Dhaka ০৬:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় ফারুখের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 12

রাজবাড়ীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের মামলায় মো. ফারুখ হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তৌহিদুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা।

দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুখ হোসেন পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার আহম্মদ খার ছেলে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে একই এলাকার এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খোকসায় তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান ফারুখ। সেখানে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে ঢাকায় নিয়ে গিয়েও একই কাজ অব্যাহত রাখেন।

একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত এক সালিশে তাঁকে বিয়ে করতে রাজি হন ফারুখ। তবে পরে বিয়ে না করে পালিয়ে যান তিনি। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ওই নারী বাদী হয়ে মামলা করেন।

পিপি অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে ধর্ষণ মামলায় ফারুখের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

প্রকাশের সময় : ০৪:৫৯:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬

রাজবাড়ীতে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক নারীকে ধর্ষণের মামলায় মো. ফারুখ হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজবাড়ী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. তৌহিদুল ইসলাম আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি জানিয়েছেন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা।

দণ্ডপ্রাপ্ত ফারুখ হোসেন পাংশা উপজেলার বাবুপাড়া এলাকার আহম্মদ খার ছেলে।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ৩০ মে রাতে একই এলাকার এক নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খোকসায় তাঁর এক আত্মীয়ের বাড়িতে নিয়ে যান ফারুখ। সেখানে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ধর্ষণ করেন। পরে ঢাকায় নিয়ে গিয়েও একই কাজ অব্যাহত রাখেন।

একপর্যায়ে ওই নারী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে স্থানীয়ভাবে আয়োজিত এক সালিশে তাঁকে বিয়ে করতে রাজি হন ফারুখ। তবে পরে বিয়ে না করে পালিয়ে যান তিনি। এ ঘটনায় ২০১৮ সালের ৯ নভেম্বর ওই নারী বাদী হয়ে মামলা করেন।

পিপি অ্যাডভোকেট জাহিদ উদ্দিন মোল্লা জানান, দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। তাঁর মতে, এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।