Dhaka ১০:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
জামায়াত-আওয়ামী লীগের ‘পুরোনো প্রেম’ নিয়ে প্রশ্ন রাশেদ খাঁনের মাজবাড়ীর বাগগাড়ীতে চেয়ারম্যান প্রার্থী বাবু মোল্লার উঠান বৈঠক বিশ্ববাজারে কমলে দেশেও তেলের দাম কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে: প্রতিমন্ত্রী কালুখালীতে এনসিপির ৬ মাস মেয়াদি আহ্বায়ক কমিটি জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ ভাষণ নাটকের আলোয় রাজবাড়ী, শুরু হলো ‘নন্দনপার্বণ’ ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের লেজার প্রযুক্তির অস্ত্র মোতায়েন, সামনে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য নওগাঁয় ইয়াবাসহ নারী গ্রেফতার, আটক আরও ৮ মধুখালীতে ভাতিজার লাঠির আঘাতে চাচা নিহত শিশুর আঙুল বিচ্ছিন্ন করার অভিযোগে কনস্টেবল ও স্ত্রী গ্রেফতার

প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ১১:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 63

দেশে প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন থেকে শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে একই পদে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলি হতে পারবেন শিক্ষকরা।

এ লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করে। নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রথম নিয়োগের পর টানা দুই বছর চাকরি করলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বদলির পর পুনরায় আবেদন করতে হলে নতুন কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর চাকরি করতে হবে। একজন শিক্ষক চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।

শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে একই বিভাগের অন্য জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে দেশের যেকোনো জেলা কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল-সংক্রান্ত জেলায়ও আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

একটি শূন্য পদের বিপরীতে একাধিক আবেদন হলে নারী প্রার্থী, কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যযুক্ত আবেদন বাতিল হবে।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলি হতে পারবেন। তবে একই বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি পছন্দের প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন।

বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে। বদলি হওয়া শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে। তবে বদলিকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না এবং বদলির ক্ষেত্রে টিএ-ডিএ ভাতা দেওয়া হবে না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে অবমুক্ত হতে হবে এবং পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকরা বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, বদলি কার্যক্রম চালুর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। টেলিটকের সফটওয়্যার প্রস্তুত হলেই আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

এর আগে বেসরকারি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের বদলির অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এক শিক্ষককে বদলির আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু

প্রকাশের সময় : ১১:৫২:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

দেশে প্রথমবারের মতো এমপিওভুক্ত বেসরকারি স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের বদলি কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এখন থেকে শূন্য পদ থাকা সাপেক্ষে একই পদে অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করে পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বদলি হতে পারবেন শিক্ষকরা।

এ লক্ষ্যে সরকার চলতি বছরের ২৭ জানুয়ারি ‘স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (স্কুল, কলেজ) কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক বদলি নীতিমালা-২০২৬’ জারি করে। নীতিমালা অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) নির্ধারিত সময়ে প্রতিষ্ঠানভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা অনলাইনে প্রকাশ করবে। এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন গ্রহণ, বদলির আদেশ এবং নতুন কর্মস্থলে যোগদানের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, প্রথম নিয়োগের পর টানা দুই বছর চাকরি করলে একজন শিক্ষক বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বদলির পর পুনরায় আবেদন করতে হলে নতুন কর্মস্থলে কমপক্ষে দুই বছর চাকরি করতে হবে। একজন শিক্ষক চাকরিজীবনে সর্বোচ্চ তিনবার বদলির সুযোগ পাবেন।

শিক্ষকরা প্রথমে নিজ জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নিজ জেলায় পদ শূন্য না থাকলে একই বিভাগের অন্য জেলার শূন্য পদের জন্য আবেদন করা যাবে। বিশেষ ক্ষেত্রে দেশের যেকোনো জেলা কিংবা স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল-সংক্রান্ত জেলায়ও আবেদন করার সুযোগ থাকবে।

একটি শূন্য পদের বিপরীতে একাধিক আবেদন হলে নারী প্রার্থী, কর্মস্থলের দূরত্ব, স্বামী বা স্ত্রীর কর্মস্থল এবং জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করা হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যযুক্ত আবেদন বাতিল হবে।

একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে বছরে সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষক অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বদলি হতে পারবেন। তবে একই বিষয়ে একজনের বেশি শিক্ষক বদলির সুযোগ পাবেন না। আবেদনকারী সর্বোচ্চ তিনটি পছন্দের প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ করতে পারবেন।

বদলি কার্যক্রম পরিচালিত হবে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে। বদলি হওয়া শিক্ষকের এমপিও, আর্থিক সুবিধা ও জ্যেষ্ঠতার ধারাবাহিকতা অক্ষুণ্ন থাকবে। তবে বদলিকে অধিকার হিসেবে দাবি করা যাবে না এবং বদলির ক্ষেত্রে টিএ-ডিএ ভাতা দেওয়া হবে না। আদেশ জারির ১০ দিনের মধ্যে বর্তমান প্রতিষ্ঠান থেকে অবমুক্ত হতে হবে এবং পরবর্তী ১০ দিনের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে। সাময়িক বরখাস্ত বা ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত শিক্ষকরা বদলির জন্য বিবেচিত হবেন না।

মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল জানিয়েছেন, বদলি কার্যক্রম চালুর সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। টেলিটকের সফটওয়্যার প্রস্তুত হলেই আবেদন গ্রহণ শুরু হবে।

এর আগে বেসরকারি মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষকদের বদলির অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো এক শিক্ষককে বদলির আদেশ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।