গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ
- প্রকাশের সময় : ১১:১৫:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
- / 12
চাহিদামতো সিএনজি গ্যাস সরবরাহ এবং জামালপুরে আরও একটি ফিলিং স্টেশন নির্মাণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকরা।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে জামালপুর শহরের বাইপাস এলাকায় জাবেদ ফিলিং স্টেশনের সামনে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন তারা। এতে মহাসড়কে ছোট-বড় ও দূরপাল্লার যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।
চালকরা জানান, গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তারা চাহিদামতো সিএনজি পাচ্ছেন না। প্রতিদিন একটি অটোরিকশায় ৪০০ থেকে ৫০০ টাকার গ্যাস প্রয়োজন হলেও অনেক সময় ৮০ থেকে ১০০ টাকার গ্যাস দেওয়া হচ্ছে। এর জন্য আবার ১১ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে।
জামালপুর জেলায় মাত্র একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন থাকায় বিভিন্ন উপজেলার চালকদের ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে জামালপুর সদরে গ্যাস নিতে আসতে হয়। এতে অল্প পরিমাণ গ্যাস নিয়ে বাড়ি থেকে পাম্পে আসা-যাওয়ার পথেই তা শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ চালকদের।
দেওয়ানগঞ্জের অটোরিকশাচালক আকাশ বলেন, তার গাড়িতে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ টাকার গ্যাস প্রয়োজন। কিন্তু ফিলিং স্টেশনে এসে ৮০ থেকে ১০০ টাকার গ্যাস পাওয়া যায়। এত কম গ্যাসে বাড়ি থেকে পাম্পে আসা এবং বাড়ি ফেরাই কঠিন হয়ে পড়ে। ফলে যাত্রী পরিবহন করে আয় করার সুযোগ থাকে না।
চালকরা জাবেদ ফিলিং স্টেশনে চাহিদা অনুযায়ী গ্যাস সরবরাহের পাশাপাশি জামালপুরে আরও একটি সিএনজি ফিলিং স্টেশন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। দাবি বাস্তবায়ন না হলে অবরোধ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা।
জাবেদ ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আতিকুল রহমান বাবর বলেন, ফিলিং স্টেশনের কোনো গাফিলতি নেই। তাদের কাছে গ্যাসের সরবরাহ না থাকায় চালকদের গ্যাস দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। যতক্ষণ সরবরাহ থাকে, ততক্ষণ গ্যাস দেওয়া হয়।
এদিকে অবরোধের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) নাজমুল জান্নাত শাহ বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চালকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।






















