শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর, ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নির্বাচনে ভরাডুবির পর আরেক ধাক্কা, ২৫০ ফুট ‘ট্রাম্প তোরণ’ নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা প্রথম ইনিংসে ব্যাট করার মতো অবস্থায় নেই সাদমান ২.৩ বিলিয়ন ডলারে বাংলাদেশি-আমেরিকান নিহাদের নেতৃত্বাধীন স্টার্টআপ কিনছে উবার আলী যাকেরের প্রথম চড়েই মাটিতে পড়ে যান ফারুক আহমেদ কালীগঞ্জে মাদক, বাল্যবিয়ে ও অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধের আহ্বান সাত ফরোয়ার্ডের বাংলাদেশ দলে গোল করার লোকের জন্য এমন হাহাকার কেন ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের পথ নির্ণয়ের তারিখ: প্রধানমন্ত্রী ৭ নভেম্বর ৭ ব্যান্ড মাতাবে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ‘৫০০ টাকার’ টিকিটে নেই ৫০০ দর্শকও হামের উপসর্গে আরও ৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১ হাজার ৩১৪

সৌরজগতে নতুন বামন গ্রহের সন্ধান

মামুন হোসেন
  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬
  • / 11
সৌরজগতে নতুন বামন গ্রহের সন্ধান

সৌরজগতে প্লুটোর কক্ষপথের বাইরে নতুন একটি বামন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও স্মিথসোনিয়ানের জ্যেষ্ঠ জ্যোতিঃপদার্থবিদ ম্যাথিউ হোলম্যান। আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের স্বীকৃতি পেলে ‘ইডি১৩৮’ নামের গ্রহটি হবে আমাদের সৌরজগতের ষষ্ঠ বামন গ্রহ। চিলিতে অবস্থিত ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরির শক্তিশালী টেলিস্কোপের ধারণ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন বামন গ্রহটি আবিষ্কার করা হয়েছে।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য

ম্যাথিউ হোলম্যানের তথ্যমতে, নতুন বামন গ্রহটির ব্যাস ৬০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার হতে পারে। এর ফলে এটি আমাদের সৌরজগতে থাকা স্বীকৃত ক্ষুদ্রতম বামন গ্রহ ‘সেরেস’–এর চেয়ে আকারে বড়। বর্তমানে বামন গ্রহটি সূর্য থেকে প্রায় ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরত্বে অবস্থান করছে। এর অর্থ হলো এটি প্লুটোর চেয়ে দূরে রয়েছে।

এত দিন বামন গ্রহটি আবিষ্কার করতে না পারার পেছনে দুটি কারণ রয়েছে। দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় উত্তর গোলার্ধ থেকে বামন গ্রহটি দেখা অত্যন্ত কঠিন। এ ছাড়া এটি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একই সমতলে অবস্থান করছে। মিল্কিওয়েতে অসংখ্য তারা থাকায় সহজে চলমান বস্তু খুঁজে পাওয়া যায় না।নিউজিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব ক্যান্টারবারির সহযোগী অধ্যাপক মিশেল ব্যানিস্টার জানান, ইডি১৩৮ বৈজ্ঞানিকভাবে অত্যন্ত চমৎকার। কারণ, এটি একটি বৃহৎ ট্রান্স নেপচুনিয়ান বস্তু বা টিএনও। অন্যান্য টেলিস্কোপ এখন এ সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে কাজ শুরু করবে।

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো গ্রহের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা নির্ধারণ করেন। সেখানে বলা হয়, গ্রহ হতে হলে অবশ্যই তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। বস্তুটিকে অবশ্যই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে হবে। এ ছাড়া বস্তুটির নিজস্ব মহাকর্ষ বলের কারণে প্রায় গোলাকার আকৃতি ও শক্তিশালী কক্ষপথ অনুসরণ করতে হবে।সূত্র: সিএনএন

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সৌরজগতে নতুন বামন গ্রহের সন্ধান

প্রকাশের সময় : ০৬:১৫:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৬ নভেম্বর ২০২৬

সৌরজগতে প্লুটোর কক্ষপথের বাইরে নতুন একটি বামন গ্রহের সন্ধান পেয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক ও স্মিথসোনিয়ানের জ্যেষ্ঠ জ্যোতিঃপদার্থবিদ ম্যাথিউ হোলম্যান। আন্তর্জাতিক জ্যোতির্বিজ্ঞান ইউনিয়নের স্বীকৃতি পেলে ‘ইডি১৩৮’ নামের গ্রহটি হবে আমাদের সৌরজগতের ষষ্ঠ বামন গ্রহ। চিলিতে অবস্থিত ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরির শক্তিশালী টেলিস্কোপের ধারণ করা তথ্য বিশ্লেষণ করে নতুন বামন গ্রহটি আবিষ্কার করা হয়েছে।

প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন ও মূল বৈশিষ্ট্য

ম্যাথিউ হোলম্যানের তথ্যমতে, নতুন বামন গ্রহটির ব্যাস ৬০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ কিলোমিটার হতে পারে। এর ফলে এটি আমাদের সৌরজগতে থাকা স্বীকৃত ক্ষুদ্রতম বামন গ্রহ ‘সেরেস’–এর চেয়ে আকারে বড়। বর্তমানে বামন গ্রহটি সূর্য থেকে প্রায় ৪৬ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট দূরত্বে অবস্থান করছে। এর অর্থ হলো এটি প্লুটোর চেয়ে দূরে রয়েছে।

এত দিন বামন গ্রহটি আবিষ্কার করতে না পারার পেছনে দুটি কারণ রয়েছে। দক্ষিণ গোলার্ধে থাকায় উত্তর গোলার্ধ থেকে বামন গ্রহটি দেখা অত্যন্ত কঠিন। এ ছাড়া এটি আমাদের মিল্কিওয়ে গ্যালাক্সির একই সমতলে অবস্থান করছে। মিল্কিওয়েতে অসংখ্য তারা থাকায় সহজে চলমান বস্তু খুঁজে পাওয়া যায় না।নিউজিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব ক্যান্টারবারির সহযোগী অধ্যাপক মিশেল ব্যানিস্টার জানান, ইডি১৩৮ বৈজ্ঞানিকভাবে অত্যন্ত চমৎকার। কারণ, এটি একটি বৃহৎ ট্রান্স নেপচুনিয়ান বস্তু বা টিএনও। অন্যান্য টেলিস্কোপ এখন এ সম্পর্কে আরও তথ্য জানতে কাজ শুরু করবে।

প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে চেক প্রজাতন্ত্রের রাজধানী প্রাগে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো গ্রহের আনুষ্ঠানিক সংজ্ঞা নির্ধারণ করেন। সেখানে বলা হয়, গ্রহ হতে হলে অবশ্যই তিনটি শর্ত পূরণ করতে হবে। বস্তুটিকে অবশ্যই সূর্যকে প্রদক্ষিণ করতে হবে। এ ছাড়া বস্তুটির নিজস্ব মহাকর্ষ বলের কারণে প্রায় গোলাকার আকৃতি ও শক্তিশালী কক্ষপথ অনুসরণ করতে হবে।সূত্র: সিএনএন