুর প্যারামিটার পরিমাপ এবং স্ট্যাটিক লোড পরিমাপসহ সব ধরনের পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, ১৬ হাজার ৭৮০ দশমিক ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ দেশের বৃহত্তম ডেডিকেটেড ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ সেতটিু নির্মাণ করা হয়েছে। প্রাক্কলিত ব্যয়ের মধ্যে মূল সেতু নির্মাণসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে ১৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) দিয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা, বাকি টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

এতে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে গৃহীত প্রকল্পের মূল কাজ করছে দুটি জাপানি যৌথ-উদ্যোগ সংস্থা। বঙ্গবন্ধু সেতুর প্রায় ৩০০ মিটার উজানে গ্যাস পাইপলাইন সুবিধা সম্বলিত ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক সেতুটি নির্মিত হচ্ছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু প্রকল্পটি পাস করে এবং প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের ভৌত কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের আগস্টে এবং সেতুর ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের মার্চ মাসে।

এই রেল সেতুটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বাড়াতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। রাজধানী এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে ট্রেন পরিচালনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে। এটি ট্রেনের সময়সূচিতে বিলম্ব কমাতেও সাহায্য করবে। নতুন এই রেল সেতুতে দৈনিক ৮৮টি ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা থাকবে, যেখানে যমুনা সেতুতে দিনে সর্বোচ্চ ২২টি ট্রেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জানুয়ারির শেষ দিকে চালু হচ্ছে যমুনা রেলসেতু

প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪

যমুনা নদীর ওপর প্রথম ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ রেলওয়ে সেতুটি ২০২৫ সালের জানুয়ারির শেষের দিকে চালু হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রেলওয়ে সেতুর প্রকল্প’ পরিচালক আল ফাত্তাহ মো. মাসুদুর রহমান বলেন, ‘আমরা মূল সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ করেছি এবং কাজের সার্বিক অগ্রগতি ৯৮ শতাংশের বেশি।’

তিনি বলেন, সেতুটির মোট দৈর্ঘ্য ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার, পূর্ব রেলস্টেশন থেকে পশ্চিম রেলস্টেশনের দূরত্ব ১৩ কিলোমিটার।

প্রকল্প পরিচালক আরও বলেন, ‘আমরা ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ রেলওয়ে সেতুতে পরীক্ষামূলক চালানো শেষ করেছি এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারির শেষ বা ফেব্রুয়ারির প্রথম দিকে বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নিয়েছি।’

তিনি বলেন, সেতুর প্যারামিটার পরিমাপ এবং স্ট্যাটিক লোড পরিমাপসহ সব ধরনের পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে।

প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, ১৬ হাজার ৭৮০ দশমিক ৯৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ দশমিক ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ দেশের বৃহত্তম ডেডিকেটেড ডাবল লাইন ডুয়েল গেজ সেতটিু নির্মাণ করা হয়েছে। প্রাক্কলিত ব্যয়ের মধ্যে মূল সেতু নির্মাণসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে ১৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) দিয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা, বাকি টাকা দিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

এতে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে গৃহীত প্রকল্পের মূল কাজ করছে দুটি জাপানি যৌথ-উদ্যোগ সংস্থা। বঙ্গবন্ধু সেতুর প্রায় ৩০০ মিটার উজানে গ্যাস পাইপলাইন সুবিধা সম্বলিত ডুয়েল গেজ ডাবল ট্র্যাক সেতুটি নির্মিত হচ্ছে। ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে, জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি ৯ হাজার ৭৩৪ কোটি টাকা ব্যয়ে সেতু প্রকল্পটি পাস করে এবং প্রকল্পটি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু প্রকল্পের ভৌত কাজ শুরু হয় ২০২০ সালের আগস্টে এবং সেতুর ভিত্তি স্থাপনের কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের মার্চ মাসে।

এই রেল সেতুটি দেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) বাড়াতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। রাজধানী এবং দেশের পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে ট্রেন পরিচালনায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি করবে। এটি ট্রেনের সময়সূচিতে বিলম্ব কমাতেও সাহায্য করবে। নতুন এই রেল সেতুতে দৈনিক ৮৮টি ট্রেন চলাচলের সক্ষমতা থাকবে, যেখানে যমুনা সেতুতে দিনে সর্বোচ্চ ২২টি ট্রেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারবে।