বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot

রাষ্ট্রীয় সম্মানও জামায়াত-এনসিপি সহ্য করতে পারছে না: তারেক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 10

নিজের রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ্য করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে তারেক রহমান লেখেন, জামায়াত-এনসিপি তাঁকে হেয় করতে করতে এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে তাঁর সামান্য রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও সহ্য করতে পারছে না। একই পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া সহযোদ্ধাদের অনেকেই আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে গেছেন। তিনিও একসময় প্রবাসীদের সহযোগিতায় জীবনযাপন করেছেন। পরে নিজের উপার্জনের জন্য ফল ও মধুর ব্যবসা করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা প্রসঙ্গে তারেক রহমান দাবি করেন, ২০১৮ সালের আন্দোলন, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং ভারতীয় পণ্য বর্জনের প্রচারণায় ব্যবহৃত বিভিন্ন লিফলেট তৈরিতে তাঁর ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া নিজের আটক, গুম ও রিমান্ডের অভিজ্ঞতার কথাও ফেসবুক পোস্টে তুলে ধরেন তিনি।

জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে বিরোধের প্রসঙ্গে তারেক রহমান লেখেন, তাঁদের সঙ্গে তাঁর বিরোধ রাজনৈতিক নয়, বরং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ।

স্ট্যাটাসে জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কথিত যোগাযোগ নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি। এর মধ্যে জামায়াতের আমির এবং দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর কথিত যোগাযোগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাইয়ের তথ্য তাঁর পোস্টে উপস্থাপিত হয়নি।

তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপির কারও পদায়নে জামায়াত সন্তুষ্ট হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া উচিত। নিজের বিরুদ্ধে হয়রানির ঘটনায় বিচলিত নন উল্লেখ করে তিনি জুলাইয়ের মামলায় কারাগারে থাকা কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযুদ্ধের সম্মানে জামিন দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জামিনে মুক্ত থাকার পর কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা যেতে পারে। তাঁর মতে, এ ধরনের উদ্যোগ জুলাইয়ের আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে সহায়ক হবে।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে বাংলাদেশপন্থি রাজনৈতিক দল, জাতীয়তাবাদী শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারেক রহমান। তাঁকে পাশে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও ভালোবাসা প্রকাশ করেন তিনি।

সূত্র: মো. তারেক রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাস

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাষ্ট্রীয় সম্মানও জামায়াত-এনসিপি সহ্য করতে পারছে না: তারেক

প্রকাশের সময় : ১২:৫৭:৫১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

নিজের রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সহ্য করতে পারছে না বলে মন্তব্য করেছেন আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে তারেক রহমান লেখেন, জামায়াত-এনসিপি তাঁকে হেয় করতে করতে এমন অবস্থায় পৌঁছেছে যে তাঁর সামান্য রাষ্ট্রীয় সম্মান পাওয়াও সহ্য করতে পারছে না। একই পোস্টে তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন।

রাজনৈতিক জীবনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তারেক রহমান জানান, ২০১৮ ও ২০২৪ সালের আন্দোলনে অংশ নেওয়া সহযোদ্ধাদের অনেকেই আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে গেছেন। তিনিও একসময় প্রবাসীদের সহযোগিতায় জীবনযাপন করেছেন। পরে নিজের উপার্জনের জন্য ফল ও মধুর ব্যবসা করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

নিজের রাজনৈতিক ভূমিকা প্রসঙ্গে তারেক রহমান দাবি করেন, ২০১৮ সালের আন্দোলন, মোদিবিরোধী আন্দোলন এবং ভারতীয় পণ্য বর্জনের প্রচারণায় ব্যবহৃত বিভিন্ন লিফলেট তৈরিতে তাঁর ভূমিকা ছিল। এ ছাড়া নিজের আটক, গুম ও রিমান্ডের অভিজ্ঞতার কথাও ফেসবুক পোস্টে তুলে ধরেন তিনি।

জামায়াত ও এনসিপির সঙ্গে বিরোধের প্রসঙ্গে তারেক রহমান লেখেন, তাঁদের সঙ্গে তাঁর বিরোধ রাজনৈতিক নয়, বরং সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে। তিনি অভিযোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনা নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি বিদেশি শক্তির সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে একটি পক্ষ।

স্ট্যাটাসে জামায়াতের নেতাদের সঙ্গে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থার কথিত যোগাযোগ নিয়েও অভিযোগ করেন তিনি। এর মধ্যে জামায়াতের আমির এবং দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সঙ্গে ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর কথিত যোগাযোগের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন সত্যতা যাচাইয়ের তথ্য তাঁর পোস্টে উপস্থাপিত হয়নি।

তারেক রহমান আরও বলেন, বিএনপির কারও পদায়নে জামায়াত সন্তুষ্ট হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া উচিত। নিজের বিরুদ্ধে হয়রানির ঘটনায় বিচলিত নন উল্লেখ করে তিনি জুলাইয়ের মামলায় কারাগারে থাকা কোনো বীর মুক্তিযোদ্ধাকে মুক্তিযুদ্ধের সম্মানে জামিন দেওয়ার জন্য আদালতের প্রতি আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, জামিনে মুক্ত থাকার পর কেউ দোষী প্রমাণিত হলে তাঁকে পুনরায় গ্রেপ্তার করা যেতে পারে। তাঁর মতে, এ ধরনের উদ্যোগ জুলাইয়ের আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্যকার দূরত্ব কমাতে সহায়ক হবে।

স্ট্যাটাসের শেষাংশে বাংলাদেশপন্থি রাজনৈতিক দল, জাতীয়তাবাদী শক্তি ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান তারেক রহমান। তাঁকে পাশে রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও ভালোবাসা প্রকাশ করেন তিনি।

সূত্র: মো. তারেক রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাস