নওগাঁয় যৌথ অভিযানে আরও ৩ আন্তজেলা গরু চোর-ডাকাত গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৫ গরু
- প্রকাশের সময় : ০৩:৩৩:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই ২০২৬
- / 83
নওগাঁর রানীনগর থানা পুলিশ, জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) ও র্যাবের যৌথ অভিযানে আরও তিন আন্তজেলা গরু চোর-ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে পাঁচটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় সাম্প্রতিক সময়ে রানীনগর, আত্রাই, বদলগাছী ও মহাদেবপুর উপজেলায় সংঘটিত একাধিক গরু চুরির ঘটনার তদন্তে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় ১৪ জুলাই জেলা গোয়েন্দা শাখা ও রানীনগর থানা পুলিশ যৌথ অভিযানে তিনজন আন্তজেলা গরু চোর-ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী অভিযান চালিয়ে ২১ জুলাই রাতে র্যাব-১২, বগুড়ার সহযোগিতায় কুখ্যাত গরু চোর গোলাম রাব্বানীকে বগুড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নাটোরের সিংড়া উপজেলায় যৌথ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মো. হাসিব এবং রানীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জাকারিয়ার নেতৃত্বে একটি দল র্যাবের সহযোগিতায় গভীর রাতে সিংড়ার হাট তাজপুর এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে শ্রী সুজিত ওরফে অজিত চন্দ্র হালদার (৪০), পিতা- পতিত চন্দ্র হালদার এবং শ্রী সুচন্দন রাজবংশী ওরফে সজল (২৭)সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের হেফাজত থেকে পাঁচটি চোরাই গরু উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও অস্ত্র আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। তদন্তে জানা গেছে, নওগাঁ, নাটোর, ময়মনসিংহ ও বগুড়া জেলার কয়েকজন কুখ্যাত গরু চোরের সমন্বয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় গরু চুরি ও ডাকাতির সঙ্গে জড়িত। নাটোরে গ্রেপ্তার সুজিত ও সুচন্দন স্থানীয়ভাবে গরু ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত হলেও চুরি করা গরু কিছুদিন লালন-পালন করে পরে বিক্রি করতেন বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে।
পুলিশের তথ্যমতে, এ নিয়ে দুই দফা অভিযানে মোট ছয়জন আন্তজেলা গরু চোর-ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নওগাঁর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম বলেন, “কৃষকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ গরু। গরু চোর চক্রের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”





















