Dhaka ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বাদ পড়া ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের প্রজ্ঞাপন জারি ‘আওয়ামী লীগের সঙ্গে রাজনৈতিক পুনর্মিলনের সুযোগ নেই, বিচারের মুখোমুখি করতে হবে’ দুর্গাপূজায় টানা ৫ দিনের ছুটি, তার আগের শনিবার অফিস খোলা দুর্গাপূজা উপলক্ষে শপিংমল-মার্কেট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে ৭ নভেম্বর সাধারণ ছুটির প্রস্তাব অনুমোদন পত্নীতলায় ১৩০ ট্যাপেন্টাডলসহ যুবক গ্রেফতার রাণীনগরে সরকারি চাল জব্দের সংবাদ সংগ্রহে সাংবাদিককে হুমকি-লাঞ্ছিতের অভিযোগ রাজবাড়ীতে বিশ্ব শিক্ষক দিবসে পাঁচ গুণী শিক্ষক সংবর্ধিত রাজবাড়ীতে বিশ্ব বসতি দিবসে আলোচনা সভা শিক্ষকতাকে মেধাবীদের প্রথম পছন্দের পেশা করতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে ১৩ বছরের মায়ের কাছে ৭ মাসের শিশু

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৮:০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬
  • / 83

রাজধানীর হাজারীবাগের ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মায়ের কাছে তার ৭ মাস বয়সী শিশুকে আপাতত রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড। তবে শিশুটির দেখভালের পাশাপাশি কিশোরী মাকে ফেসবুক ও টিকটকসহ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে শিশুটির অভিভাবকত্ব নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মো. সায়েম খান জানালেন, বিদ্যমান আইন ও শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনায় আপাতত ৭ মাস বয়সী শিশুটি তার মায়ের কাছেই থাকবে।

তিনি জানালেন, শুনানির সময় কিশোরী মাকে ফেসবুক ও টিকটকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উভয়পক্ষকে ভবিষ্যতে আইন মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

লিগ্যাল এইড সূত্র জানায়, শিশুটির স্থায়ী অভিভাবকত্ব চেয়ে তার বাবা যে আবেদন করেছেন। সেটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক আদালতে বিচারাধীন। ফলে শিশুটির স্থায়ী অভিভাবকত্ব কার কাছে থাকবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পারিবারিক আদালতের রায়ের ভিত্তিতেই হবে।

সম্প্রতি ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মা ও তার ৭ মাস বয়সী শিশুকে ঘিরে ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অভিযোগ রয়েছে, টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর কিশোরীকে ফুসলিয়ে নিয়ে নোটারির মাধ্যমে বিয়ে করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন এবং একপর্যায়ে তার সন্তানকে তার কাছ থেকে আলাদা করে রাখা হয়।

পরে ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইডের উদ্যোগে শিশুটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর শিশুটির নিরাপত্তা, কল্যাণ ও অভিভাবকত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মঙ্গলবার শুনানির আয়োজন করা হয়।

তবে আপাতত শিশুটি মায়ের কাছে থাকলেও তার স্থায়ী অভিভাবকত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক আদালত।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ফেসবুক-টিকটক ব্যবহার না করার শর্তে ১৩ বছরের মায়ের কাছে ৭ মাসের শিশু

প্রকাশের সময় : ০৮:০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট ২০২৬

রাজধানীর হাজারীবাগের ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মায়ের কাছে তার ৭ মাস বয়সী শিশুকে আপাতত রাখার সিদ্ধান্ত দিয়েছে ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড। তবে শিশুটির দেখভালের পাশাপাশি কিশোরী মাকে ফেসবুক ও টিকটকসহ সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইড কার্যালয়ে শিশুটির অভিভাবকত্ব নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও সিনিয়র সহকারী জজ মো. সায়েম খান জানালেন, বিদ্যমান আইন ও শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ বিবেচনায় আপাতত ৭ মাস বয়সী শিশুটি তার মায়ের কাছেই থাকবে।

তিনি জানালেন, শুনানির সময় কিশোরী মাকে ফেসবুক ও টিকটকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে উভয়পক্ষকে ভবিষ্যতে আইন মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

লিগ্যাল এইড সূত্র জানায়, শিশুটির স্থায়ী অভিভাবকত্ব চেয়ে তার বাবা যে আবেদন করেছেন। সেটি বর্তমানে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক আদালতে বিচারাধীন। ফলে শিশুটির স্থায়ী অভিভাবকত্ব কার কাছে থাকবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পারিবারিক আদালতের রায়ের ভিত্তিতেই হবে।

সম্প্রতি ১৩ বছর বয়সী কিশোরী মা ও তার ৭ মাস বয়সী শিশুকে ঘিরে ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। অভিযোগ রয়েছে, টিকটকের মাধ্যমে পরিচয়ের পর কিশোরীকে ফুসলিয়ে নিয়ে নোটারির মাধ্যমে বিয়ে করা হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন এবং একপর্যায়ে তার সন্তানকে তার কাছ থেকে আলাদা করে রাখা হয়।

পরে ঢাকা জেলা লিগ্যাল এইডের উদ্যোগে শিশুটিকে তার মায়ের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর শিশুটির নিরাপত্তা, কল্যাণ ও অভিভাবকত্বের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে মঙ্গলবার শুনানির আয়োজন করা হয়।

তবে আপাতত শিশুটি মায়ের কাছে থাকলেও তার স্থায়ী অভিভাবকত্বের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেবে সংশ্লিষ্ট পারিবারিক আদালত।