বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot

যাত্রাবাড়ীতে কাজ থেকে ফেরার পথে তরুণকে গুলি করে হত্যা

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৫৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
  • / 15

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মারুফ হোসেন দুখু (২০) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ধলপুরের সিটি গলিসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মারুফ ধলপুর এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।

নিহতের স্ত্রী মিম জানান, তাঁর স্বামী সায়েদাবাদের মালঞ্চ সেন্টারের পাশের একটি গলিতে পাতিল তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে বাসার পাশের সিটি পল্লীর মাঠে দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিম বলেন, ‘আমার স্বামী অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি কারও সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব বা ঝামেলায় জড়াতেন না। কারা, কী কারণে আমার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করল, তা বলতে পারছি না।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

যাত্রাবাড়ীতে কাজ থেকে ফেরার পথে তরুণকে গুলি করে হত্যা

প্রকাশের সময় : ০৮:৫৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর ধলপুরে কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গুলিতে মারুফ হোসেন দুখু (২০) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ধলপুরের সিটি গলিসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহত মারুফ ধলপুর এলাকার মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন সবার ছোট।

নিহতের স্ত্রী মিম জানান, তাঁর স্বামী সায়েদাবাদের মালঞ্চ সেন্টারের পাশের একটি গলিতে পাতিল তৈরির কারখানায় কাজ করতেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন তিনি। পথে বাসার পাশের সিটি পল্লীর মাঠে দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিম বলেন, ‘আমার স্বামী অনেক ভালো মানুষ ছিলেন। তিনি কারও সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব বা ঝামেলায় জড়াতেন না। কারা, কী কারণে আমার স্বামীকে গুলি করে হত্যা করল, তা বলতে পারছি না।’

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের